আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বাঘ রক্ষায় পায়ের ছাপ



বাঘের পায়ের ছাপ এবং বাঘের মুখের ছবিই বাঘকে বিলুপ্তির হাত থেকে পরোক্ষভাবে রক্ষা করতে পারে। অন্যান্য বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে বলে ভারতীয় গবেষকরা জানিয়েছেন। এই পদ্ধতি ব্যবহারেই বাঘের সঠিক সংখ্যা বের করা যাবে। খবর বিবিসি অনলাইনের। সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, সম্প্রতি ওয়ার্ল্ডলাইফভিত্তিক বিভিন্ন এজেন্সি বাঘের অস্তিত্ব এবং সংখ্যা গোনার জন্য ক্যামেরাসহ অন্যান্য প্রযুক্তির পেছনে অনেক অর্থ ব্যয় করছেন।

সেক্ষেত্রে ভারতীয় গবেষকরা বাঘের পায়ের ছাপ অনুসরণ করা এবং মুখ দেখে চিনে রাখার একটি সহজলভ্য পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন যা ক্যামেরা পদ্ধতির মতোই কার্যকর। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ভারতীয় বাঘ গবেষকদের দাবি, এই পদ্ধতি ব্যবহারে ক্যামেরা পদ্ধতির চেয়ে দশভাগের মাত্রই ১ ভাগ খরচ হয় এবং মাত্রই তিনভাগের একভাগ সময় লাগে। ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার গবেষক ড. যাদবেন্দ্রাডেভ ঝালা জানিয়েছেন, বাঘ হলো গুপ্ত, নিশাচর প্রাণী। একটি নির্দিষ্ট এলাকাভেদে তাদের বিচরণস্থল তাই বাঘের সংখ্যা বের করা বেশ কঠিন কাজ। যতোক্ষণ বনে কতো সংখ্যক বাঘ আছে সেটি জানা না যাবে তাদের হ্রাস-বৃদ্ধির পরিসংখ্যানও ঠিকমতো জানা যাবে না বা সে অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণও সম্ভব হবে না।

গবেষকরা জানিয়েছেন, মাংশাসী প্রাণীদের মধ্যে বিলুপ্তি শঙ্কায় থাকা তালিকার শীর্ষেই রয়েছে বাঘ। সারা বিশ্বে বাঘের সংখ্যাও কমে ৩ হাজার ২০০ এর নীচে চলে এসেছে। এর মধ্যে অর্ধেকই আছে ভারত। ড. ঝালা জানিয়েছেন, বাঘের পায়ের ছাপ অনুসরণ করেই প্রতিটি আলাদা আলাদা বাঘের গণনা করা সম্ভব সেক্ষেত্রে ক্যামেরা পদ্ধতির তুলনায় এটি ব্যায় সাশ্রয়ী। সূত্রঃ বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/মিন্টু/এইচবি/নভেম্বর ২১/১০


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।