আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

অভিনেত্রীদের আত্মহত্যা চলছেই; এবার আত্মহত্যা করলো বলিউড অভিনেত্রী জিয়া খান

বলিউড অভিনেত্রী জিয়া খান আর নেই। ২৫ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী সোমবার রাতে মুম্বাইয়ের জুহু বিচে তার নিজ বাসভবনে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ মুম্বাইয়ের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে এনডিটিভির এক খবরে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, জিয়া খানের মা রাত ১১টার দিকে তার মরদেহ প্রথম দেখতে পান। আত্মহত্যার কারণ হিসাবে তিনি কোনোকিছু লিখে যাননি।

মৃত্যুর আগে জিয়ার সঙ্গে শেষ কে সাক্ষাৎ করেছে তা জানতে পুলিশ তার বাড়ির লোকজন এবং প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। জিয়ার প্রকৃত নাম নাফিসা খান। রামগোপাল ভার্মার ‘নিঃশব্দ’ চলচ্চিত্রের মধ্যদিয়ে জিয়া খানের ভারতীয় চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। চলচ্চিত্রটিতে তিনি তার সবচেয়ে প্রিয়বান্ধবীর বাবার সঙ্গে এক অসমবয়সী প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ওই চরিত্রে অভিনয় করেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন।

২০০৭ সালের মার্চে ওই চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। মুক্তি পাওয়ার পরপরই চলচ্চিত্রটি নিয়ে ভারতব্যাপী মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কিন্তু এতে অনবদ্য অভিনয়ের সুবাদে জিয়া নজর কাড়তে সক্ষম হন এবং ফিল্মফেয়ারে শ্রেষ্ঠ নবাগতা হিসেবে মনোনয়ন পান। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৮ সালে মুক্তি পাওয়া আমির খান ও আসিন অভিনীত এবং এআর মুরুগাদস পরিচালিত ‘গজনি’ চলচ্চিত্রে একটি উল্লেখযোগ্য চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান। ২০১০ সালে তিনি সাজিদ খানের ‘হাউজফুল’ এ অক্ষয় কুমারের বিপরীতে অভিনয় করেন।

এটি তার সর্বশেষ চলচ্চিত্র। ইউটিভি মোশন পিকচার্স-এর সঙ্গে দুটি এবং গজনির প্রযোজক মাধু মন্টেনার সঙ্গে তিনটি চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন জিয়া। তার মৃত্যুতে টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহকর্মীরা শোক প্রকাশ করেছেন। প্রথম প্রতিক্রিয়া হিসাবে তার প্রথম চলচ্চিত্রের সহঅভিনেতা অমিতাভ লিখেছেন, ‘হোয়াট…!!! জিয়া খান??? হোয়াট হ্যাজ হ্যাপেন্ড? ইজ দিস কারেক্ট? আনবিলিঅ্যাবল!!! বিপাসা বসু যা লিখেছেন তা হচ্ছে, ‘শান্তিতে ঘুমাও জিয়া খান! ঈশ্বর তার আত্মার সহায় হোন!’ ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।