somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

The Wow! Signal !!! মহাকাশের এক রহস্য, যার কিনারা করা যায়নি আজও !!! দ্বিতীয় পর্ব ।

১১ ই অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যারা গত পর্বের লেখাটা পড়েছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই ।

Click This Link
গত পর্বের লিংক





মুলত এই সিগনালটি আসে মহাকাশের constellation Sagittarius এলাকা থেকে, যার ফ্রেকোয়েন্সী নির্ণয় করা হয়, 1420.456 MHz । এখানে উল্লেখ্য বিষয় হল সিগনালটি মুলত দুটি ডিটেকটরের মাধ্যমে ধরা পড়ে । কিন্তু দ্বিতীয় ডিটেকটর মাত্র ৩ মিনিট পড়ে আর কিছুই খুজে পায় না । যার কারণ বিঙানীরা মনে করছেন, উৎস হয়তো তার স্হান পরিবর্তন করেছে, অথবা বন্ধ হয়ে গেছে, কিংবা পৃথিবীর ঘুর্ননের কারণে তাকে আর খুজে পাওয়া যায়নি । তাই পরবর্তিতে বিঙানীরা পুরো মাস জুড়ে সিগন্যালটি খুজে বের করার চেষ্টা করেন । এবং একসময় তারা সিগন্যালের কোন কুলকিনারা করতে না পেরে পুরো বছর জুড়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্হান হতে ডেপথ সার্চ করে, যা কিনা একসময় পুরো ২০ বছর মেয়াদি এক পরিকল্পনায় দাড়ায়, কিন্তু তথাপিও সেই রহস্যময় সিগন্যালটি পুরোপুরি রহস্যই থেকে যায় ।




বিশ্বের কিছু কিছু বিঙানীগণ এটাকে " নক্ষত্রমণ্ডলগত স্ফুলিঙ্গায়ন " বা interstellar scintillation বলে আখ্যায়িত করেছেন । মহাকাশের সবসময়ই কিছু না কিছু দুর্বল এবং ডিসটোরটেড সিগনাল আসে যার প্রতিটিরই ব্যখ্যা আছে, কোনটা ধুমকেতুর কারণে কোনটা হয়তো গ্রহানু বা ব্লাক হোলের আব হাওয়া গত চাপ বা তাপের কারণে কিন্তু Wow! signal এর মতো এতো নিখুত সিগন্যাল আর কোনদিনও পাওয়া যায়নি ।



এবার আসি বৈঙানিক ভাবে Wow! signal এর রহস্যের কিছু কারণ সম্পর্কে, Wow! signal এর ছবিতে আমরা দেখতে পেয়েছি যে এই রহস্যময় সিগন্যালটি ভারটিক্যালি 6EQUJ5 কোডটি নির্দেশ করে । যার পরবর্তিতে বিঙানীগণ সিগন্যালের তীক্ষনতা নিয়ে একটি সমীকরণ তৈরি করেন ।

6---> the range 6.0 - 6.999...
E --> the range 14.0 - 14.999...
Q --> the range 26.0 - 26.999...
U --> the range 30.0 - 30.999...
J --> the range 19.0 - 19.999...
5 --> the range 5.0 - 5.999...


যেখানে "U" এর মান 30.0 - 30.999 যা মহাকাশে এখন পর্যন্ত পাওয়া সবচেয়ে বেশি হাই ফ্রেকোয়েন্সির শব্দ । যা বর্তমানের আবিস্কৃত Arecibo radio এর মতো অত্যাধুনিক এন্টেনাও ধরতে পারে নাই ।

লেখাটা হয়তো একটি বেশি বিঙানভিত্তিক হয়ে গেছে, কিন্তু কিছু করার নেই কারণ মহাকাশের কোন কিছুর ব্যখ্যা দিতে গেলে এরকমই হয় । নিচে মহাকাশের যে এলাকা থেকে Wow! signal পাওয়া গেছে তার একটি ছবি দিলাম ।যেখানে লাল দাগ দুটিই সেই রহস্যময় উৎস ।




ভালো লাগলে জানাবেন ।

তথ্যসুত্রঃ উইকিপিডিয়া, ন্যাশনাল জিওগ্রাফী ও রেডিও ওবজারভেটরি থেকে সংগৃহিত ।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৮
৮টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কুরসি নাশিন

লিখেছেন সায়েমুজজ্জামান, ১৯ শে মে, ২০২৪ সকাল ১১:১৫


সুলতানি বা মোগল আমলে এদেশে মানুষকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছিল৷ আশরাফ ও আতরাফ৷ একমাত্র আশরাফরাই সুলতান বা মোগলদের সাথে উঠতে বসতে পারতেন৷ এই আশরাফ নির্ধারণ করা হতো উপাধি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন আর আদর্শ কতটুকু বাস্তবায়ন হচ্ছে

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৯ শে মে, ২০২৪ সকাল ১১:৩৭

তার বিশেষ কিছু উক্তিঃ

১)বঙ্গবন্ধু বলেছেন, সোনার মানুষ যদি পয়দা করতে পারি আমি দেখে না যেতে পারি, আমার এ দেশ সোনার বাংলা হবেই একদিন ইনশাল্লাহ।
২) স্বাধীনতা বৃথা হয়ে যাবে যদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃষ্ণচূড়া আড্ডার কথা

লিখেছেন নীলসাধু, ১৯ শে মে, ২০২৪ দুপুর ১:০২



গতকাল পূর্ব নির্ধারিত কৃষ্ণচূড়ায় আড্ডায় মিলিত হয়েছিলাম আমরা।
বছরের একটি দিন আমরা গ্রীষ্মের এই ফুলটির প্রতি ভালোবাসা জানিয়ে প্রকৃতির সাথে থাকি। শিশুদের নিয়ে গাছগাছালি দেখা, ফুল লতা পাতা চেনাসহ-... ...বাকিটুকু পড়ুন

সকাতরে ঐ কাঁদিছে সকলে

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ১৯ শে মে, ২০২৪ বিকাল ৩:২৯

সকাতরে ওই কাঁদিছে সকলে, শোনো শোনো পিতা।

কহো কানে কানে, শুনাও প্রাণে প্রাণে মঙ্গলবারতা।।

ক্ষুদ্র আশা নিয়ে রয়েছে বাঁচিয়ে, সদাই ভাবনা।

যা-কিছু পায় হারায়ে যায়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বসন্ত বিলাসিতা! ফুল বিলাসিতা! ঘ্রাণ বিলাসিতা!

লিখেছেন নাজনীন১, ১৯ শে মে, ২০২৪ বিকাল ৪:০৯


যদিও আমাদের দেশে বসন্ত এর বর্ণ হলুদ! হলুদ গাঁদা দেখেই পহেলা ফাল্গুন পালন করা হয়।

কিন্তু প্রকৃতিতে বসন্ত আসে আরো পরে! রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া এদের হাত ধরে রক্তিম বসন্ত এই বাংলার!

ঠান্ডার দেশগুলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×