আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

“চলে যেতে হয়, তবে সে যাওয়াটা যেন এমনি সম্মানজনক হয়”।

ভালবাসি মা-মাটি-দেশ। স্বপ্ন দেখি একটি সুন্দর সকাল। এক নতুন সূর্যোদয়ের। মহামান্য রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান দিয়ে গেলেন অনেক কিছুই। ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন, ১৯৬২’র সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৬ ‘র ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানসহ প্রতিটি গণ-আন্দোলনে তিনি ছিলেন একজন অগ্রণী সৈনিক।

যার প্রতিদানে এ জাতি তাকে ১৯৭০’এ তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য সহ ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করে এবং ২০০৯ সালে তিনি বাংলাদেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতির মর্যাদায় ভূষিত হন। শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায়ই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত জাতি তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করছে। এ তার একান্তই নিজের অর্জন। প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির জটিল সমীকরণে নিয়ামক হিসেবে মূলত যে বিষয়টি কাজ করে তা হল কর্ম।

এখানেই অনন্য জিল্লুর রহমান। তিনি তাঁর মেধা, সততা এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দিয়ে অর্জন করে নিয়েছেন সকল সাফল্য। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের কাছে তিনি একজন অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়েই থাকবেন। এই মহানায়কের কর্ম এবং প্রাপ্তির সাথে আওয়ামীলীগের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি সরাসরি জড়িত। তিনি এ দেশকে যেমন সাধ্যাতীত দেয়ার চেষ্টা করেছেন তেমনি দিয়েছেন তাঁর দলকে।

আওয়ামীলীগের চরম দুঃসময়ে দলকে আগলে রেখেছেন দায়িত্ববান অভিভাবকের মত। নির্লোভ-নির্বিরোধী সজ্জন রাজনীতিবিদদের মধ্যের প্রথম সারির এই নেতার কাছে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলীয় অর্জনের গুরুত্বই বেশি ছিল। তার এই সম্মানজনক চিরবিদায়ের মাঝেও দলকে দিয়ে গেলেন আরও পাঁচ বছরের আওয়ামীলীগের রাষ্ট্রপতি পদের নিশ্চয়তা(যদি রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করার মত অশোভন আচরণের পুনরাবৃত্তি না হয়)। দিয়ে গেলেন চরম অসহিস্নু রাজনীতিতে ক’দিনের সস্থি (যদি আমরা এই শিষ্টাচারটুকুও জলাঞ্জলি না দেই)। সর্বোপরি সবক, “চলে যেতে হয়, তবে সে যাওয়াটা যেন এমনি সম্মানজনক হয়”।

নেতৃবৃন্দ গ্রহণ করলে হয়। মহামান্য রাষ্ট্রপতি আপনাকে স্বশ্রদ্ধ সালাম। আল্লাহ আপনায় শান্তি দিন।  ।


এর পর.....

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।