my country creat me a ginipig (এই বিলটি পাশ করা সরকারের জন্য কোনভাবেই আত্মমর্যাদাকর হতে পারে না। কারণ এটি পাশ হলে পার্বত্যাঞ্চলে সরকারের সার্বভৌম কর্তৃত্ব বলতে কিছুই থাকবে না। )
আগামী অধিবেশনে বিল পাস
পাবর্ত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি আইন সংশোধনে ঐক্যমত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: অবশেষে পাবর্ত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইনের সংশোধন নিয়ে বিরোধ মিটেছে। পাবর্ত্য আঞ্চলিক পরিষদের মতামত নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে আইনটির সংশোধন চুড়ান্ত করতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে এটি পাস হবে।
এ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, “পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সংশোধন খসড়াটি চূড়ান্ত করতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে পাবর্ত্য আঞ্চলিক পরিষদ নেতারাও সম্মত হয়ে মতামত দিয়েছেন। ”
সোমবার পাবর্ত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পতি কমিশন আইনের সংশোধন নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
সভাশেষে পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ নেতাদের পক্ষে রাজা দেবাশীষ রায় সাংবাদিকদের বলেন, “সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে আহবায়ক করে গঠন করা চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির সুপারিশের আলোকে সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আমরা ঐক্যমত্যে পৌঁছেছি।
”
আইনমন্ত্রীর সভাপতিত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষযক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনটির সংশোধনী নিয়ে সভা হয়।
সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে আহবায়ক করে চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির সুপারিশের আলোকে আইনটির ৬(১) খ, গ, ৭-এর ৩ ও ৫ ধারায় সংশোধন আনার বিষয়টি নিয়ে সভায় চূড়ান্ত মতামত চাওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সভায় এসব ধারা সংশোধনে সব পক্ষের মতামত নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বিগত সময়ে চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির ৯টি সুপারিশে সকল পক্ষ মতামত দেয়। তবে বিরোধ সৃষ্টি হয় আইনটির ৬(১) খ, গ, ৭-এর ৩ ও ৫ ধারা নিয়ে।
সর্বশেষ সোমবার আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সংশোধনী খসড়াটি চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় ভূমিমন্ত্রী রেজাউল করিম হীরা, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গহর রিজভী, প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডকেভাকেট কামরুল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপঙ্কর তালুকদার, শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরা, রাজা দেবাশীষ রায়, সাচিং প্রু চৌধুরী, গৌতম কুমার চাকমা এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আইনমন্ত্রী বলেন, “পাবর্ত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইনের ৬ (১) (গ) ধারা বিলুপ্ত হবে। ৭ (৩) ও (৪) এবং ৭ (৫) ধারায় সংশোধন আনা হয়েছে। ”
বিলুপ্তযোগ্য ৬ (১) (গ) ধারায় যা আছে
“তবে শর্ত থাকে যে প্রযোজ্য আইন অধিগ্রহণকৃত ভূমি এবং রক্ষিত বনাঞ্চল, কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ এলাকা, বেতবুনিয়া ভূউপগ্রহ এলাকা, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শিল্প কারখানা ও সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নামে রেকর্ডকৃত ভূমির ক্ষেত্রে এই উপধারা প্রযোজ্য হাইবে না।
” এই ধারাটি বিলুপ্ত হবে।
কমিশন আইনের সংযুক্ত হবে
৬ (১) (খ) ধারায় “এযাবত এবং তারপরেও অবৈধভাবে কোনো ভূমি বেদখল হয়ে থাকলে কমিশন তা বিবেচনায় নিতে পারবে” অংশটুকু সংশোধন খসড়ায় যোগ হবে।
কমিশন আইনের ৭ (৩) সংশোধন
৭ (৩) ধারার সংশোধন করে চেয়ারম্যান ও তিন সমস্যের সমন্বয়ে কোরাম হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর আগে এই ধারায় চেয়ারম্যান ও দুই সদস্যের সমন্বয়ে কোরাম হত।
কমিশন আইনের ৭ (৫) সংশোধন
৭ (৫) ধারায় “চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত কমিশনের সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হবে” অংশটুকু সংশোধন করে করা হয়েছে “চেয়ারম্যানসহ সংখ্যাগরিষ্ট সদস্যদের গৃহীত সিদ্ধান্ত কমিশনের সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হবে”।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৪৭ ঘণ্টা, ৩০ জুলাই, ২০১২ ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।