যারা অন্যের সাথে প্রতারণা করে তারা প্রথমে নীজের সাথে প্রতারণা করে,কিন্তু নির্বোধ বলে তারা তা বুঝে না। আর প্রতরণার মধ্য দিয়ে প্রতারক মানুষরুপী শয়তান ও প্রেতে পরিনত হয়। কিন্তু অজ্ঞনতার ধরুন বিবেক তাদের ধ্বংশন করে না। ফলস্বরুপ,তারা পাপাচারে সুখ ভোগ করে। গুনটিয়া গ্রামের মাঠে চৈত্র মাসে
হিন্দু লোকের মেলা বসে।
সেই মেলায়,মা-কালির আর্শিবাদ
পাওয়ার আশে ভোগ দেয় হিন্দু লোকে
মা-কালির মুর্তিকে দুধ,কলা দিয়ে।
সেই দুধ,কলা দেখে লালসা জাগে মোর মনে।
তাই,গভীর রাত্রী লোকের আড়ালে ও সবই
নিয়ে আমি চুপিসারে বসি এসে
আমার গায়ের নদীর তীরে।
সেথায় ঘুমটা পড়োয়া বধুর বেসে বসে
আমি শেষ করি তার সব খেয়ে।
পরদিন ভোরে আমার মাকে বলি,মাগো,
কালিমাকে ভোগ দেওয়া সবই আমি খেয়েছি
রাতে ঘুমটা পড়োয়া বধুর বেসে নদীর তীরে চুপি-চুপি বসে।
তখন,শুনে মা অভাক হয়ে মোরে বলে,
ওসব খেওনা বাছাধন,ভূত,প্রেতের আছর আসবে তুমার উপড়।
তখন বলি মাকে আমি,ও-মা একি বল তোমি?
তবে,কি কালিমা ভূত,প্রেত নাকি?।
তখন বলি মাকে আমি,শুন মা,
ভবে ভূত,প্রেত বলে নাই কিছু।
ভবে মানুষই প্রভূ,মানুষই ভবে
শ্রেষ্ঠ ভূত,প্রেত,পশু,জন্তু। ও,ভবে
মানুষ ব্যাতী নাই কোন আল্লাহ,ঈশ্বর,ভগমানও।
তখন আরও বলি মাকে আমি,
শুন মা,ভবে মানুষই আমার শ্রেষ্ঠ প্রভূ,ও,
ভবে মানুষ ব্যাতী নাই আমার অন্য কোন প্রভৃ।
আর ভবে মানুষই আমার শ্রেষ্ট
ক্ষতিকারক ভূত,প্রেত,পশু,জন্তু,হিংস্র প্রাণী। ও,
ভবে মানুষ অপেক্ষা নাই আমার অন্য কোন
ক্ষতিকারক শ্রেষ্ঠ ভয়ংকর প্রাণী।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।