somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হয়তো...

১১ ই মার্চ, ২০১১ ভোর ৫:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এখন ভোর ৪.৪৫,
আমি ল্যাপিটা নিয়ে বসে আছি ড্রয়িং রুমে, পাশেই বারান্দা৷ অনেক দুর থেকে যান বাহনের যন্ত্রিক শব্দ গুলো জানিয়ে দিচ্ছে কিছুক্ষণ পর সূর্য উঠবে শুরু হবে একটা নতুন দিন৷ আমি অপ্রাণ চেষ্টা করছি কিছু একটা লিখার৷ মানুষ হিসেবে আমি খুবই অলস৷ সারা দিন সারা রাত নেটে বসে থাকলেও লিখার পরিমাণ এত কম যা লজ্জা জনক৷ কিন্তু লিখা আমায় সব সময় টানে৷ কতো যে লিখতে চাই৷ কিন্তু শুরুটাই করা হয় না৷ আসলে শুরু করাটাই কঠিন৷ এটা শুধু লিখার ক্ষেত্রে না , সম্ভবত সব ক্ষেত্রেই৷

আশে পাশে দুই একটা পাখির শব্দ শুনতে পাচ্ছি, পাখি বলতে কাক এর কা কা ই শুনতে পাচ্ছি... হয়তো সাথে আরও কিছু শব্দ মিশে আছে.... কিন্তু কা কা শব্দে সব মিলিয়ে গেছে... ঐ তো ওতেওটা ট্রেন এর হর্ন না? ঠিক ঠিক আহা কত দিন ট্রেনে উঠা হয় না৷ ট্রেনের শব্দ ট্রেনের ওয়েটিং রুম এগুলো কেন যেন আমাকে অনেক টানে৷ ট্রেন এর হর্ন শোনা যাচ্ছে ৷ কোথায় যাচ্ছে ট্রেন টা? আচ্ছা কেমন হয় যদি একদিন কোনও প্ল্যানিং ছাড়া ট্রেনে উঠে যাওয়া যায়? ট্রেন যেখানে নিয়ে যাবে সেখানেই যাব, হঠাৎ কোনো একটা স্টেশনে নেমে যাব হয় তো তখন সূর্যের আলো উঠে যাবে... হয়তো বা তখন সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়ে যাবে... ট্রেন থেকে নেমে কি করব? সম্ভবত অনেক খুধা লাগবে.. কাছে পিঠেই হয়তো একটা হোটেল পেয়ে যাব, গপাগপ খেয়ে নিব, এর পর কি? চলে আসব? ফিরতি ট্রেনে? না! তা কি করে হয়! আজ এত তারা তারি ফিরব না ৷ আজ এত তারা তারি ফেরা যাবে না ৷

পাড়ার কোনো একটা চা এর দোকানে অনেক ভিড় জমেছে! আচ্ছা এত ভিড় কেন? সামনে এগিয়ে যেয়ে দেখব বাংলাদেশের খেলা শুরু হয়ে গেছে... সারা টি দিন পার করে হয়তো রাত গড়াবে খেলা শেষ হবে না হয়তো ১১.৩০ এর দিকে খেলা শেষ হয়ে যাবে৷ হয়তো সারা দেশ আনন্দে উল্লাসে ফেটে পড়বে, না না... হয়তো না আজ অবশ্যই সারাদেশ আনন্দ উল্লাসে ফেটে পড়বে... আবার একটা বিজয় পাব আজ আমরা... তার পর ঐ অচেনা মানুষ গুলোর সাথেই হয়তো আমি আমার অনন্দ ভাগা ভাগি করে নিব৷ ঐ অচেনা স্থানে অচেনা মানুষ গুলোর সাথে কাটা সুন্দর সময় গুলোকে নিজের সাথে নিয়ে আবার রাতের ট্রেনে উঠে যাব ফিরে আসব ঐ চির চেনা নগরীতে...

বেচে থাকবে শুধু স্মৃতি গুলো... যেখানে ক্রিকেট নামের একটা খেলা, না এটা শুধু খেলা না, ক্রিকেট নামার শুধু খেলা ছাড়াও অরো অনেক কিছু যা আমাকে ঐ অপরিচিত স্থানে ঐ অপরিচিত মানুষ গুলোর সাথে একই সূত্রে গেঁথে দিয়ে ছিল , বাংলাদেশের চার ছক্কায় প্রতিটি রানে আমরা একই সাথে গর্জে উঠছিলাম তখন ওরা ভয় পেয়েছিল৷ আমাদের গর্জনে ওরা ঘাবড়ে গিয়েছিল ৷ কারন এই বাংলাদেশের ১৬ কোটি প্রাণের একটিই চাওয়া ছিল ৷

আমি নিশ্চিত ঐ দিনটা ১৬ কোটি প্রাণ মনে রাখবে৷ তাই এই ১৬ কোটি প্রাণের জন্য আরেকবার জ্বলে ওঠ তোমরা বহু ভেদাভেদ আর হতাশার মাঝে উজ্জ্বল আলো হয়ে জ্বলে ওঠো ৷ কারন জ্বলে ওঠা টা খুবই দরকার৷
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাইলট ফিস না কী পয়জনাস শ্রিম্প?

লিখেছেন সায়েমুজজ্জামান, ১২ ই মে, ২০২৪ সকাল ৭:৪০

ছবি সূত্র: গুগল

বড় এবং শক্তিশালী প্রতিবেশী রাষ্ট্রের পাশে ছোট ও দূর্বল প্রতিবেশী রাষ্ট্র কী আচরণ করবে ? এ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক অধিক্ষেত্রে দুইটা তত্ত্ব আছে৷৷ ছোট প্রতিবেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার মায়ের চৌহদ্দি

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ১২ ই মে, ২০২৪ দুপুর ১:৩৫



আমার মা ভীষণ রকমের বকবকিয়ে ছিলেন। কারণে-অকারণে অনেক কথা বলতেন। যেন মন খুলে কথা বলতে পারলেই তিনি প্রাণে বাঁচতেন। অবশ্য কথা বলার জন্য যুতসই কারণও ছিল ঢের। কে খায়নি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছেলেবেলার অকৃত্রিম বন্ধু

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ১২ ই মে, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:০৯

খুব ছোটবেলার এক বন্ধুর গল্প বলি আজ। শৈশবে তার সাথে আছে দুর্দান্ত সব স্মৃতি। বন্ধু খুবই ডানপিটে ধরনের ছিল। মফস্বল শহরে থাকতো। বাবার চাকুরির সুবাদে সেই শহরে ছিলাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের দেশ ও জাতি সম্পর্কে আমাদের ১ জন ব্যুরোক্রেটের ধারণা!

লিখেছেন সোনাগাজী, ১২ ই মে, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:১৭



নীচে, আমাদের দেশ ও জাতি সম্পর্কে আমাদের ১ জন ব্যুরোক্রেটের ধারণাকে ( পেশগত দক্ষতা ও আভিজ্ঞতার সারমর্ম ) আমি হুবহু তুলে দিচ্ছি। পড়ে ইহার উপর মন্তব্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

জমিদার বাড়ি দর্শন : ০০৮ : পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১২ ই মে, ২০২৪ রাত ১০:২৪


পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি

বিশেষ ঘোষণা : এই পোস্টে ৪৪টি ছবি সংযুক্ত হয়েছে যার অল্প কিছু ছবি আমার বন্ধু ইশ্রাফীল তুলেছে, বাকিগুলি আমার তোলা। ৪৪টি ছবির সাইজ ছোট করে ১৮ মেগাবাইটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×