আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বিডিআরঃ তোপের মুখে বেআইনী বিচার!



বিডিআরের সদর দফতর পিলখানায় বিদ্রোহী বিডিআর জওয়ানদের বিভ্রান্তিকর হত্যাযজ্ঞে দেশবাসি একরকম দিগভ্রান্ত। এসময় রাষ্ট্রের কর্ণধাররাও কমবেশী দিগভ্রান্ত মনে হচ্ছ। অবশ্য এ লক্ষণটি মোটেও শোভন নয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি এলজিআরডি মন্ত্রি ও আওয়ামীলীগের মুখপাত্র সৈয়দ আশরাফ বিকালে এক সাংবাদিক সম্মেলন ও পরে রাতে প্রধানমন্ত্রির সাথে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, বিডিআরের জওয়ানদের বিচার করতে প্রয়োজনে নতুন আইন করা হবে। একই দিনে চ্যানেল ওয়ান বিশেষ প্রতিবেদনে সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন প্রখ্যাত আইনজীবি (মিডিয়ার মাধ্যমে আলোচিত, আসলে আইনে অনভিজ্ঞ) আনিসুল হকের সাক্ষাতকার প্রচার করে।

এই প্রখ্যাত আইনজীবিও একই মত পোষন করেন। অবশ্য উভয়েই বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচারের তাগিদ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ রাইফেলস অর্ডারে সাধারণ অপরাধের বিচারের কথা উল্লেখ থাকলেও হত্যা, লুটতরাজের কোন শাস্তির বিধান নাই। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদের মর্ম অনুযায়ী নতুন কোন আইন প্রণয়ন করে পূর্বের কোন অপরাধের বিচার করা যাবে না (অবশ্য সেনা সমর্থিত ফখরুদ্দিন সরকার এমন আইনের প্রয়োগ দেখানোর অপচেষ্টা করেছেন)। নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার একই রকম বেআইনী প্রদক্ষেপ নিবেন কিনা তা একান্তই বিবেচনার বিষয়।

অসম্ভব বলে আমাদের দেশে কিছুই নাই। কারণ, আ্যাডভোকেট আনিসুল হক ও সৈয়দ আশরাফ (৩ বারের সাংসদ > আইন প্রণেতা) যখন এমন মত প্রকাশ করেন তখন সংবিধানের পাতা কোথায় চাপা পড়ে তার কি হিসাব থাকে? তারপরও তোপের মুখে বেআইনী বিচার করে বিশৃংখলা সৃষ্টি করা যাবে না।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.