আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

এই সব মৃত কিংবদন্তী

-- সেই মিশরীয় সভ্যতার সময় মানবদেহ সংরক্ষণ করার প্রচলন ঘটে। কালের গর্ভে সভ্যতা বিলীন হলেও মৃতদেহ সংরক্ষনের প্রক্রিয়ার জটিল তত্ত্ব নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষনা থেমে থাকেনি। সংরক্ষন করা ২০ টি পূর্ণাঙ্গ মানবদেহ আর শরীরের বিভিন্ন স্থানের দু’শ অংশ নিয়ে বডি ওয়ার্ল্ড নামের প্রদর্শনীটি দেখাতে জার্মানি থেকে রোমে পারি জমান শরীরতত্ত্ববিদ গান্থার ভন হ্যাগেন্স। শহরটির ইতিহাসে এটাই মানব দেহ নিয়ে প্রথম কোন প্রদর্শনী। তবে নান্দনিক ভাবেই অতিথিদের সামনে তুলে ধরা হয় তাদের।

মৃত্যুর আগে নিজের সবচেয়ে মুল্যবান শরীরকে শৈল্পিক কাজে ব্যবহার করার জন্য যারা দান করেছিলেন তাদের নিয়েই এই আয়োজন। প্রদর্শনীতে ব্যবহার করা শবদেহ গুলোকে মৃত্যুর পরই সংরক্ষণ করা হয়। এক্ষেত্রে হ্যাগেন্স ব্যবহার করেছেন নিজস্ব পন্থা। শরীরের ভেতরের তরল বেড় করে তা সিলিকন পলিমার দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। তারপর শুরু হয় শরীর থেকে চামরা আরাদা করার কাজ।

বৈজ্ঞানিক ভাষায় যাকে বলা হয় প্লাষ্টিনেশন। প্রদর্শনীর পুরো প্রক্রিয়াটি সফল করে তুলতে তাকে সাহায্যে করেন জার্মানির হিডেলবার্গের ইন্সস্টিটিইট ফর প্লাস্টিনেশন। দেখে বোঝার উপায় নেই এদের কেউই বেঁচে নেই। প্রদর্শনীর বদৌলতে এক একজন হয়ে উঠেছে জীবন্ত কিংবদন্তী। তবে, শৈল্পিক কিছু ফুটিয়ে তোলার আরালে তরুণ সমাজকে সুস্থ জীবনের প্রতি আগ্রহী করাই আয়োজানের মূল উদ্দেশ্য।

১৯৯৫ সালে জাপানের টোকিওতে প্রথম এই প্রদর্ষণীর আয়োজন করা হয়। তার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষ আগ্রহী হয়ে ওঠে এই বিষয়ে। রোম-এ দেখানো গান্থার ভন হ্যাগেন্স বডি ওয়াল্র্ড প্রদর্শনীর দেখার জন্য ক্লিক করুণ এখানে । - ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।