আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

End Call Notification Alert চালু করতে বিটিআরসির নির্দেশনা

টেলিকম নিউজ আর্কাইভ !! : মোবাইলে একটি কল করার পর কত সময় কথা বলা হলো, এর জন্য কত টাকা ব্যয় হলো এবং শেষে ব্যালান্স কত টাকা থাকল, তা চালু করার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। গত রোববার বিটিআরসির সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের পরিচালক মো. রকিবুল হাসান স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে দেশের ছয় মোবাইল অপারেটরের উদ্দেশে। তবে, এটি কার্যকর হবে শুধু প্রি-পেইড গ্রাহকদের বেলায়। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অপারেটর কোম্পানিগুলোকে বিটিআরসির এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রাথমিকভাবে প্রি-পেইড গ্রাহকদের জন্য তা চালু করতে বলা হলেও এমন ব্যবস্থা সব সময় রাখতে হবে, যাতে অন্য সব গ্রাহকও বিনা মূল্যে এসব তথ্য জানতে পারেন।

প্রি-পেইড গ্রাহকদের জন্য আরও কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি। এর মধ্যে রয়েছে প্রি-পেইড সংযোগে রিচার্জের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন মেয়াদ বেঁধে দেওয়া। আউটগোয়িং কলের ক্ষেত্রে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত রিচার্জের মেয়াদ সর্বনিম্ন ১০ দিন। এ ছাড়া ৩১ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত ১৫ দিন, ৫১ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত ৩০ দিন, ১৫১ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ৪৫ দিন, ৩০১ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ১০০ দিন, ৫০১ থেকে ৯৯৯ টাকা পর্যন্ত ১৮০ দিন এবং ১০০০ টাকার বেশি হলে সর্বনিম্ন মেয়াদ থাকবে ৩৬০ দিন পর্যন্ত। ইনকামিং কলের ক্ষেত্রে সংযোগটির অব্যবহূত অবস্থায় এক বছর পর্যন্ত মেয়াদ থাকবে।

তবে সর্বশেষ রিচার্জের দিন থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে অন্তত একটি আউটগোয়িং কল বা খুদে বার্তা না পাঠালে সংযোগটির আউটগোয়িং সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে, যা পরবর্তী সময়ে যেকোনো পরিমাণ রিচার্জে আবার চালুযোগ্য। নির্দেশনায় বলা হয়, পুরোনো সিম কার্ডের সংযোগ বন্ধের এক বছরের মধ্যে কোনো গ্রাহক যেকোনো সময় রিচার্জ করে সংযোগটি তাত্ক্ষণিকভাবে সচল করতে পারবেন। তবে এক বছর পার হয়ে গেলে সংযোগ পুনরায় সচল করা যাবে। এ জন্য গ্রাহককে কমপক্ষে ৫০ টাকা দিয়ে নতুন সিম কিনতে হবে। অর্থাত্ সিম কার্ড হারানো না গেলে বা নষ্ট না হয়ে থাকলে সংযোগ বন্ধের এক বছরের মধ্যে নতুন সিম কার্ড কিনতে হবে না।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, মোবাইল ফোন অপারেটরদের কোনো অফারের ক্ষেত্রে গ্রাহকেরা রেজিস্ট্রেশন করলে, গ্রাহককে খুদে বার্তা (এসএমএস) দিয়ে জানাতে হবে। তবে কেউ যদি অফার গ্রহণ করতে না চান, সে জন্য ডি-রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতির কথাও উল্লেখ থাকতে হবে। মোবাইল ফোন অপারেটরদের যেকোনো অফারের ক্ষেত্রে পত্রিকা, ম্যাগাজিন বা ওয়েবসাইটে ‘শর্ত প্রযোজ্য’ বিষয়টির সব প্রয়োজনীয় তথ্য স্পষ্ট ও পাঠযোগ্য আকারে প্রকাশ করতে হবে। কোনো কারণে পত্রিকা বা ম্যাগাজিনের মূল বিজ্ঞাপনে সব তথ্য দেওয়া সম্ভব না হলে, ভেতরের পাতায় তা অবশ্যই প্রকাশ করতে হবে এবং মূল বিজ্ঞাপনে তার উল্লেখ থাকতে হবে। কোনো অফারের ক্ষেত্রে মাসিক বা কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ফি কেটে নেওয়ার ২৪ ঘণ্টা আগে খুদে বার্তা দিয়ে গ্রাহককে জানাতে হবে।

ফি কেটে নেওয়ার পর ‘কেটে নেওয়া হয়েছে’ বা ‘ব্যালান্স না থাকায় কেটে রাখা যায়নি’ মর্মে আবারও খুদে বার্তা দিয়ে জানাতে হবে গ্রাহককে। প্রথম নির্দেশনাটি সেপ্টেম্বরের মধ্যে কার্যকরের কথা বলা হলেও বাকিগুলো কার্যকর করতে হবে চলতি এপ্রিল মাসের মধ্যে। অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) মহাসচিব টি আই এম নূরুল কবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই বিটিআরসি এই নির্দেশনা দিয়েছে। আপাতত মনে হচ্ছে, আমরা যা যা বলেছিলাম, এতে তা-ই আছে। তবু পর্যালোচনা করে দেখছি।

:::প্রথমআলো::: এখন এখানে উল্লেখ্য যে, টেলিটকই প্রথম এই এলার্ট ২০০ ৫ সালে চালু করে, পরবর্তীতে ওয়ারিদ এবং বেশ কয়েক বছর আগে রবি (রবির ক্ষেত্রে সেবাটি চালু করতে চার্জ লাগে) তাদের নেটওয়ার্কে এই সেবা চালু করে।  ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে ১৫ বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।