আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আজ বিশ্ব চড়ুই দিবস


আজ বিশ্ব চড়ুই দিবস। গত ২০১০ সন থেকে এই দিবসটি যথাযথ অমর্যাদার সাথে পালিত হয়ে আসছে। আমরা হিংস্র বাঘ রক্ষায় যতটা মনোযোগী এই সুকন্ঠী মানুষের আজন্ম প্রতিবেশী পাখিটি রক্ষায় বোধ হয় ততটা অমনোযোগী। নতুবা একটু চেষ্টা করতাম এদের বাচানোর জন্য আর মানুষকে সচেতন করার জন্য। কিন্তু এই দিবস পালনে সচেষ্ট হলো কিছু পাখি প্রেমিক ?কেন আসুন জানার চেষ্টা করি _ আশংঙ্খাজনকভাবে গত কয়েক দশক জুড়ে এদের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।

এক সময় ঘরের কোনে, উঠান, বারান্দায় এদের উপস্থিতি ছিল সরব। সারাক্ষন কিচির মিচির করে বাড়ী মাতিয়ে রাখতো। কিন্তু এই আধুনিক শহূরে এলাকায় এরকম বাড়ী কোথায় বলুন? যাও বা ঘরের ভেন্টিলেটারে বাসা বেধে থাকতো এখন তাও থাকে না। বিশেষজ্ঞরা বলেন এর পিছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে_ তার একটি বাধা হল মোবাইল অপারেটরদের টাওয়ারগুলো। ওগুলো যেখান দিয়ে তরঙ্গ প্রবাহিত করে সেই জায়গাগুলোই চড়ুইদের উড়ার জন্য প্রকৃত উচ্চতা।

ফলে তারা বেশীর ভাগ সময়ই সাবলীলায় উড়তে পারে না, পথ হারায়। আবার ইদানিং জলাধারগুলো ভরাট করে চলে কল-কারখানা ও বাড়ী নির্মান। ফলে তেষ্টা মেটানোর জলটুকুও তারা পাচ্ছে না। ফসলের জমিও বিলিন হয়ে যাচ্ছে। পাচ্ছে না খাদ্য।

এ রকম আরো নানা কারনে মানুষের চির প্রতিবেশী এই পাখিটি চলে যাচ্ছে দূরে। হয়ত কোনদিন হারিয়েও যাবে এরা। তবে আমরা চাইলেই এদেরকে আমাদের মাঝে রেখে দিতে পারি। এজন্য বেশী কিছু করার দরকার নেই। প্রতিদিন বেঁচে যাওয়া কিছু ভাত বারান্দায় রেখে দিই আর একটা বাসনে কিছু পানি রেখে দিই যেন গোসল আর তৃষ্নাটুকু মেটাতে পারে।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী এ প্রাণীকুলকে আমাদের প্রয়োজনেই যে বাচিয়েঁ রাখতে হবে। কারো যদি চড়ুই সম্পর্কে জানার আগ্রহ থাকে তবে এই লেখাগুলো পড়তে পারেন ।
 

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।