আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আ’লীগ-জামায়াতের ফের গোপন সমঝোতা!!

শুদ্ধ হোক তোমার মন,ইতিবাচক হোক তোমার দৃষ্টিভঙ্গি,প্রকাশ হোক তোমার কর্মে,চেতনায় ও মননে । দেশের রাজনীতিতে এখন সাম্প্রতিকতম চমক হচ্ছে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর গোপন সমঝোতা। বাংলাদেশস্থ একটি শক্তিশালীদেশের দূতাবাসের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার মধ্যস্থতায় আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের গোপন বৈঠক এখন ঢাকার টক অব দ্য টাউন। বর্তমানে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের রাজনৈতিক আচরণের মধেও ফুটে উঠছে সমঝোতার স্পষ্ট আভাস। রাজনেতিক বিশ্লেষকদের মতে, উল্লিখিত দুই দলের মধ্যে ইস্যুভিত্তিক বা সামগ্রিক বিষয়ে সমঝোতা হয়ে গেলে সেখানে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষার ‘আইওয়াশ জাতীয়’ একটি ব্যবস্থা গত ফেব্রুয়ারী মাসেই হয়ে গিয়েছিল, দুই দলের গোপন সমঝোতার মাধ্যমে-এমনটাই সংবাদ প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সপ্তাহিক আজকাল। তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাতে এমন সমঝোতা হয়েছিল, জামায়াতে ইসলামীর অভিযুক্ত নেতাদের লোক দেখানো বিচার একটা হবে যাতে ফাঁসির বদলে যাবজ্জীবন বা ক্ষেত্রে বিশেষে তার চেয়ে কম দন্ড দেওয়া হবে এবং সুযোগ মতো এক সময় জামিন বা অন্য ব্যবস্থায় তারা বের হয়ে আসবেন। এর মধ্যে অনেকে অতিবৃদ্ধ বলে কেউ কেউ মৃত্যু স্বাভাবিক মৃত্যু বরণ করবেন। মোট কথা, ফাঁসির রজ্জু থেকে জামায়াত নেতাদের দূরে রাখা হবে। ব্যাপারটি আরো স্পষ্ট হয় তখন, যখন তুলনামূলকভাবে কম পরিচিতি ও স্বল্প অপরাধের অভিযোগে মওলানা আবুল কালাম আজাদের ফাঁসি হয় এবং তার চেয়েও অনেক বড় অভিযোগে এবং প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ প্রমাণ অনেক বেশি থাকা সত্ত্বেও আবদুল কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন হয়েছিল।

রায় ঘোষণার পর কাদের মোল্লার আঙুল উচিয়ে বিজয় চিহ্ন প্রদর্শন ও তার আগে-আগে ছাত্র শিবিরের সঙ্গে পুলিশের ‘পুষ্পবিনিময়’ সন্দেহকে বদ্ধমূল করে তুলেছিল নতুন প্রজন্মের তরুণদের কাছে, যারা আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল বিচারের আশায়। এই তরুণরাই প্রায় বিনা-নোটিশে কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে সমবেত হয় শাহবাগ চত্বরে। এরা তখনকার মতো রুখে দেয় গোপন সমঝোতা। তরুণদের সমাবেশ যতক্ষণ পর্যন্ত নির্দলীয় ও আপসহীন ছিল ততক্ষণ ব্যাপক সাড়া জাগায় দেশে-বিদেশে। বিচারের পক্ষের লক্ষ লক্ষ মানুষ জড়ো হয় শাহবাগে।

কিন্তু দ্রুতই আওয়ামী লীগ তরুণদের উদ্যোগকে কুক্ষিগত করায় বিতর্কিত হয়ে পড়ে সেই উদ্যোগ। জামায়াতও নানা কৌশলে সেই সমাবেশকে বিতর্কিত করার সর্বাত্মক উদ্যোগ নেয়। মঞ্চের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুটি কয়েক ইসলাম-বিদ্বেষী ব্লগারকে লক্ষ লক্ষ বিশ্বাসী-মুমিন মানুষ ও গোটা আন্দোলনের সঙ্গে পাঞ্চ করে ঘটনাকে অন্যখাতে নিয়ে যায় জামায়াত ও তার ঘরানার বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্রগুলো। সেই সূত্র ধরে মাঠে হঠাৎ করে হাজির হয় কওমী-ওহাবীদের সংগঠন হেফাজত। আওয়ামী লীগ গাছের তলার ও উপরেরটা এক সাথে খেতে গিয়ে আমÑছালা-বাগান এক সঙ্গে হারায়।

