আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

শিল পাটায় গুতাগুতি। জনগণের দফারফা

তারুণ্যের শক্তিতে জাগুন এই দেশ। ছিনিয়ে আনুক নতুন সকাল কে বড়। বিচার বিভাগ না জাতীয় সংসদ। দুই পক্ষই দাবী করছে তারা নিজেরা বড়। বিচার বিভাগ মনে করে জাতীয় সংসদের সদস্যরা মূর্খ বা স্বল্পজ্ঞানসম্পন্ন।

জাতীয় সংসদের সদস্যরা মনে করে স্বাধীনতার নামে বিচার বিভাগ সরকারের উপর মাতবরী করছে। ' জাতীয় সংসদের বিরুদ্ধে কিছু বলা যায় না। বললে সংসদের অবমাননা হয়। এই তো সেদিন অধ্যাপক আব্দুল্লা আবু সায়ীদের উপর একচোট নিয়েছেন সংসদের সদস্যরা। আবার তারপর দিনই এক বিচারপতি জাতীয় সংসদের স্পিকারকে স্বল্পজ্ঞানসম্পন্ন বলেছেন।

এই বিতর্ক কে করে? অবশ্যই অপরিণতজ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিরাই করে। সাভারের এমপি বলেন---- আমিই এই এলাকার প্রধানমন্ত্রী। তাই তিন বছরেও কোনো মন্ত্রীকে তার এলাকায় দাওয়াত করেননি। তিনি বলেন তিনি শেখ হাসিনার চেয়ে বেশি ভোট পেয়ে জিতেছেন অতএব তিনি কেন অন্যকে দাম দেবেন। অন্যকে দাম না দিলে যে নিজের দামটাও থাকে না সেটি বোঝার মত জ্ঞান এমপি সাহেবের নাই।

বিচারপতিতেও অবস্থা তাই। থার্ড ক্লাসের টিকিট কেটে ফার্ষ্ট ক্লাসে বসতে না পেরে তিনি বিমানের বড়কর্তাদের আদালতে হেনস্থা করেন। সালাম না দেওয়ার জন্য ট্রাফিক পুলিশকে কান ধরে উঠবস করান। কি ভয়ানক সম্মান জ্ঞান!!!! জাতীয় সংসদের জনগণের সমস্যা নিয়ে আলোচনা হবে। তা নেই।

বরং পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে অন্যের ১৪ গুষ্টি উদ্ধার। বিচার ব্যবস্থা থমকে আছে। জনগন যথাসময়ে বিচার পাচ্ছে না। আর ওনারা অন্যকে অপমান করছেন, স্বতপ্রণোদিত হয়ে রুলিং দিচ্ছেন। ইত্যাদি।

আদালত এবং সংসদ উভয়ই চলে জনগণের টাকায়। কিন্তু উভয় পক্ষই নিজেদের মর্যাদা রক্ষার অপ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। জানিনা এই কথা বলার জন্য আবার সংসদ বা আদালত অবমাননার দায়ে দাড়াতে হয় কি না। কিন্তু ওনারা নিজেদের সম্মান রক্ষা করার প্রতিযোগিতায় থাকবেন এবং আমরা অভাবে পড়ে নিজের লেংটিটাও হারাবো তা তো হতে পারে না। পাঠক: আপনারা কি বলবেন??? ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।