আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সুনীলের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তসলিমার ( সৈয়দ শামসুল হকের বিরুদ্ধে করেছিলেন )

পোলা ভালো তো শুধু বেশি বুঝে !! আইডিটা খুলা হয়েছে শুধু মজার জন্য ! কেউ বেকুব হলে নিজ দায় নিয়ে হবেন বাংলাদেশের বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতনামা লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাকে যৌন হয়রানি করেছেন। কলকাতার তারাবাংলা টিভিকে দেয়া সাক্ষাত্কারে তসলিমা বলেছেন, শুধু তিনি নিজে নন, আরও অনেক লেখিকাই সুনীলের দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। এক টুইটার বার্তায় তসলিমা লিখেছেন, তার লেখা দ্বিখণ্ডিত বইটি পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ করার মূল হোতাও ছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুনীল। তারাবাংলাকে তসলিমা বলেন, ‘১৯৯৯ সালে সুনীল আমাকে যৌন হয়রানি করেন।

আমি শুনেছি আরও অনেক নারী লেখককে তিনি যৌন হয়রানি করেছেন। যেসব নতুন মেয়ে লিখতে আসেন, কবিতা ছাপাতে আসেন, তাদেরকে তিনি যৌন হয়রানি করেন বলে আমি আমি শুনেছি। ’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘তসলিমাকে কলকাতায় আশ্রয় দেয়ার জন্য যারা রাজপথে আন্দোলন করেছেন আমিও ছিলাম তাদের মধ্যে। এটা তো বিরাট ব্যাপার দেখছি। আমি অনেক মেয়েকে প্রলুব্ধ করে এ কাজ করেছি।

আমি তো ইয়ং। রোমান্টিক চরিত্রের লোক। মেয়েদের কাছে দয়া চেয়েছি কখনও কখনও। জোর করে করার তো প্রশ্নই আসে না। কিন্তু হঠাত্ এ ধরনের কথা শুনলে একটু ঘেন্না ঘেন্না (ঘৃণা) ভাব হয়।

’ সুনীল বলেন, ‘হঠাত্ করে তসলিমা কেন এই মিথ্যা কথা বলতে গেল আমি জানি না। তার প্রতি এখনও আমার কোনো রাগ বা বিদ্বেষ নেই। এখনও কোনো সুযোগ পেলে আমি তাকে সাহায্য করব। ’ উল্লেখ্য, বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা বাংলাদেশের কয়েকজন লেখকের বিরুদ্ধেও যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছিলেন। লেখক সৈয়দ শামসুল হকের বিরুদ্ধে এরকম একটি অভিযোগ আনার পর তা আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

নারীবাদী লেখার নামে ইসলামবিরোধী লেখার দায়ে ইসলামপন্থীদের আন্দোলনের মুখে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হন তসলিমা। প্রথমে ইউরোপে ও পরে ভারতে আশ্রয় নিলেও সব জায়গাতেই তিনি বিতর্কের জন্ম দেন। কপি পেষ্ট !! ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।