সুন্নি মুসলিম, ছালেহ্ আজ ১০ই মুহাররাম। ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম একটি দিন। এই দিনটিকে নিয়ে অনেকেই অনেক কিছুর কথা বলছেন। বাংলাদেশ তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই কারবালা কে বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়। অধিকাংশ মসজিদে ইমাম সাহেবদের বক্তব্য শুনলে চোখ কপালে উঠে যায়।
মুহাররাম এলেই কারবালা নিয়ে ওয়াজ আর জিহাদী বয়ান । মুখরোচক কথাবার্তা আর কথার ফুলঝুরি দিয়ে শ্রোতাদের কখনো কাঁদানো আবার কখনো রাষ্ট্র ক্ষমতা কাছে নিয়ে আসা । এই হচ্ছে আমাদের ১০ ই মুহাররাম বা আশুরা। বর্তমান লেখাটি প্রকৃত সত্য সম্পর্কে কিছুটা অবগত হওয়ার চেষ্টা মাত্র।
আশুরা :
প্রথমে এ কথা স্মরণ রাখতে হবে আশুরা কারবালাকে কেন্দ্র করে হয়নি।
আশুরা বা ১০ই মুহাররামের তাৎপর্য সম্পর্কে কিছু আলোচনা প্রয়োজন । সহীহ হাদিস গবেষণা করে আমরা যা পাই তার সারসংক্ষেপ হচ্ছে এই মহানবী সা. হিজরত করে মদীনায় গিয়ে দেখতে পেলেন ইহুদীরা ১০ ই মুহাররাম রোযা রাখছে । কারণ জিজ্ঞেস করে জানা গেলো ওইদিন আল্লাহ হযরত মূসা আ. কে ফিরআউনের হাত থেকে নীল নদের মধ্যখান দিয়ে অলৌকিক রাস্তার মাধ্যমে মুক্তি দিয়েছিলেন। এজন্যই তারা কৃজ্ঞতা স্বরূপ রোযা রাখে। এ কথা শুনে হুযুর সা. মুসলমানদের রোযা রাখার আদেশ দেন এবং বলেন: " মুসা আ. আমার মতো একজন নবী ।
তাই মুসার কৃতজ্ঞতা স্বরূপ আমিই রোযা রাখার বেশী হক্বদার " । (বুখারি ও মুসলিম) হাদিসে এই হচ্ছে মুটামোটি আশুরা সম্পর্কে আলোচনা। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।