আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

চার কারণে ফল খারাপ

এবার চারটি কারণে এইচএসসির (উচ্চমাধ্যমিক) ফল খারাপ হয়েছে। আগের তুলনায় পাসের হার কম, জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাও কম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ জন্য হরতালের মতো রাজনৈতিক কর্মসূচিকে দায়ী করেছেন।
তবে ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, শুধু রাজনৈতিক অস্থিরতা নয়, ফল খারাপ হওয়ার পেছনে আরও তিনটি কারণ দায়ী। এক. নতুন করে আরও তিন বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্ন চালু করা এবং সৃজনশীলের বিষয়গুলোর মধ্যে বাংলা ও রসায়নের প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের কাছে কঠিন মনে হয়েছে।

দুই. সৃজনশীল প্রশ্ন তৈরি ও খাতা মূল্যায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ না থাকা। তিন. উদারভাবে পরীক্ষার খাতা দেখার বিষয়ে বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে খাতা মূল্যায়নকারীদের অনানুষ্ঠানিক পরামর্শ দেওয়া হতো। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা হওয়ায় এবার পরীক্ষকদের এমন পরামর্শ দেওয়া হয়নি।
সৃজনশীল বাংলার প্রশ্ন কঠিন: এ বছর প্রথমবারের মতো তিনটি বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়েছে। আগেরবার শুধু বাংলায় সৃজনশীল ছিল।

সব বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলছেন, এবার বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্ন কঠিন হয়েছে। এমনকি কঠিন বিষয় হিসেবে পরিচিত ইংরেজির চেয়েও কঠিন হয়েছে বাংলার প্রশ্নপত্র। গত বছরের তুলনায় সব বোর্ডে বাংলা বিষয়ে পাসের হার ২ থেকে ৩ শতাংশ কম।
শিক্ষার্থী-শিক্ষকেরা বলছেন, পাসের হার বা জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা কমে যাওয়ার বড় কারণ কঠিন প্রশ্ন। রাজধানীর ট্রাস্ট কলেজের অধ্যক্ষ বশির আহমেদ ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী বাংলা, পদার্থ ও রসায়নের প্রশ্ন এবার কঠিন হয়েছে।


ঢাকা কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ বিজ্ঞানের পরীক্ষার্থী ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, বাংলা সৃজনশীল প্রশ্ন খুবই কঠিন হয়েছে। পুরোনো ধারায় পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্ন সহজ হলেও এতটাই বর্ণনামূলক ছিল যে বেশির ভাগ পরীক্ষার্থী লিখে শেষ করতে পারেননি। আর রসায়নের সৃজনশীল প্রশ্ন সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে কঠিন ছিল। ।

সোর্স: http://www.prothom-alo.com

এর পর.....

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।