আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

শেষ সময়ে গন্তব্যস্হল সদরঘাট



ঢাকায় জানি রাস্তায় এখন ভিড় কম। তাই বের হতে ভয় নেই। দুশ্চিন্তাও নেই। গেলাম বংগবাজার। জ্যামছাড়া পথ।

ওখান থেকে রিক্সায় সদরঘাট। মাঝে মাঝে টমটম। ঘোড়ার পায়ের টকটক শব্দ তুলে ছুটে চলার ছন্দময় আওয়াজ। যাবো কাপড়ের দোকানে। এখানে রিক্সাই রিক্সা।

রিক্সার জ্যাম। রাস্তা সরু। একের পেছনে এক রিক্সা। দাঁড়িয়ে অপেক্ষা। হেঁটেই আগে যাওয়া যায়।

তারপরও দূরের পথ। তাই আর সবার মতো অপেক্ষা। আর এদিক, ওদিক দেখা। দু'একজন রিক্সার পাদানি থেকেই দাঁড়িয়ে উঁকিঝুঁকি মেরে বুঝতে চেষ্টা করছে জ্যাম কতদূরে, ছুটতে কত সময় লাগতে পারে। তবে গতি কিন্তু একই দিকে সে হলো সদরঘাট।

আমি ডানদিকে মোড় নিয়ে রিক্সা দাঁড়ানোতে নেমে গেলাম। রিক্সা সামনে আর এগুনো নিষেধ। বাকী স ব ঘাট অভিমুখে.......। ফেরার পথে চকবাজারের ইফতারী কিছু নিলাম। ইফতার শেষে মীরপুর থেকে ফিরছি।

গলি থেকে বের হয়েছি রিক্সায়। পথে তিন কাজ সারলাম। রিক্সাওয়ালার মুখখিঁচুনী শুনলাম ৪বার। বললাম, ভাড়া যা লাগে দেব, তাহলে আপত্তি কেন! পাশদিয়ে যাচ্ছি, আপন খালাতো বোনের বাসা। একসাথে এসএসসি পড়েছি।

না দেখে যাওয়া যায়! বিশেষ করে তাঁর নাতি-নাতনী আমায় খুব দাদু- দাদু করে। মোবাইলে ফ্লেক্সি করলাম, রূপার গহনার দোকান দেখে দাম শুনলাম। একজন কিছু বানাতে চায় এসব। বড়রাস্তায় রিক্সা থামতেই অনেক যাত্রী এসে রিক্সা ঘিরে ধরলো। আমি সিএনজি খূঁজতে লাগলাম।

কোথাও তেমন নেই। ২/৩টে আছে। রাজী হলো না। তারা আরো দূরের বেশী ভাড়ার যাত্রী চায়। অগত্যা বাস।

বেশ খালি। পথে পথে যাত্রী যা উঠলো বেশীর ভাগের লক্ষ্য সদরঘাট। ২৫টাকা ভাড়া। হ্যাঁ, ৫টাকা করে কন্ডাকটর বাড়তি ঈদ বোনাস নিচ্ছে। তর্ক হলেও।

হাতে ব্যাগ, বাক্স- গন্তব্যস্হল সদরঘাট। সামনে ঈদ। বাড়ী যে যেতেই হবে। গান মনে এলো- 'বাবা চিঠি লিখেছে, লাল জামা কিনেছে। চাচা পাবে পান্জাবী, মা পাবে শাড়ি, বাবা বাড়ী আসবে খুব তাড়াতাড়ি'।


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।