আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

চিল যখন চিলের মাংস খেয়ে যাচ্ছে; শকুনই তখন মরা গরুর জন্য শোকসভা ডেকেছে

কার্ণিশ ভাঙ্গা জানালার ফাঁক দিয়ে রাতের আকাশের যেটুকু অংশ দেখা যায়, অইটাই আমার পৃথিবী। শব্দগুলো কান্নার নয় অট্টহাসির; যখন শতাব্দীর সমস্ত কালাগ্নি মানবিক ক্ষোভ জড়ো করেও বধির হয়ে গেছে ঘৃণার অনুভূতিগুলো, তখন ধিক্কারগুলো পরিণতির নমস্যঃ যৌন কসাইয়রা, যখন আমার প্রেয়সীর শরীর বর্গা দিয়ে রেখেছে সৌন্দর্য বেসাতির মালকিনীরা মচ্ছব বসেছে রুপের জৌলুশ ছড়ানোর; জেনেও, তোমার শরীরকে খাবলে খুবলে ছিলে খায় আড়ালে মূক অন্ধতা নীরবতাই আমার তখন ঝড়ো প্রতিবাদ, নতমুখ আমার একদলা থু থু শরদিন্দুর বুকে তখন জেগে উঠেছে শতাব্দীর অন্তর্গত সৌন্দর্যে অমাবস্যার অমোচন দাগ তাবৎ সভ্যতা ধ্বংস হলেও, সাম্রাজ্যবাদীর ইচ্ছের পৃথিবী পোক্ত হোক, পুঁজিবাদীরা হাসিতে ফেটে পড়ুক রিহার্সাল করে কী লাভ নীতি ও নৈতিকতার, কী এসে যায় তাতে বীভৎসতা দিয়ে আমি আর প্রতিশোধ নেবো না যখন বিলাপ আমার প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠেছে থিকথিক করে উঠছে নিউরনগুলো যেহেতু তখনও থিয়োরি কপচাচ্ছে আইন বেত্তারা পুঁজিবাদীরা শোষণের শীর্ষে উঠে পাললিক পৃথিবীতে হাসিতে ফেটে পড়ুক কী এসে যায় তাতে, যখন সৌন্দর্য বিকিয়ে অথবা শরীর পসারিনী কানিজের সৌন্দর্য কারখানার প্রধান পণ্য হয়ে উঠেছে আমার প্রেয়সীর ডিজিটালি উন্মোচিত শরীর আর তখনও মইত্যারা পরথম আলুরা নিশ্চুপ নতজানু কুর্ণিশ; মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে, যখন আধুনিক পৃথিবীতে স্বজাতির হাতে মার খাচ্ছে স্বজাতি চামড়া ছিলে চামড়ার আড়ালে ক্ষরিত দেহ তুলে দেয় যৌন কসাইয়ের হাতে বৈধব্য বরণ তখন আমার সাধের হাতিয়ার যখন নারী নেতৃর মুখগুলো কুলুপ আঁটানো চিল যখন চিলের মাংস খেয়ে যাচ্ছে; শকুনই তখন মরা গরুর জন্য শোকসভা ডেকেছে (তারা বলে আমরা শকুন)।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।