আমি মুছে দিতে চাই সব মলিনতা
বিদ্রোহ ও প্রেমের কবি, বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার। বঙ্গাব্দ ১২ ভাদ্র অনুসারে দিবসটি পালন করা হয়।
১৯৭৫ সালের এই দিনে তৎকালীন পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই কবি।
কাজী নজরুল ইসলাম প্রেমের কবি, বিরহ-বেদনা ও সাম্যের কবি। বাংলা সাহিত্য-সঙ্গীত তথা সংস্কৃতিরও অন্যতম প্রধান পুরুষ তিনি।
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে তার লেখনি ধুমকেতুর মত আঘাত হেনে জাগিয়ে দিয়েছিল বাংলা তথা ভারতবাসীকে। তার কবিতা ‘চল চল চল’ বাংলাদেশের রণসঙ্গীত, তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ খেতাবে ভূষিত হন।
বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, সৈনিক, গায়ক ও অভিনেতা। তিনি বৈচিত্র্যময় অসংখ্য রাগ-রাগিনী সৃষ্টি করে বাংলা সঙ্গীতকে অন্যরকম মর্যাদার আসনে বসিয়েছেন।
নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল।
তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথিকৃৎ লেখক। তাঁর লেখনি জাতীয় জীবনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। তাঁর কবিতা ও গান মানুষকে যুগে যুগে শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়ে চলছে।
মুক্তিযুদ্ধে তাঁর গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়।
এখানেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন।
কবি সম্পর্কে আরো জানতে- View this link
সুত্র- বাংলানিউজ ২৪ ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।