আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সবচেয়ে দ্রুতগতির প্রাণী চিতাবাঘ প্রায় ১০ হাজার বছর আগে বরফযুগে একবার বিলুপ্ত হতে বসেছিল। তবে তখন রক্ষা পেলেও এবার সত্যি সত্যি এই প্রজাতির বাঘ বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কয়েক দশক ধরে চলা মানুষের নানা কর্মকাণ্ডের কারণে ২০৩০ সালের মধ্যে বন্য চিতা বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বিশ্বজুড়ে চিতাবাঘের সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ। আর এদের বিচরণস্থল ছিল আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়া মহাদেশের কিছু দেশ। কিন্তু বর্তমানে বন্য চিতার সংখ্যা মাত্র ১০ হাজার। আর এদের বিচরণস্থল আফ্রিকা ও ইরানের কিছু অঞ্চল। আফ্রিকার চিতাবাঘের ৯০ শতাংশ মানববসতির কাছেই।
বন্য প্রাণী সংরক্ষণসংক্রান্ত সংস্থা প্যানথেরার মতে, আফ্রিকার চিতাবাঘের প্রকৃত বিচরণক্ষেত্র থেকে প্রায় ৭৭ শতাংশ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। চিতা সংরক্ষণে বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ১৭ বছর পর এই প্রাণীর অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যাবে। নামিবিয়ার চিতা কনভেনশন সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লরি মার্কার বলেন, অভয়ারণ্যে চিতার টিকে থাকা কঠিন। কারণ এতে আরও বড় প্রাণীর (সিংহ ও হায়েনা) সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকতে হয় চিতাকে। এরা চিতার খাবার ছিনিয়ে নিতে পারে, এমনকি চিতাকে হত্যাও করতে পারে।
তবে চিতা রক্ষায় দক্ষিণ আফ্রিকার বড় বড় খামারের মালিক চিতা রক্ষায় ভূমিকা রাখছেন। জোহানেসবার্গের আন ভ্যান ডিক চিতা সেন্টার ৮০০টি নতুন বাচ্চা জন্ম দিয়েছে। তবে এরা বন্য পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারবে না বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, বন্য পরিবেশের বদলে চার দেয়ালের অভয়ারণ্যে চিতাবাঘ কীভাবে অস্তিত্ব রক্ষা করে। এএফপি।

সোর্স: http://www.prothom-alo.com     দেখা হয়েছে ১৭ বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।