আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

এক নাটকে তিন শিল্পীর ১২ গান

এক নাটকে তিন অভিনয়শিল্পী ১২টি গান গেয়েছেন। সবগুলো গানই মৌলিক। গানগুলো গেয়েছেন ফজলুর রহমান বাবু, তিশা এবং শ্যামল। সুর করেছেন ফজলুর রহমান বাবু এবং দিপু বাউল। আর গানগুলো ব্যবহৃত হবে 'যাত্রার যাত্রা' শিরোনামের নাটকে।

নাটকটির পাশাপাশি গানগুলোও লিখেছেন তুষার আব্দুল্লাহ। পরিচালনা করেছেন তুহিন হোসেন।

'যাত্রার যাত্রা' নাটকে সবচেয়ে বেশি গান গেয়েছেন ফজলুর রহমান বাবু। তার গাওয়া ৬টি গান হচ্ছে_ জল গড়াইয়া যায়, হাটে-ঘাটে ঘুরছো তুমি, ভাবনা দোলে দোলনায়, যে কাঠপেন্সিলে অাঁকছো তুমি, আমার একটা পিরিত ছিল এবং ও সখিরে। অভিনেত্রী তিশার গাওয়া ৩টি গান হচ্ছে- যাইবা নাকি যাইবা তুমি, আমার চোখ নাচে মন নাচে না এবং আমার ঢঙ ধইরাছে আমড়া গাছে।

আর শ্যামলের গাওয়া ৩টি গান হচ্ছে- আমি আর আমার মধ্যে থাকতে চাই না রে, বন্ধুর পিরিত উছলাইয়া পড়ছে এবং মুন্সি বাড়ির মাইয়া কমলা।

'যাত্রার যাত্রা' নাটকের গল্প গ্রামীণ পটভূমিতে। এলাকার যুবক শ্যামল উপলব্ধি করে দীর্ঘদিন তাদের এলাকায় যাত্রা হয় না। সে একটি যাত্রা পালার আয়োজন করে। আর তিশা গ্রামের মেয়ে।

শেষে যাত্রাপালায় অভিনয় করে। আর ফজলুর রহমান বাবু আধ্যাত্দিক মানুষ।

নাটক প্রসঙ্গে নির্মাতা বলেন, 'তুমি ব্যতিক্রমী একটা নাটক এটি। তুষার আব্দুল্লাহ ভালো লিখেছেন। এ নাটকের প্রাণ ১২টি গান।

আমি আমার নাটকের অভিনয়শিল্পীদের কাছে কৃতজ্ঞ, তারা গানগুলো গাইতে রাজি হয়েছেন। অসম্ভব সুন্দর হয়েছে গানগুলো। ' গান গাওয়া প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বাবু বলেন, 'নাটকের প্রয়োজনেই গেয়েছি, সুর করেছি। আমি অভিনয়ের পাশাপাশি গাইতেও ভালোবাসি। গানগুলো গেয়ে আনন্দ পেয়েছি।

' তিশা বলেন, 'আমি একসময় গাইতাম। অভিনয়ের চাপে গানের সঙ্গে সম্পর্ক ফিকে হয়ে গিয়েছে। কিন্তু অনেকদিন পর গান গাইতে পেরে খুব উপভোগ করেছি। ' শ্যামল বলেন, 'থিয়েটারে কাজ করার কল্যাণে গানও শিখেছি। নাটকে গাওয়ার সুযোগ পেয়ে ভালো লাগছে।

'

 

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।