আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

১০ দিনেও শুরু হয়নি লঞ্চ চলাচল প্রতিনিয়ত বাড়ছে ভোগান্তি

দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের ঢাকার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের অন্যতম রুট কাওড়াকান্দি-মাওয়া। এ রুটে ১০ দিন ধরে লঞ্চ বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পড়েছে যাত্রীরা। জীবনের ঝুঁকি ও অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে তারা ট্রলার এবং স্পিডবোটে পদ্মা পার হচ্ছেন। ভিড় লক্ষ্য করা গেছে ফেরিতেও। যাত্রীদের চাপে ফেরিতে গাড়ি পারাপার করতে অসুবিধা হচ্ছে।

সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, ২২ আগস্ট কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে এমভি শাহ পরান নামের একটি লঞ্চ মাওয়া যায়। মাওয়া ঘাটের লঞ্চ মালিক-শ্রমিকরা শাহ পরান লঞ্চটি ভাঙচুর করে এটি আটকে রাখে। মারধর করা হয় লঞ্চের দুই কর্মচারীকেও। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বন্ধ হয়ে যায় কাওড়াকান্দি-মাওয়া নৌ-রুটের লঞ্চ চলাচল।

লঞ্চ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর চৌধুরী দুঃখ করে বলেন, একজন লঞ্চ মালিকের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

উচ্চ পর্যায়ে একাধিক মিটিং হয়েছে। ১০ দিন ধরে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রাখার অধিকার কারও নেই। আমরা আর দুদিন দেখব, এর পর হার্ডলাইনে যেতে বাধ্য হব। মাদারীপুর পুলিশ সুপার জানান, মাদারীপুর ও মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক এবং মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটি বিষয়টি দেখবেন।

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ফেরি চলাচল শুরু : মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, টানা সাড়ে ৯ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে গতকাল সকাল ৯টা দিকে ফেরি চলাচল শুরু হয়। শুক্রবার রাত ১২টা থেকে গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত ফেরি বন্ধ থাকায় উভয় ঘাটে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। এতে আটকেপড়া যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের ভোগান্তিও বৃদ্ধি পেয়েছে। দীর্ঘ সময় ফেরি পারাপার বন্ধ থাকায় উভয় ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় আটকে আছে সহস্রাধিক যানবাহন। ঘাট এলাকা পরিদর্শন শেষে বিআইডবি্লউটিসির চেয়ারম্যান বলেন, নাব্য সংকটই ফেরি সার্ভিসে অচলাবস্থার কারণ।

বিআইডাবি্লটিসির উপ-মহাব্যবস্থাপক (মেরিন) আব্দুল কুদ্দুছ হাওলাদার জানান, দৌলতদিয়া প্রান্তের অ্যাপ্রোচ চ্যানেলে বর্তমানে গভীরতা আছে সাত থেকে সাড়ে সাত ফুট। পূর্ণ লোড নিয়ে ফেরি চলাচলের জন্য গভীরতা প্রয়োজন আট ফুট।

 

 

সোর্স: http://www.bd-pratidin.com/

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।