এরমধ্যে কাদের মোল্লার রায় ‘পুনর্বিবেচনার’ ব্যবস্থা করা হয়। মাঝখান থেকে অনেক জীবন ঝরে যায়। আওয়ামী লীগ ও জামায়াত যুগপৎভাবে পরিস্থিতির কাছে বেদড়ক মার খেয়ে আবার ফিরে আসে গোপন সমঝোতার কাছে। এনিয়ে অনেক প্রতিবেদনও প্রকাশিত-প্রচারিত হয়ে চলেছে ঢাকার সংবাদ মাধ্যমগুলিতে। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যাবে, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক অহিনকুল-ভাবে প্রদর্শন করা হলেও জামায়াত এ যাবত সবচেয়ে বেশি কাছাকাছি ছিল আওয়ামী লীগেরই।

শুধু ১৯৭১ সালের ঘটনা আলাদা। ষাটের দশকের শিক্ষা আন্দোলন, আয়ুব-বিরোধী আন্দোলন, ‘ডাক’ গঠন প্রভৃতি ক্ষেত্রে দুই দল অনেক কাছাকাছি ছিল, ছিল এক জোটেও। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের পুরো সময়টা জামায়াত অনুসরণ করেছে আওয়ামী লীগেরই কর্মসূচি। তখন আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নান এমন মন্তব্যও করেছেন যে, জামায়াত একটি ‘গণতান্ত্রিক শক্তি,’ তাকে যেন বিব্রত করা না হয়। মুক্তিযোদ্ধারা আশির দশক জুড়ে জামায়াত-বিরোধী আন্দোলন করার সময় আওয়ামী লীগ নিরাপদ দূরত্বে থেকেছে।

১৯৮৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি যায়নি, কিন্তু জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচনে গিয়ে এরশাদকে বৈধতা দিয়েছে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর জামায়াত বিএনপি’র সঙ্গে দু’টি মহিলা এমপি পুরস্কার নিয়ে অবস্থান নিলেও অলপ দিনের মধ্যে তারা রাস্তায় আবার আওয়ামী লীগের সঙ্গী হয়। তারাই কেয়ার টেকার-এর ফর্মুলা দিয়ে সেটি আওয়ামী লীগের মাধ্যমে জোর করে বাস্তবায়ন করে। এ সময় অধ্যাপক গোলাম আজম এমন মন্তব্যও করেন যে, আওয়ামী লীগের লোকেরা বিএনপির লোকদের চেয়ে বেশি নামাজ পড়ে। শেখ হাসিনার সমালোচনা উহ্য রেখে তারা বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চরিত্র হননকারী অনেক মন্তব্য করেন।

এমন কি বেগম জিয়ার কোরিয়া সফরের সময় হাতে জুসের গ্লাসকে মদের গ্লাস বলে ক্যাপশন দিয়ে ছবি ছাপে শিবিরের এক প্রকাশনায়। এ সময় গোলাম আজমই ‘নৌকার বিকল্প ধানের শীষ নয়, দাড়িপাল্লা’ এই তত্ত্ব হাজির করে বিএনপিকে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতাচ্যুত হতে বাধ্য করে। পরবর্তী কালে আওয়ামী লীগের দুর্দিন ও বিএনপির সুদিন দেখে বিএনপির জোটে আসে। সুতরাং জামায়াতের আওয়ামী লীগ প্রীতি নতুন কিছু নয়। বিএনপির দুর্দিনে পরবর্তী কালেও তারদর পাশে দেখা যায়নি।

উভয় দলের গোপন সমঝোতা নিয়ে ঢাকার মিডিয়াগুলি এখন সরগরম। তেমনি একটি প্রতিবেদন এখানে আমরা তুলে ধরছি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার একমাত্র দাবিদার ক্ষমতাসীন আওয়ামী অতিগোপনে অভিযুক্ত জামায়াতের সাথে সমঝোতার চেষ্টা করছে। আর এতে তারা বিদেশিদের সহায়তা নিচ্ছে। এবার জামায়াতকে ম্যানেজ করতে মাঠে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী।

তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকাস্থ ভারপ্রাপ্ত রাষ্টদূতের সহায়তায় তার গুলশানের বাসায় জামায়াতের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের তিন নেতার সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছেন। আওয়ামী লীগের সাথে ১৮ দলীয় জোটের শরীক জামায়াতের ‘এই গোপন বৈঠক’ এর খবরে বিএনপিতে তোলপাড় চলছে। শুধু বিএনপিতেই নয় জামায়াতের মাঠ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যেও এ বৈঠক নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যেও তোলাপাড় চলছে। বিএনপির আশঙ্কা, এ সমঝোতা মূলত বিএনপিকে বাইরে রেখে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করার নীল নকশা।

