আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ডে-নাইট ব্যাংকিং: বিড়ম্বনার শেষ কোথায়



বাংলাদেশে যে কয়েকটি বেসরকারী ব্যাংক অনলাইন ব্যাংকিং এ এগিয়ে আছে এবং এটিএম নেটওয়ার্ক বিস্তুত করেছে তার মধ্যে ডাচবাংলা ও ব্রাক ব্যাংক অন্যতম। ব্রাক ব্যাংকে একাউন্ট ওপেন করতে গেলে প্রথমে আপনাকে ১৫,০০০ টাকা জমা রাখতে হবে আর ডাচবাংলা ব্যাংকে মাত্র একহাজার টাকা। তাই অনেকেই ডাচবাংরা ব্যাংক এ একাউন্ট খুলছেন। আর এটিএম বুথ এর দিক থেকে ও এগিয়ে আছে ডাচবাংলা ব্যাংক, বাংলাদেশের প্রায় সকল জেলাতেই রয়েছে ডাচ বাংলা ব্যাংক নেটওয়ার্ক। কিন্তু সমস্যা যেখানে তা হলো, ডাচ বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথে টাকা তুলতে গেলে বিড়ম্বনা।

গত পরশু রাতে প্রথম একটি বুথে গিয়ে কার্ড পাঞ্চ করলাম, টাকা তুলতে চাইলাম, এমাউন্ট ও জানালাম আর তখন মেসেজ এল নেটওয়ার্ক সমস্যা একটু পর আবার চেষ্টা করুন, ১০ মিনিট পরে আবার ও চেষ্টা করে একই ফল পেলাম, রিক্সা নিয়ে গেলাম কাছাকাছি অন্য একটা বুথে। সেখানে কার্ড পাঞ্চ করতে মেসেজ এলো কাগজ নেই আপনি কন্টিনিউ করতে চান কিনা? চাইলাম কাগজ ছাড়াই লেনদেন করতে, ব্যস আমার মাথায় হাত, টাকার পরিমান লিখে জানাতেই মেসেজ দিল পর্যাপ্ত পরিমান টাকা নেই। বুঝলাম আজ কপালে খারাবী আছে, বাসায় ফিরে এলাম টাকা না নিয়ে। গতকাল আবার ও গেলাম প্রথম যে বুথটায় গিয়েছিলাম সেটাতে, নিরাপত্তা রক্ষী বিমর্ষভাবে জানাল আউট অব সার্ভিস, সেখান থেকে গেলাম পিলখানায় বিডিআর তিন নম্বর গেটের বুথে সেখানে গিয়ে আগের দিনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি: কাগজ নেই, তারপর ও সফল হলাম টাকা তুলতে। কিন্তু এর মধ্যে আমি বা অন্য কেউ আমার একাউন্টে কোন টাকা জমা দেয়নি।

আজ আবার টাকার প্রয়োজন হওয়াতে গেলাম কাছাকাছি বুথে সেটি আউট অব সার্ভিস এবং তারপর নিউমার্কেট বুথে গিয়ে টাকা তুলতে পারলাম। এখন প্রশ্ন হলো ডাচবাংলা ব্যাংক কি কুয়ান্টিটিতে বিশ্বাসী নাকি কুয়ালিটিতে বিশ্বাসী। সারা শহরে তাদের এটিএম বুথের অভাব নেই কিন্তু সেবার মান নিয়ে রয়েছে যথেস্ট আপত্তি এবং গ্রাহকেরা প্রায়শই হচ্ছেন ভোগান্তির শিকার।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।