আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ডাক দিয়ে যাই প্রতিরোধের সকল কন্ঠরে!!

কখনো চাই নাই দূরে থাকি...তবু দূরগুলো বারে বারে আসে...

যৌন নিপীড়ক শিক্ষক ছানোয়ার হোসেনের অপসারন আর যৌন নিপীড়ন বিরোধী নীতিমালা প্রণয়নের দাবীতে সামহোয়্যারের ব্লগারগো অংশগ্রহণ আমার জন্য প্রেরণাদায়ক হয়। অনেককাল পর আমার রক্ত উদ্বেলিত হয়, মনে পড়ে মিলিত মানুষের শক্তি অপরিসীম...ক্ষমতার যেকোন তখ্ত-তাউস কাঁপাইতে পারে, নির্যাতকের প্রাণে জাগাইতে পারে পতনের ভয়। বহুদিনের শিথিলতা আর স্থিরতায় প্রতিবাদী প্রকাশের তন্ত্রীতে মরিচা ধরছিলো যেনো আমার! নির্বিকারত্বে কোন সুখ নাই সেই বোধ পাইতে আমার প্রয়োজন পড়লো মানুষের মিলিত আহ্বান। আর তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিপীড়ন বিরোধী ছাত্র-ছাত্রীগো আন্দোলনে পা বাড়াইয়া দেওনের তাগীদ অনুভব করি...হৃৎপিন্ডে ধরাস-ধরাস, দীর্ঘদিনের অনভ্যস্ততার অসোয়াস্তি...তবুও প্রতিবাদী তরুণদলের সাথে একসাথে পথ হাটনটারেই শ্রেয় মনে করি। এই আন্দোলনের গতিপথ কি হইবো তার রূপরেখা নির্ধারণের জন্য নয়, এই আন্দোলনের বিরোধী পক্ষের সাথে লড়াইয়ে যুদ্ধ কৌশল কি হইবো তার নকশা নির্মাণের জন্য নয়...কেবল এই রাষ্ট্র আর সমাজের সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানের তাগীদেই প্রয়োজন অনুভব করি স্বোপার্জিত স্বাধীনতার চত্বরে গিয়া উপস্থিত হওনের...কোন জায়গায় দাঁড়াইলে কতোটা কার্য্যকরী হয় একটা আন্দোলন, এই প্রশ্ন বিভ্রান্তির বেড়াজালের মতোন ঠেকে। আন্দোলনের মানুষেরা জানে কেমনে অপশক্তিরে রুখতে হয়। আমি জানি ইংরেজী সাহিত্যের ছাত্র কিশোর সুস্থ্য হইয়া আবার যোগ দিবো লড়াইয়ের ময়দানে...আমি জানি দুর্বার সাহসী কিশোররে ভয় পায় সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ আর ছাত্রদলের গুন্ডারা। আমি জানি এই আন্দোলনের কাতারে অসংখ্য কিশোরেরা গজরায়। তারা প্রতিশোধ নিতে জানে! আগামীকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি নিকটবর্তী স্বোপার্জিত স্বাধীনতার চত্বরে আমি উপস্থিত হইতে চাই ঠিক তিনটায়...কন্ঠ মিলাইতে চাই সকল চিরচেনা বিপ্লবী কন্ঠের সাথে...

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।