আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ফোন-রহস্য

তারা ভরা রাতের নিষাচর... রাত বারটা বাজলেই নতুন দিন শুরু হয়। বেশিরভাগ মানুষই ঘুমিয়ে কাটানো ছাড়া এ সময়টা ব্যয় করেন না। আনেকে অবশ্য কিছু না কিছু কাজ করে থাকেন। আমার অবশ্য ঘুমাতেই ভালো লাগে। এ সময় যদি বেরসিকের মতো ফোনটা বেজে উঠে আর ঘুমটা ভেন্ঘে যায় তাহলে টেলিফোনের উপারের মানুষটাকে খুব বকতে ইচ্ছে হয়।

তবে মেয়েলি কন্ঠের রিনরিনে হাসি আমার রাগ পানি করে দিলো। মেয়েদের ইশ্বর যে কেন এতো ক্ষমতা দিলেন কি জানি। নাম পরিচয় না জানা মেয়েটি তারপর থেকে প্রায়শই কল করতো এরকম অসময়ে। আমার খুব জানার কৌতুহল ছিলো কে সে? কোথা থেকে আমার নম্বর পেলো? কেনোইবা এমন অসময়ে আমাকে ডিস্টার্ব করে। তবে মজার ব্যপার হলো যে কোন সময়ে ফোনটিতে কল দিলে একজন পুরুষ মানুষ বেশ বাজখায় গলায় হ্যলো বলে চিৎকার করে উঠেন।

আমি বা যে কাউকে দিয়ে ফোন করিয়ে রহস্যের কোন কুল কিনারা পেলাম না। আমি অনেক চেষ্টা করেও যখন কুলকিনারা করতে পারলাম না তখন আমার বিগ্ঞ বন্ধু মামুন পাহাড়ির সরনাপন্ন হলাম। পাহাড়িকে তার বিশাল বিটলামি গ্ঞানের জন্য সকলে গ্ঞানের পাহাড় তথা পাহাড়ি উপাধি দিছে। সে আমাকে একটা ছোট বিটলামি বাতলায় দিলো...যার সারমর্ম হলো তুমি মেয়েটারে এমন ভাব দেখাবা যে তুমি তারে চিনতে পারছো কিন্ত তারে বলবা সে যারে খুজতাছে তুমি সে নও। আমি নিতা্ন্ত সাধাসিধে মানুষ আমি তার কথা মতো কিছুই করতে তো পারলাম না।

সে অতি বিরক্ত হয়ে আমাকে সেই নাম্বারটা তার মোবাইলে ডাইভার্ট করে রাখতে বললো। আমিও সরল মনে তাতে সম্মতি দিলাম। মামুর এস্যইনমেন্ট দু তিনদিনেয় সাকসেসফুল। সে মেয়েটাকে এমন পটিয়ে ফেললো যে মেয়েটা একেবারে আমাদের রক্ষনশীল মেসে হাজির। তবে পিছে পিছে তার বাজখায় গলার পিতাকে সহ।

বলতে গেলে মেয়েটিকে তার বাবাই নিয়ে আসলেন...অবশ্য পাহাড়ি অনেক আগেই হাওয়া। তবে পরে জেনেছিলাম পাহাড়ির ছোট্ট একটা মেসেজই এই রহস্যযুগের সমাপ্তি টেনেছিলো যদিও মেসেজে ভালো কিছু লেখা ছিলো না সেটা সেই বৃদ্ধের হুমকি থেকেই বুঝেছিলাম। তবে পাহাড়ি যে কোন কুবুদ্ধিতে মেসের ঠিাকানা পাঠালো তা বুঝা দায়... ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।