আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

জনৈক বনি ইসরাইলী যুবকের তওবার বিবরণ(কিচ্ছা)ও সম্মানিত ব্লগার বর্গ সমীপে আরজি

নবী হযরত মূসা(আঃ)-এর যমানায় দূর্ভিক্ষ দেখা দিল । বৃষ্টি হচ্ছিল না। কওমের লোকেরা মূসা আঃ এর নিকট এসে বৃষ্টির জন্য দোয়া করার আবেদন জানালো । হযরত মূসা (আ) ৭০ হাজার লোক নিয়ে এক জামআতে নামায আদায় করলেন কিন্তু তীব্র রোদ ওঠলো । হযরত মূসা আঃ বললেন হে আল্লাহ নামায আদায় করলাম দোয়া করলাম কিন্তু প্রচন্ড রোদ ওঠেছে।

আল্লাহ বললেন তোমাদের মধ্যে এমন একজন আছে যে গত ৪০ বছর কোন ভালো কাজ করেনি শুধু নাফরমানি করেছে । সেই অত্যাচারী জালেম যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের সঙ্গে থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি বৃষ্টি বর্ষন করবো না । হযরত মূসা আঃ বললেন যদি এরকম পাপী কেউ থাকো,যে ব্যক্তি ৪০ বছরে কোন ভালো কাজ করোনি , শুধু আল্লাহর নাফরমানী করেছো তবে সে বেড় হয়ে যাও । তার পাপের কারণে অন্য সকল মানুষ কষ্ট পাচ্ছে,বৃষ্টি হচ্ছে না। সেই পাপী লোকটি ডানে বামে সামনে পিছনে তাকালো ।

কিন্তু চিন্তা করলো যদি আমি এখন সকলের চোখের সামনে দিয়ে বের হয়ে যাই তবে অপমানের শেষ থাকবে না। যদি এখানে দাড়িয়ে থাকি তবে বৃষ্টি হবে না। এখন আমি কি করবো?সেই ব্যক্তি লজ্জিত ভাবে বলল হে আল্লাহ আমি ৪০ বছর যাবত তোমার নাফরমানী করেছি। কিন্তু আমাকে সুযোগ দিয়েছো । আমি এখন তোমার নিকট তওবা করছি।

তুমি আমার তওবা কবুল কর। একথা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে গেলো এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হলো। আল্লাহ বললেন যার কারণে বৃষ্টি হচ্ছিল না সে তওবা করেছে আমি তওবা কবুল করেছি। হযরত মূসা আঃ জানতে চাইলেন সেই ব্যক্তি কে?আল্লাহ বললেন ,সে যখন ৪০ বছর যাবত পাপ করেছে তখনো আমি কাউকে তার পরিচয় প্রকাশ করিনি এখন তওবা করে পরিচ্ছন্ন হয়েছে এখনো তার পরিচয় প্রকাশ করবো না। মানুষকে আমি গীবত করতে নিষেধ করেছি,আমি কিভাবে বান্দার নামে গীবত করবো।

------------------------------------------------- রসুল সঃ এক মজলিসে অবস্থান করছিলেন এমন সময় এক সাহাবীকে দেখিয়ে বললেন যে সে জান্নাতী। অন্য এক সাহাবীর মনে প্রশ্ন জাগলো সে কি এমন আমল করে যে সে জান্নাতী। তিনি তাকে তিনদিন অনুসরন করলেন অথচ বিশেষ কোন আমল করতে দেখলেন না। পরে অবাক হয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন আপনি এমন কি আমল করেন যে রসুল সাঃ আপনাকি জান্নাতী বললেন। তিনি উত্তর দিলেন আমি তেমন কোন আমল করি না।

তবে প্রতি রাত্রে ঘুমের আগে সবাইকে ক্ষমা করে দিয়ে ঘুমাই। ক্ষমা স্বর্গীয় গুণ। উৎস..হেকায়েতে সাহাবা --------------------------------------------------------- পবিত্র কোর আনের সারাংশ হলো সুরা ফাতেহা। সুরা ফাতেহার মধ্যে যা আছে তা বিসমিল্লাহর মধ্যে আছে । আর বিসমিল্লাহর সব কিছুই বা এর নিচে যে নুক্তা আছে তার মধ্যে আছে।

নুক্তার অর্থ হলো মিলিয়ে দেয়া। তাই মিলে মিশে থাকা অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ। পুরো সৃষ্টি জগতের উদ্দেশ্যে হলো মিল মহব্বত। আল্লাহ তায়ালা এটি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন। আর অপছন্দ করেন ঝগড়া বিবাদ কলহ।

রসুল সঃ শবে কদর নির্দিষ্ট করে দিবেন এন সময় দুইজনের ঝগড়া শুরু হলো। রসুল সঃ ভুলে গেলেন আল্লাহ তায়ালা শবে ক্বদর অনির্দিষ্টই রাখলেন। এটা ঝগড়ার কুফল। -------------------------------------------------------- প্রথম ঘটনায় বুঝা যায় স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা মানুষের দূষ গোপন রাখেন তাকে লজ্ঝায় ফেলেন না। আমাদেরও উচিৎ অপরকে শ্রদ্ধা করা।

সম্মান করে কথা বলা। এতে মানুষের মধ্যে আন্তরিকতা সৃষ্টি হয়। হাদিসে আছে যে জিহবা ও লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে তার বেহেশতের জিম্মাদর স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা। মুখ নিঃসৃত বাণী অমূল্য । একটা কটু কথা মুখ দিয়ে বেড়িয়ে গেলে সেটি আর ফিরানো সম্ভব নয়।

তার বাজে ফলাফল আসবেই। তাই সাধু সাবধান। আমরা যেন সকল ব্লগারদের শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ সহ সকল মানুষকে সম্মানের সঙ্গে সমালোচনা করি। এতে আমাদের ছোট হওয়ার কিছু নাই। বরঞ্চ এর মধ্যে আভিজাত্য আছে।

-------------------------------------------- আজ ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। এই মহান দিবসে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছাও অভিনন্দন। যাদের কল্যাণে আমাদের আজকের এই স্বাধীনতা তাদের সবাইকে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করি। আমরা বীরের জাতি। আসুন এমন মহান দিনে এই শপথ করি সকল মানুষকে শ্রদ্ধা করবো তার অনুভূতিকে চিন্তাকে মূল্যায়ন করবো্।

আর দেশও জাতির সার্বিক উন্নয়নে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও রক্ষায় নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করবো। ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে ২৫ বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.