somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ট্যালেন্ট হান্ট বাংলাদেশ - ২০৫০

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

স্টেজে স্পটলাইট........রাগভিত্তিক মিউজিক বাজছে ব্যাকগ্রাউন্ডে। একজন মধ্যবয়সী মহিলা হাতে একটি ভিজা ন্যাকড়া সহকারে মন দিয়ে ফ্লোর মুছছেন, একটু পরপর বালতির পানিতে ন্যাকড়া ভিজিয়ে নিতেও ভুলছেন না। পড়নে ছিঁড়া শাড়ি।

হঠাৎই মিউজিক থেমে যায়। তুমুল করতালি। স্টেজের সব আলো জ্বলে ওঠে। মধ্যবয়সী সেই মহিলা উঠে দাড়ান। উপস্থাপিকা এগিয়ে আসতে থাকেন মঞ্চের দিকে।

উপস্থাপিকা: অসাধারণ! অসাধারণ! রহিমার মা। সিম্পলি ব্রিলিয়ান্ট। আপনার ঘরমোছা দেখে শুধু আমারই নয় আশা করি বাড়ির দর্শকদেরও ঘাম ঝড়ে গিয়েছে। দেখা যাক আমাদের মাননীয় বিচfরকদের আপনার ঘরমোছা কেমন লেগেছে। প্রথমেই শুরু করছি বিশিষ্ট কাজের লোক আব্দুলকে দিয়ে।

আব্দুল: কি আর বলবো রহিমার মা। তোমার ঘরমোছা দেখে আমার মনে হচ্ছিলো আমি মঞ্চে নয়, আমি গুলশানের কোন বাড়ির ড্রইংরুমে বসে আছি। শুধু এটুকুই বলবো তোমার ঘরমোছা শুধু আমার হৃদয় নয় সর্বাঙ্গ ছুঁয়ে গিয়েছে। আমি দর্শকদের বলবো রহিমার মা মন থেকে ঘর মোছে, আপনারে ওনাকে অবশ্যই SMS করবেন।

উপস্থাপিকা:
যাচ্ছি শ্রদ্ধেয় হালিমার মা'র কাছে।

হালিমার মা: অসাধারণ রহিমার মা। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে তোমার ন্যাকড়া থেকে বাড়তি পানি ঝাড়ার ভঙ্গিটা। সম্পূর্ণ ইউনিক। টেন-অন-টেন।

উপস্থাপিকা: এবং সবশেষে আসছি আমাদের সবার প্রিয় কুদ্দুসের আব্বার কাছে।

কুদ্দু্সের আব্বা: (দাঁড়িয়ে) রহিমার মা আমি কিছু বলবো না। এদিকে এসো।

(রহিমার মা কাছে গেলে জড়িয়ে ধরবে)

তোমার ভবিষ্যত উজ্জ্বল। তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ

রহিমার মা: আমার ঘরমোছা যদি আপনাদের ভালো লাগে তবে SMS করুন R-A-H-I-M-A এবং পাঠিয়ে দিন 6969 নম্বরে।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:২৮
২১টি মন্তব্য ২১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কেউ কি আমার বন্ধু শাহেদের ঠিকানা জানেন?

লিখেছেন জিএম হারুন -অর -রশিদ, ১৬ ই মে, ২০২৪ রাত ৯:৩৪



কেউ কি আমার বন্ধু শাহেদের ঠিকানা জানেন?
আমার খুবই জরুরি তার ঠিকানাটা জানা,
আমি অনেক চেষ্টা করেও ওর ঠিকানা জোগাড় করতে পারছিনা।

আমি অনেক দিন যাবত ওকে খুঁজে বেড়াচ্ছি,
এই ধরুণ, বিশ-একুশ বছর।
আশ্চর্য্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই হোটেল এর নাম বাংলা রেস্তেরা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১৬ ই মে, ২০২৪ রাত ৯:৩৭



অনেক দিন পর আমি আজ এই হোটেলে নাস্তা করেছি। খুব তৃপ্তি করে নাস্তা করেছি। এই হোটেল এর নাম বাংলা রেস্তেরা। ঠিকনা: ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডম ভবেরচর, গজারিয়া, মন্সীগঞ্জ। দুইটি তুন্দুল রুটি আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ব্লগার ভাবনা:কথায় কথায় বয়কট এর ডাক দেয়া পিনাকীদের আইডি/পেইজ/চ্যানেল বাংলাদেশে হাইড করা উচিত কি? ব্লগাররা কি ভাবছেন?

লিখেছেন লেখার খাতা, ১৭ ই মে, ২০২৪ রাত ১২:১৩



অপূর্ব একজন চমৎকার অভিনেতা। ছোট পর্দার এই জনপ্রিয় মুখকে চেনেনা এমন কেউ নেই। সাধারণত অভিনেতা অভিনেত্রীদের রুজিরোজগার এর একটি মাধ্যম হইল বিজ্ঞাপনে মডেল হওয়া। বাংলাদেশের কোন তারকা যদি বিদেশী... ...বাকিটুকু পড়ুন

জলদস্যুরা কি ফেরেশতা যে ফিরে এসে তাদের এত গুণগান গাওয়া হচ্ছে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ১৭ ই মে, ২০২৪ রাত ২:২৭


জলদস্যুরা নামাজি, তাই তারা মুক্তিপণের টাকা ফেরত দিয়েছে? শিরোনাম দেখে এমনটা মনে হতেই পারে। কিন্তু আসল খবর যে সেটা না, তা ভেতরেই লেখা আছে; যার লিংক নিচে দেওয়া হলো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু ডেকে নিয়ে যায়; অদৃষ্টের ইশারায়

লিখেছেন সায়েমুজজ্জামান, ১৭ ই মে, ২০২৪ সকাল ৮:৩৯

১৯৩৩ সালে প্রখ্যাত সাহিত্যিক উইলিয়াম সমারসেট মম বাগদাদের একটা গল্প লিখেছিলেন৷ গল্পের নাম দ্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট ইন সামারা বা সামারায় সাক্ষাৎ৷

চলুন গল্পটা শুনে আসি৷

বাগদাদে এক ব্যবসায়ী ছিলেন৷ তিনি তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×