আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বউ বাপের বাড়ি পাঠিয়ে স্বামীরা স্বাধীন।

* আমি খুজে বেড়াই নিজেকে *

আমার একমাত্র বউ বাপের বাড়ি গেলো। গেলো মানে পৌছে দিয়ে এসেছি এই গতকালই। ঈদ উপলক্ষ ছিলো। কিন্তু ছেলেটার জন্য মনটা কেমন কেমন করে। ছেলেটা আবার সন্ধ্যায় আমার জন্য ওয়েট করে।

আমি আবার বাসায় এসে ছেলের সাথে দুনিয়ার গল্প জুড়ে দেই। ও কি বুঝে কে জানে তবে ভীষন মজা পায়। হাসে আবার ও ও আ আ করে কথা ও বলে। যা হোক বউকে রেখে এলাম সন্তান সহ। গতকাল আসার সময় শাশুড়ি বাসায় খাবার জন্য ২/৪ পদ রেঁধে দিয়েছে।

কিন্তু মাংস আর কত। ইচ্ছা করেনা। তবে গত রাতে শাশুড়ীর দেয়া খাবারই খেয়েছি তবে ভাতটা রান্না করতে হয়েছিলো। আজ আর মাংস জাতীয় এই অপদার্থটাকে খাবোনা ভেবেই নিয়েছি সকাল থেকে। তাই অফিস থেকে ল্যাপটপ খানা কাঁধে নিয়ে সোজা কাঁচা বাজারে।

মাছ বাজারে গিয়ে কিনলাম লইট্যা মাছ-অনেকদিন খেতে ইচ্ছা করছিলো, কিন্তু বউ খায়না তাই কিন্তেও দেয়না। তাই মওকা বুঝে কিনে ফেল্লাম। আর কিনলাম ছোট চিংড়ি। সবজি বাজারে ঢুকে কিনলাম উচ্ছে। মজার ব্যপার জানা সত্ত্বেও উচ্ছেটাকে করল্লা নামে কিনলাম।

এক ক্রেতা বলে উঠলো বাংগালি উচ্ছে করল্লাও চেনে না। চোখ বড় করে ওর দিকে তাকালাম। পরে অন্য দোকানে গিয়ে বেগুন, ফুলকপি, সীম, টমেটো কিনলাম অল্প অল্প করে। ধনেপাতা, কাঁচা মরিচও কিনলাম। এরপর একটা ব্রয়লারও কিনলাম সুযোগ বুঝে একদিন গ্রীল চিকেন বানিয়ে খাবো ভেবে।

যা হোক বাসা ফিরে শুরু করে দিলাম রান্না। উচ্ছে ফ্রাই করে নিলাম সাথে একটা ডিম ভেংগে গুড়িয়ে নিলাম। তারপর রান্না করলাম অনেক সাধের লইট্যা মাছ। সাথে টমেটো পেঁয়াজ ধনেপাতা দিয়ে। এরপর রান্না করলাম ফুলকপি, সীম, বেগুন মিক্স করে কুচো চিংড়ি, সাথে টমেটো।

রান্না শেষ করে খেতে বসলাম মহা খুশিতে, হায় ভাতইতো রান্না হলোনা। রাত ১০.৩০মিনিটে পেট চু চু করে উঠলো। অগত্যা ভাত রান্না চড়িয়ে একটু টিভিও দেখলাম, কিসব হাবিজাবি। একটুপরে উঠে ভাতের মাড় ঝরালাম। এবং খেতে বসলাম।

সে কি সুস্বাদু খাবার! লইট্যা মাছ তো পুরা হাফকেজি মনে হয় সাবাড় করে ফেলেছি। (নিজের রান্না সুস্বাদু বলে ফেল্লাম, কি আর করা)। লইট্যা মাছে চচ্চড়িঃ------------ কুচো চিংড়ি দিয়ে সবজি---------- উচ্ছে ফ্রাই উইথ আন্ডা গ্রাইন্ডেড মজা করে খাইলাম আর খাইলাম, কারো মন চাইলে খেয়ে নিতে পারেন।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।