আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

এইসব মৃত মানুষেরা...

আমার খুব কষ্ট হয়, যখন RAJAKAR বানানটা বাংলা বর্ণমালায় লিখা হয়। এটা বর্ণমালার জন্য অপমান। আয় বন্ধু তোর কলজে ধরে টান দিই। নির্বিবাদে বসে থাক, পুরোনো আড্ডার দোহাই ধরে তোর চোখ টেনে বের করি জল। লোনা লোনা জল।

তোর হৃৎপিণ্ড দিয়ে বানাবো লাটাই, আর হাত দুটো গাছ-সহ্য করতে পারবিনা? বলিস কি! এখনোতো শুরুই করিনি। যেমন ধর তোর পা। তোর পা হবে যোজন যোজন পথ। রাত বিরেতে হেঁটে হেঁটে পথ হারিয়ে ফেলার মত এমন একটি পথ যা চেনা রাস্তাকেও ভুলিয়ে দেয়। তোর মনের সমুদ্র হবে আমাদের সমুদ্রবিলাস।

তোকে দুমড়ে মুচড়ে নৌকা বানাবো-বুকের খাঁচা দিয়ে দাঁড়। তোর পাঁজরে থাকবে দাঁড়ের শব্দ আর ফুসফুসে থাকবে দিনগুলোর হাহাকার। আমার গিটারে সপ্তপদী সুর, আর গলায় গান। শেকল ভাঙ্গার গান। তুই পালাতে চাইবি-অথচ আস্টে পৃষ্ঠে লেপ্টে থাকবি নিঃশ্বাসের মত।

তোর কন্ঠনালী ভরে থাকবে হারানো দিনের গানের মতো আড়িপাতা অভিমানে। তুই থাকতে পারবিনা, অথচ তোর যাওয়া বারণ। তোর খালি পাকস্থলী ঢেকে দেবো নিকোটিনের আস্তরণে, তোর নাক চিরে কেড়ে নেব ঘ্রাণ। হাজার অনুষ্ঠানের জলছবি মাখা হলরূম,হুল্লোড় থেমে যাবার পর- শেষ বাতি নিভে যাবার গুমড়ে ওঠা নিঃসঙ্গতার মত নিঃসঙ্গ করে দেবো তোকে। সাথে থেকেও।

একসাথে কাটানো দিন গুলোর টাকা আনা পাই হিসেব করে নেবো কড়ায় গণ্ডায়। দলছুট চড়ুইয়ের ডানা ভাঙ্গা রঙ, তোর চুলে ছড়িয়ে পড়া গোধূলীর মনমরা আলো আর মনখারাপে খসে পড়া একটি পশম। তুই সামনে বস, তোকে গান শোনাই। জলভেদী চিৎকারে যেমন অজস্র আলো ছড়িয়ে পড়ে ব্যাকরণ না মেনে, তেমনি ছড়িয়ে গেছিস এক একটি তুই। সব মিলে তোরা।

আমার বুকের ভেতর যেমন আজীবনের পদধ্বনি রেখে তোরা চলে গেছিস যে যার গন্তব্যে, আমি সেই চলে যাওয়া পথ ধরেই টেনে আনবো তোদের। তোদের মনে বেঁধে দিয়েছি আমার গান। এক একটি স্বরলিপি-র সিঁড়ি বেয়ে আমার গিটারের সুর ছুটে যাচ্ছে তোদের পিষে পিণ্ড করে আনতে। তুই এবং তোরা ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবি এবং এখানে আসবি আবার। ফিরে আসবে তোর প্রতিটি টুকরো।

তোর কান্না পাচ্ছে কি? কান্না পাচ্ছেনা! তাহলে আমি লিখে যাবো যতক্ষণ না তোর চোখের পানি আমার লিখাকে ঝাপসা করে দেয়। আনন্দমিছিলের পর জোটবেঁধে নাচ গান-তাতে ভীড় করে ক্লান্তি। অথচ অবধারিত হাজিরার চাপে এখন তোর ক্লান্তিরাই ক্লান্ত হয়ে গেছে তো! কিংবা মরে গেছে। আরে গাধা! মরে গেছিস তুই, জানিস? নিজের ব্যস্ততা বিক্রি করতে করতে ক্ষয়ে গেছে তোর বিভৎস শরীর। একটু হাত বাড়িয়ে যে ধরবো তোকে, সে উপায় নেই।

এজন্য নিপাট হাতে তোর ভেতরবাড়ী টেনে টেনে বের করে আনছি বিশুদ্ধ করার জন্য। নে, এইবার শুরু কর। তোর তেতো হয়ে যাওয়া মন আর বিষাক্ত হৃদয়টাকে ছিঁড়ে ফেলে দে। ওটা বাতিল হয়ে গেছে। তার বদলে তুই গান শোন।

গান না গাওয়ার অভিমানদের ছুটি দিয়েছি তোর জাতিস্মর হবার খেলায়। ধরে নে আমিই তোর ঈশ্বর। এইবার তোকে বিশুদ্ধ বানাবো। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।