somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসুন আরবি শিখি ১-৩

১১ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই সপ্তাহে আমরা ইসম اسم এর শব্দ শুনে তা নাসব نصب অথবা রাফ'আ رفع অথবা জার جر নাকি তা সনাক্ত করা শিখব ইনশাল্লাহ।
আসুন তিনটি শব্দ দেখা যাক ।
سَاعَدَ - সাহায্য করা
اَلْمُدَرّسُوْنَ(আল মুদাররিসুনা) - শিক্ষক।
اَلْمُدَرّسِيْنَ(আল মুদারদিসিনা) - শিক্ষক।
اَلطُّلأبَ (আত তুল্লাবা) - ছাত্র ।
اَلطُّلأبُ (আত তুল্লাবু) - ছাত্র ।

আসুন এবার এগুলো দিয়ে কিছু বাক্য গঠন করা যাক । আপনারা মনে মনে ভাববেন এর অর্থ কি।

اَلْمُدَرّسُوْنَ سَاعَدَ اَلطُّلأبَ (আল মুদাররিসুনা সা'আদা আত তুল্লাবা।)

اَلْمُدَرّسِيْنَ سَاعَدَ اَلطُّلأبُ (আল মুদাররিসিনা সা'আদা আত তুল্লাবু।)

এখন প্রথম বাক্যের অর্থ কি? "শিক্ষক ছাত্রকে সাহায্য করলেন"? তাহলে দ্বিতীয় বাক্যের অর্থ কি? এখানে অবশ্যই একজন অপরজনকে সাহায্য করেছেন, আমরা কিভাবে বুঝব কে কাকে সাহায্য করেছেন। সেই আলোচনায় আসছি ইনশাল্লাহ। তার আগে আরেকটা বাক্য দেখা যাক। "শিক্ষক ছাত্রকে সাহায্য করল" এখানে বলতে পারবেন رفع বা ক্রিয়াকারিকে ? ক্রিয়া কোনটি? আর نصب বা ক্রিয়ার অবস্থা কোনটি? এখানে শিক্ষক হল رفع , ছাত্র হল نصب আর সাহায্য করল হল ক্রিয়া অথবা فعل . এখন আমরা যদি এভাবে বলি ছাত্র শিক্ষককে সাহায্য করল তাহলে ছাত্র হবে رفع আর শিক্ষক হবে نصب । বাঙলা ভাষায় যেই শব্দটি আগে আসে তা হল ক্রিয়াকারী এবং যে শব্দটি পরে আসে তা হল ক্রিয়ার বিস্তারিত অবস্থা । আরবি ভাষায় এটা অন্যরকম। আরবি ভাষায় এটা নির্ভর করে শব্দ শেষে আওয়াজের উপর। যদি কোন শব্দ শেষের আওয়াজ হয় উ বা উন বা উনা যেমন:اَلطُّلأبُ (আত তুল্লাবু), বা اَلْمُدَرّسُوْنَ(আল মুদাররিসুনা) তখন তা শব্দে رفع হিসেবে ব্যবহার হয়। তাই প্রথম বাক্যে শিক্ষক ছাত্র কে সাহায্য করছে, আর দ্বিতীয় বাক্যে ছাত্র শিক্ষককে সাহায্য করছে।

এখন যদি কোন শব্দ শেষের আওয়াজ হয় আ বা আন হয় তাহলে তা হবে نصب নাসব
কোন শব্দের শেষে যদি আওয়াজ হয় উ বা উন তাহলে তা হবে رفع বা রাফ'আ।
আর কোন শব্দের শেষে যদি আওয়াজ হয় ই বা ইন তাহলে তা হবে جر বা জার।

তাহলে ছোট একটি পরীক্ষা হয়ে যাক

بسم الله الرحمن الرحيم

১। هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ
২। وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ خَاشِعَةٌ

এখানে দাগ দেওয়া শব্দগুলো কি কেউ বলতে পারেন? رفع , نصب নাকি جر ।

১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভণ্ড মুসলমান

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২০ শে মে, ২০২৪ দুপুর ১:২৬

ওরে মুসলিম ধর্ম তোমার টুপি পাঞ্জাবী মাথার মুকুট,
মনের ভেতর শয়তানি এক নিজের স্বার্থে চলে খুটখাট।
সবই যখন খোদার হুকুম শয়তানি করে কে?
খোদার উপর চাপিয়ে দিতেই খোদা কি-বলছে?

মানুষ ঠকিয়ে খোদার হুকুম শয়তানি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসবে তুমি কবে ?

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ২০ শে মে, ২০২৪ দুপুর ১:৪২



আজি আমার আঙিনায়
তোমার দেখা নাই,
কোথায় তোমায় পাই?
বিশ্ব বিবেকের কাছে
প্রশ্ন রেখে যাই।
তুমি থাকো যে দূরে
আমার স্পর্শের বাহিরে,
আমি থাকিগো অপেক্ষায়।
আসবে যে তুমি কবে ?
কবে হবেগো ঠাঁই আমার ?
... ...বাকিটুকু পড়ুন

(রম্য রচনা -৩০কিলো/ঘন্টা মোটরসাইকেলের গতি )

লিখেছেন আরেফিন৩৩৬, ২০ শে মে, ২০২৪ দুপুর ২:৫০



একজন খুব পরিশ্রম করে খাঁটি শুকনো সবজি( দুষ্টু লোকে যাকে গাঁ*জা বলে ডাকে) খেয়ে পড়াশোনা করে হঠাৎ করে বিসিএস হয়ে গেলো। যথারীতি কষ্ট করে সফলতার গল্প হলো। সবাই খুশি। ক্যাডারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোথাও ছিলো না কেউ ....

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ২০ শে মে, ২০২৪ রাত ১০:১৯




কখনো কোথাও ছিলো না কেউ
না ছিলো উত্তরে, না দক্ষিনে
শুধু তুমি নক্ষত্র হয়ে ছিলে উর্দ্ধাকাশে।

আকাশে আর কোন নক্ষত্র ছিলো না
খাল-বিল-পুকুরে আকাশের ছবি ছিলো না
বাতাসে কারো গন্ধ ছিলোনা
ছিলোনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

#প্রিয়তম কী লিখি তোমায়

লিখেছেন নীল মনি, ২১ শে মে, ২০২৪ সকাল ৭:৫১


আমাদের শহর ছিল।
সে শহর ঘিরে গড়ে উঠেছিল অলৌকিক সংসার।
তুমি রোজ তাঁকে যে গল্প শোনাতে সেখানে ভিড় জমাতো বেলা বোস, বনলতা কিংবা রোদ্দুর নামের সেই মেয়েটি!
সে কেবল অভিমানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×