৫ই মে এর গনহত্যা ইতিহাসের নৃশংস গনহত্যা ৫ই মে এর গনহত্যায় প্রাণে বেচে গেলেও বাচতে পারলেন না আওয়ামী নরপিশাচদের হাত থেকে মাওলানা মতিউর রহমান। গনহত্যার পর ৬ই মে কক্সবাজারের রামু উপজেলার মাওলানা মতিউর রহমান ৫ জন সাথী নিয়ে ঢাকা থেকে ফেরার পথে কুমিল্লায় এসে শহীদ হন ।
মাওলানা মতিউর রহমানসহ পাঁচ মাদরাসা ছাত্র গাড়িতে করে ব্রাক্ষণবাড়িয়া পর্যন্ত এসেছিলেন। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আবার আসেন কুমিল্লায়। কুমিল্লায় এসে চট্টগ্রামের জন্য তারা ট্রেনের টিকিটও করেন।
কিন্তু ট্রেনে ওঠার সময়ই আওয়ামী নরপিশাচরা তাকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে নেয়। ট্রেন থেকে নামিয়েই তাকে কুপিয়ে ও বেধড়ক পিটিয়ে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এই সন্ত্রাস নরপিশাদের তান্ডব সেদিন জাতি লক্ষ করেছিল। কিভাবে তারা বায়তুল মুকাররাম এলাকায় ফুটপাতের দোকান গুলোতে, সরকারী অফিস হাউসবিল্ডং এ আগুন লাগিয়েছিল বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে তা প্রকাশ পেয়েছে।
আওয়ামী ঘরনার মিডিয়াগুলো এ বাস্তব সত্যটাকে এড়িয়ে গেছে।
৫ই মে দিন থেকেই বিভিন্ন অলিগলি থেকে, ভবনের ছাদ থেকে তারা চোরা গুপ্তা হামলা চালিয়ে শান্তিপূর্ন এ সমাবেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছিল। বিশেষত যারা কোনভাবেই সেদিন একা ছিল বা জমায়েতের আড়ালে গিয়েছিল তাদের আর রেহাই দেয়নি আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ।
তারা মালিবাগ, রামপুরা, বাড্ডা এসমস্ত এলাকায় অবস্থান নিয়ে দাড়ি টুপি পরিহিত কাউকে দেখলেই গাড়ি থেকে নামিয়ে বেধড়ক পিটুনি দিয়েছে। সমাবেশে আসুক বা নাই আসুক দাড়ি-টুপি কাউকে দেখলেই আর রেহাই নেই।
মাওলানা মতিউর রহমান তেমনি নরপিশাচদের বলির শীকার। সেদিনের নরপিশাচদের তান্ডব গুলো পুলিশের ছত্র-ছায়ায় হয়েছিল, পুলিশের সামনেই হয়েছিল, পুলিশ নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করে তাদের উস্কে দিয়েছে। পুলিশ প্রশাসন এটা দেখে না, বা দেখবেও না। দেখেলে যে তারা আর পুলিশ থাকবে না.........। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।