আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আসল সৃষ্টিকর্তা !!! ধার্মিকদের পড়া নিষেধ!!! নাস্তিকদের সুস্বাগত........

মানুষ হবার প্রচেষ্টায় রফিক খুব ধার্মিক মানুষ। সারা জীবন শুধু নামাজ আর ধর্মের মাঝে দিন কাটিয়েছে। কখন কাহারও ক্ষতি করে নি। জামাত তাবলীগ ছাড়া অন্য কোথাও তাকে দেখে যায় নি। যথাসময়ে সে মারা গেল।

মৃত্যুর কিছু পরে, তিন জন প্রহরী আসল তাকে স্বর্গবাসী করে নিয়ে যাবার জন্য। তারা তাকে স্বর্গ সবচেয়ে নিচের ধাপে নিয়ে গেল ও তাকে বলল আমাদের ৬৮৭২ টা স্বর্গের মাঝে আপনা্র জন্য ৬৮৭২ নম্বর স্বর্গ আমাদের সৃষ্টিকর্তা বরাদ্দ করেছেন। রফিক সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল সুবানআল্লাহ, যা হোক নরকে তো যেতে হয় নি। প্রহরী বলল, আপনি নরকে যাবেন কিভাবে? নরক তো এখানে নেই। সবই স্বর্গ, আর আপনি তার সবচেয়ে নিচের স্বর্গ পেয়েছেন।

সৃষ্টিকর্তা নরক কেন বানাবেন আর তার সৃষ্টিকে কেনই বা কষ্ট দিবেন? কেউ কি তার সৃষ্টিকে কষ্ট দিতে পারে, আপনি কি পেরেছেন আপনার সন্তানকে কষ্ট দিতে? আর তার নিজের গড়া সৃষ্টিকে তিনি নিজে কিভাবে কষ্ট দিবেন। রফিক বলে উঠল, তাহলে আমকে কেন নিচের স্বর্গ দেয়া হল? আমি তো কখন অন্যায় করি নি, সারাজীবন নামাজ পরে কাটিয়ে দিয়েছি! প্রহরী হাসতে হাসতে বলে উঠল, আপনি আমাদের সৃষ্টিকর্তার কথা শুনেন নি। ভুল পথে গিয়েছেন। তাকে মানেন নি এবং ঘ্রিনা করেছেন। তার কথা মত নিজের বুদ্ধিকে কাজে লাগান নি, বরং তার কাজের প্রতিবাদ করেছেন।

একজন একজন নিম প্রহরী (প্রহরীদের প্রধানের একজন) কথায় তাকে সৃষ্টিকর্তা মেনেছেন। তাকে সেজদা করেছেন। রফিক, তাহলে তিনি (আসল সৃষ্টিকর্তা) আমাদের কাছে আসেন নি কেন? প্রহরী, তিনি আসার প্রয়জন মনে করেন নি। কারন তিনি প্রভুত্ব পছন্দ করেন না। সেজদা অনুরাগী তিনি না।

তিনি শুধু চেয়েছেন তার সৃষ্টি যেন জ্ঞানে বুদ্ধিতে বিকাশ পায়। নিজে নিজে নতুন কিছু সৃষ্টি করে, কোন গায়েবি আশা না থাকে। আর আপনি নিজে বুদ্ধিকে কখনো কাজে লাগান নি, শুধু ধর্ম নিয়ে বসেছিলেন। আর একজন নিম প্রহরী আপনার বুদ্ধি বিকাশ করতে দেয় নি, একটি জায়গায় বুদ্ধিটাকে আটকিয়ে রেখেছে। এর জন্য আপনি সবার নিচে।

আর মজার ব্যাপার হল যারা কোন ধরেনের সৃষ্টিকর্তাকে মানেই নি, ১ নম্বর স্বর্গে এই ধরনের মানুষই সবচেয়ে বেশি। কারন, বেশির ভাগ বিজ্ঞানী, লেখক, সমাজসেবীরা নাস্তিক ছিল। তাতে আমাদের সৃষ্টিকর্তার কোন সমস্যা নেই। কারন স্বর্গে এসে সবাই সৃষ্টিকর্তাকে দেখে, বুজতে পেরেছে সৃষ্টিকর্তা একজন ছিল। আগে থেকে জানতে হবে এমন কোন কারন নেই, উনি নিজেই টা চান নি।

আর একটা কথা সৃষ্টিকর্তা বলেছেন, স্বর্গে এসে কেউ যেন সেজদা যেন কেউ তাকে না দেয়, অতিরিক্ত অনুগতের কারনে সে ত্যাক্ত-বিরক্ত। আরও বলেছেন, সৃজনশীল কাজ, সৃষ্টি করে তাকে খুশি করতে অন্য কিছুতে নয়। আপনি নতুন কিছু সৃষ্টি করলেই উপড়ের স্বর্গে চলে যেতে পারবেন। রফিক; হুম বুজলাম, কিন্তু এত কিছু বললেন সৃষ্টিকর্তা কে তা তো বললেন না? প্রহরী এখন বুজেন নি? এই জন্যই তো আমদের সৃষ্টিকর্তা স্বয়ং শয়তান আপনাকে নিচের স্বর্গ প্রদান করেছেন। তিনি দুনিয়াতেও মানুষকে নতুন কিছু সৃষ্টি করা জন্য অনুপেরনা দিয়ে গেছেন।

কিন্তু আমাদের নিম প্রহরী নিজেকে সৃষ্টিকর্তা দাবি করে কিছু মানুষকে অলস করে রেখেছেন। রফিক, তাহরে তিনি নিম প্রহরীকে শাস্তি দিচ্ছেন না কেন? প্রহরী, নিজের সৃষ্টিকে তিনি কখনো শাস্তি দেন না। তিনি খুবই ভাল এবং সবাইকে ভালবাসেন। জাগ্রত্ব সত্তা আমি লেখক না, তাই লেখায় কোন ভুল হলে আমাকে ঠিক করার জন্য সাহায্য করিয়েন। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।