আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

।। খণ্ড কবিতাগুলো //বাঙলায়ন : রহমান হেনরী ।।

বাঙলা কবিতা ___________ প্রজাপতিটিই শুধু জানে কীভাবে ডানায় মেখে জীবনের ঘ্রাণ হাওয়া দিয়ে যেতে হয় ফলের বাগানে। ( মূল : মাৎসুও বাসো) ২. আহ! ঝরা-ক্যামেলিয়া ফুলের সন্তাপ আমি যদি পুস্প হতাম ওই মতো মুষল বৃষ্টিতে দিতাম ঝাঁপ। (মূল : তাকাহা সুজিও) ৩. কিউপিড দোলাচ্ছে এই আত্মাকে নির্জন-পাহাড় থেকে উড়ে আসা হাওয়া মাটিতে শুইয়ে দিলো ওক গাছটাকে। (মূল : সাফো) ৪. অন্ধকারে পুষ্পিত মেঘ প্রবল বজ্রে ওই গাভীন হয়েছে... ভেঙে পড়ছে জলের আবেগ (মূল : মাইকেল আর ব্রুচ) ৫. একটি আপেল, একা একা অবরুদ্ধ বাগানে বসেই রোজ লাল হচ্ছে কখন সে পেয়ে যাবে শীতটির দেখা (মূল : প্যাট্রিক ব্লাঞ্চি) ৬. ঝুঁকে পড়লো ঘাসগুলি, এসে : থামতে গিয়ে, গতিময় ট্রেনের ইঞ্জিন নিজেই গুঁড়িয়ে গেল শেষে। (মূল : ইয়ামাগুচি সেইশি) ৭. ক্রিসেনথিমাম-ভরা এই দিন ডাকে ভেজা চুল নাড়িয়ে চিরুণী করি আমি যেভাবে ও-পাঁপড়িগুলো বৃষ্টিকে আড়াল করে রাখে। (মূল : হিসাহো সুজিতা) ৮. জানতে চেয়ো না, নাবিক! এ কবর হতে পারে কার? তোমার সৌভাগ্য নিয়ে নেমে যাও জলে: দোয়া করি, প্রসন্ন সমুদ্র হোক প্রেয়সী তোমার। ( মূল : মাইকেল আর ব্রুচ; প্লেটোর স্মৃতির উদ্দেশ্যে) ৯. হেমন্তের ঘন মধ্যভাগ : প্রতিবেশী নিঃসঙ্গ পুরুষ কীভাবে এখনও বেঁচে আছে, আমি তো অবাক... ( মূল : মাৎসুও বাসো) ১০. এমন সুন্দর সব পুষ্প রাশি রাশি এসো, ভরে ফেলি গামলাগুলো! যখন ক্ষুধার্ত আমরা, ভাত ভালোবাসি ( মূল : মাৎসুও বাসো) ____________

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।