রাজনৈতিক অঙ্গনে চাউর রয়েছে, চাপে ফেলে জাতীয় পার্টিকেও এই পথে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করছে সরকার। বিএনপির একাধিক নেতার আশঙ্কা তাদের শরীক দল জামায়াত সরকারবিরোধী আন্দোলনের বুকে ছুরি মেরে সরকারের সাথে সমঝোতা করতে পারে। ১৯৯৬ সালেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে গাটছড়া বেধে জামায়াত বিএনপিকে হেনস্থা করেছে। আবার জামায়াত সেই পথেই হাঁটছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অতিগোপন এই বৈঠকের পর জামায়াতের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখছে বিএনপি।

গত সোমবারই জোটের প্রধান নেত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এ খবর জানতে পেরেছেন। শরীক দলের এই ভূমিকায় তিনি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির সিনিয়র একনেতা বলেন, আওয়ামী লীগের সাথে জামায়াতের আঁতাত বা সমঝোতা নতুন কিছু নয়। ক্ষমতার লোভে আওয়ামী লীগ পারে না হেনো কোনো কাজ নেই। ঠিক একইভাবে নিজেদের প্রয়োজনে জামায়াতের পক্ষে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়।

তাদের অতীত বিশ্লেষণ করে সতর্কতার সাথে সামনের দিকে এগুচ্ছে বিএনপি। সূত্রমতে, গত ৭ জুলাই ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জন ড্যানি লুইসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আওয়ামী লীগ ও জামায়াতরা। গুলশানে রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে ওইদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হওয়া প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভীসহ আওয়ামী লীগের আরেক উপদেষ্টাসহ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক, কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ উপস্থিত ছিলেন। সরকারি একটি গোয়েন্দা সংস্থা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, জন ড্যানি লুইসের দেয়া চায়ের দাওয়াতে তারা উপস্থিত হন।

পরে তারা রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিচার, জাতীয় নির্বাচন এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়। তবে মুখ্য বিষয় ছিলো আওয়ামী লীগের সাথে জামায়াতের সমঝোতা। এদিকে গত সোমবার রাতে ওই রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে নৈশভোজে অংশ নেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, তার দলের মহাসচিব রুহুল আমি হাওলাদার, এফবিসিসিআিই-এর সাবেক সভাপতি একে আজাদসহ প্রভাবশালী কয়েক ব্যাসায়ী। গাজীপুর সিটি নির্বাচনে নিষ্ক্রিয় ছিলো মুলত মিডিয়ায়: বহুল আলোচিত গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দুই জোটের মধ্যে ভোটযুদ্ধ হলেও ১৮ দলীয় জোটের অন্যতম শরীক দল জামায়াতের ভূমিকা ছিলো প্রশ্নের মুখে।

তারা মাত্র লিখিত সমর্থন জানিয়েছিলো। মাঠে তাদের কোনো প্রচারণা ছিলো না। সূত্রমতে, ওয়ান ইলেভেনেও জামায়াত ছিলো রহস্যে ঘেরা। জোট করেছে, ক্ষমতার পূর্ণ স্বাদ নিয়েছে কিন্তু পট পরিবর্তনের পর পাল্টে যায় এই জামায়াত। বিএনপি নেতাদের একেরপর এক গ্রেফতার, মামলা, সাজা ও কারাবন্দি করে তৎকালীন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

ওই সময় জাতায়াতের নেতারা বলেছিলো- দুর্নীতি বা দুর্নীতিবাজদের পক্ষে নেই জামায়াত। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব (এখন ভাইস চেয়ারম্যান) তাকের রহমানকে যেদিন গ্রেফতার করা হলেও ওইদিন কোনো বিবৃতি দেয়নি জামায়াত। তৎকালে বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন সাব জেলে তার আইনজীবী হয়েও খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাত করতে পারেননি। কিন্তু জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহমাস মুহাম্মদ মুজাহিদ সরকারের সাথে সমঝোতা করেই খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন ও খালেদা জিয়ার সাথে কারাগারেই বৈঠক করান। সাথে তিনিও ছিলেন।

২০০৮ সালে ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অনিচ্ছুক ছিলো। কিন্তু জামায়াতের কৌশলে পড়ে তাতে অংশ নিতে হয়। এর আগে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারাজ্জামান গুলশানে সাক্ষাৎকালে নির্বাচনে অংশ নিতে খালেদা জিয়াকে পরামর্শ দেন। ওই সময় খালেদা জিয়া তাকে (কামারাজ্জামান) বরেছিলেন, আমি তো তিনটি আসনেই জিতবো, আপনি কি আপনার আসনে জিতবেন? সর্বশেষ সমঝোতার দৃশ্য মেলে মতিঝিলের শাপলায় পুলিশ পাহারায় জামায়াতের মিছিলে। ওইদিন শিবির নেতাকর্মীরা মহাজোট সরকারের মারমুখী পুলিশকে ফুল দিয়েছিলো উৎস ঃ সংবাদ ২৪ ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।