আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ইহা একটি রূপকথার গল্প। উক্ত গল্পটি কারো বাস্তব অথবা অবাস্তব কল্পনার সাথে মিলে গেলে লেখক দায়ী নহে।

জীবন আসলে চিল্লাপাল্লা ছাড়া কিছুই না। সেটাই করতে চাই, মনের সুখে, ইচ্ছা মতন। একটা রূপকথার গল্প মাথায় আসছে, চলুন শেয়ার করে ফেলি। এক দেশে ছিল এক রাজকন্যা; সে একদিন তাঁর রাজ্য ভ্রমণে বের হল। পথে সে দেখল একটি কূপ; যে কূপের পানি এলাকার সব মানুষ ব্যবহার করে।

কিন্তু তাঁর দৃষ্টি গেল কূপের পাশে, যেটা কিছুটা নোংরা দেখাচ্ছিল। এই জিনিশটা রাজকন্যার পছন্দ হল না। সে চিন্তা করল, তাঁর রাজ্যে ময়লা থাকবে কেন? সাথে সাথে রাজকন্যা মন্ত্রীকে আদেশ করলেন কূপ বন্ধ করতে এবং ময়লা দূর করতে। আদেশ মাত্র কাজ শুরু হয়ে গেল, নিমিষেই কূপটা ভরাট করে ফেলল মন্ত্রীর বাহিনী। অপর দিকে এলাকার লোকজন পানির অভাবে … … … ইত্যাদি… …ইত্যাদি… …।

আমার গল্প আর আগানোর দরকার নেই, এইটুকুর মধ্যেই একটা প্রশ্ন মাথা থেকে তাড়াতে পাড়ছি না। আচ্ছা? রাজকন্যার এই সিদ্ধান্তটাকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? আমি নিচে আর একটি সত্যি গল্প বলছি, দেখেন আবার ঐটা বিষয়ে কোন মন্তব্য করে বইয়েন না। তাইলে কিন্তুক খবর আছে; এই দেশে বাস করতে চান তো? কিছুদিন আগে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয় সিলেটে একটি জনসভা করতে এসেছিলেন। রাস্তায় তিনি আবিষ্কার করলেন যে তাঁর গাড়ীতে একটু ঝাঁকুনি সৃষ্টি হচ্ছে । অতিশয় প্রজ্ঞাবান প্রধানমন্ত্রী ডঃ শেখ হাসিনা সাথে সাথে এও আবিষ্কার করে ফেললেন যে এই ঝাঁকুনির কারণ রাস্তার স্পীড-ব্রেকার।

তিনি সাথে সাথে তাঁর সাঙ্গু পাঙ্গুদের আদেশ দিলেন যেন তাঁর চলার রাস্তায় কোন স্পীড-ব্রেকার না থাকে। সাথে সাথে কাজ হাসিল (এই বাংলাদেশেই, যেখানে নাকি আদেশ দেয়ার বছর কয়েক পরে কর্মীরা খবর পায় যে কাজ মঞ্জুর হয়েছে)। একদিনের ভিতর শাবিপ্রবি গেটসহ প্রধানমন্ত্রী মহোদয় যে রাস্তা দিয়ে এসেছিলেন সে রাস্তার সব স্পীড-ব্রেকার উঠিয়ে দেয়া হল। এখন আমি জানিনা এই রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করা আমার জন্য আর কতটা নিরাপদ। আমাদের একজন স্যার আজ ক্লাসে সাবধান করে দিলেন যেন আমরা সবাই ভার্সিটি গেট দিয়ে সাবধানে চলাচল করি; কারণ উনি নাকি গতকাল ঐ জায়গায় ট্রাকের নিচে চাপা পরতে পরতে বেছে গেছেন।

আর আমার ঐ স্যার কিন্তু একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার; তাই ট্রান্সপোর্টেশনের ব্যাপারে স্পীড-ব্রেকারের প্রয়োজনীয়তাটা উনি ভালই বুঝেন। এটা ছিল আমার সত্য গল্পটা। বিঃদ্রঃ এই পোষ্ট টি প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দেয়া হলে কোনও রকম ধাক্কা খাব না বা খুব অবাকও হব না। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।