আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

এই বাড়িতে কী হয়?

বাঙ্গালী জাতির গৌরবময় ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় সংস্কৃতির জন্য অপমানজনক কোনকিছু এই ব্লগে লেখা যাবে না।

চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পরও সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন ভাগ্নে। সরকারি গাড়ি, টেলিফোন ও বিলাসবহুল বাসভবন তার দখলে রয়েছে। বাবা নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত লে. কমান্ডার সাইফুল ইসলাম ওরফে ডিউক, মা ব্রুনেই প্রবাসী বিউটি বেগমের পুত্র। 2001 সালে জোট সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর ভাগ্নে একানত সচিব-2 পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান।

সে সময় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ভিআইপি এলাকার গুলশানে গণপূর্ত অধিদফতরের প্রাসাদোপম বাড়িটি বরাদ্দ নেন। 15 কাঠার ওপর নির্মিত ওই বাড়িতে রয়েছে 10টি বড় আকারের কামরা। সামনে-পেছনে আম-কাঁঠালের গাছ, চারপাশে ফুলের বাগান ও লন। বাহারি লতাগুল্ক্ম দিয়ে ঘেরা চারপাশের প্রাচীর। মূল ফটকে বাংলা-ইংরেজিতে ছোট্ট করে লেখা রয়েছে হোল্ডিং নম্বর : সিইএস (এ 51), 92 গুলশান এভিনিউ, ঢাকা।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, মনত্রিপর্যায়ের ব্যক্তিরা এ মানের বাড়ি বরাদ্দ পেতে পারেন। একানত সচিব পদটি যুগ্নসচিব পদমর্যাদার। কাজেই নিয়ম অনুযায়ী তিনি বরাদ্দ পেতে পারেন না। কিন্তু ভাগ্নেহওয়ার কারণেই তিনি বাড়িটি বরাদ্দ পেয়েছিলেন। তখন কেউ প্রতিবাদ করেনি।

জানা গেছে, 2004 সালে বাড়িটি বরাদ্দ নেওয়ার পর সরকারি অর্থে বাড়িটি পছন্দমতো গোছগাছ করেন। স্ট্থাপত্যবিদ মোঃ মাসুদকে দিয়ে নকশা প্রণয়ন করান। 6টি শীতাতপ যন্প স্ট্থাপন করা হয়। সাজসজ্জা বাবদ বিল করেন 10 লাখ টাকা। তিনি সাইফুল ইসলাম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে।


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।