আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আলো আসলেও অন্ধকার কাটেনি ভোলায়

ফলে প্রবল লোডশেডিং ও কিছু গ্রাহককে অন্ধকারে রেখেই বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে এ দ্বীপ জেলায়।
গ্যাসভিত্তিক ৩৪.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের বিপর্যয়ের কারণেই ভোলা শনিবার রাত থেকে আলোহীন ছিল।
দায়িত্বে অবহেলার কারণে ভোলায় বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে থাকা ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজিপাডিকো) প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলীকে বরখাস্ত করা হয়।
পরে তেঁতুলিয়া নদীর তলদেশ দিয়ে সাব মেরিন ক্যাবল স্থাপনের পর জাতীয় গ্রিড থেকে মঙ্গলবার রাত পৌনে ১১টায় ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।
বুধবার সকালে ৭৮ হাজার গ্রাহকের মোট ২৬ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে দেয়া হয় সাড়ে সাত মেগাওয়াট।


বুধবার যোগদানকারী ওজিপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী জি এম মাহমুদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, ভোলায় ওজোপডিকার গ্রাহক ১৭ হাজার। তাদের বিদ্যুতের চাহিদা ১০ মেগাওয়াট। অপরদিকে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক ৬১ হাজার, তাদের চাহিদা ১৬ মেগাওয়াট ।
“বরাদ্দ পাওয়া গেছে সাতে সাত মেগাওয়াট। এরমধ্যে তিন মেগাওয়াট দেয়া হয়েছে পল্লী বিদ্যুতকে।

ফলে লোডশেডিং করেই চালাতে হচ্ছে। ”
ভোলা পল্লী বিদ্যুত সমিতির মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী সোহরাব আলী বিশ্বাস জানান, মাত্র তিন মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিয়ে তো আর সবাইকে সংযোগ দেয়া যাবে না। ফলে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়নি।
এদিকে গ্রাহকরা জানান তারা যে বিদ্যুৎ পেয়েছেন তার ভোল্টেজ একেবারেই কম। তা দিয়ে মর্টারও চালানো যাচ্ছে না।


ভোলা পৌরসভার পানি সরবরাহ শাখার প্রধান তারেক আহমদ জানান, ভোল্টেজ কম থাকায় অটোস্টেবোলাইজার ব্যবহার করেও পানি উত্তোলন করতে কষ্ট হয়েছে।
শহরের মুসলিম পাড়ার বাসিন্দা অধ্যাপিকা দিলরূবা জেসমিন জানান, ভোল্টেজ কম থাকায় তার বাড়ির পানি উঠানোর মর্টার পুড়ে গেছে।
রেন্টাল পাওয়ার প্লান্টের ব্যবস্থাপক হাফিজুর রহমান জানান, বিদুৎকেন্দ্র মেরামতের জন্য ভারত থেকে যে তিনজন প্রকৌশলীর আসার কথা ছিল তারা বৃহস্পতিবার আসতে পারবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

সোর্স: http://bangla.bdnews24.com

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।