আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

দি গ্রেট ম্যাজিশিয়ান মিছা ইব্রাহিম, নৌকাতে ছড়িয়া মর্দে সাঁতার ও কাটিল



ডিসক্লেইমার : এটি কোন ব্যক্তি আক্রমনমূলক পোস্ট নয়, প্রথম আলোর কোন সাম্বাদিক যদি এইখানে মডু থাকেন তাইলে এই পোস্টের ভবিষ্যত অনিশ্চিত, সবাই নিজ নিজ দ্বায়িত্বে পোস্টটি পড়বেন, আমার কোন দ্বায় নাই। যেই কোন মুহুর্তে পোস্টটি গায়েব হতে পারে তাই, গায়েব হওয়ার আগেই পড়ুন। সুগারমিলের কলোনিতে বেড়ে ওঠা মিছা ব্রা-হিমকে বর্তমান বাংলাদেশের কে না চেনে (একেবারে চাষা ছাড়া)। তিনি আমাদের হিমালয় পিতা। জাতীয় বীর (চরম মিথ্যাবাদী)।

তিনিই সর্বপ্রথম (?) এভারেষ্টের মাথায় উঠেছেন। যদিও কিছু পথভ্রষ্টরা তার এই বিজয়কে ম্রিয়মান করার চেষ্টায় লিপ্ত। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ থেকে উচ্চ শিক্ষা (!) নেওয়া এই জাতীয় বীর বর্তমানে একটি ইংরেজী পত্রিকায় (যদিও তিনি তেমন ইংরেজী জানেন না) কর্মরত। মিছা সাদাসিদা জীবনযাপন (প্রচন্ড হাই প্রোফাইল) করেন এবং একটি (চোরাই, নাম্বার প্লেট ছাড়া) সাধারণ মোটর সাইকেলে যাতাযাত করেন। উদার (চরম কৃপন), বন্ধু বতসল (ক্লিকবাজ), সাহায্যকারী (কুচক্রী) এই মিছাই বর্তমান বাংলাদেশের যুব সমাজের পথিকৃত।

বাংলাদেশের জন্য সম্মান বয়ে আনা নোবেল বিজয়ী ড. ইউনুসের পরেই তার স্থান। কে এই মিছা..?? খোজ নিয়ে জানা গেছে তার সারাজীবনের ইচ্ছে ছিল তিনি এভারেষ্ট বিজয় করবেন। তাই তিনি বার বার হিমালয়ের বিভিন্ন চুড়া (সব মিথ্যা) জয় করেছেন। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তিনি দেশ বিদেশের হাই চ্যানেল মেনটেইন করেছেন। এমন কি উইকোপিডিয়া সহ অনেক বড় বড় ওয়েবেসাইটে নিজ এবং তার পরিবার পরিজনের নাম লিখিয়েছেন।

নিজের কুকীর্তি জানান দেবার জন্য বানিয়েছেন তার নিজের সাইট। মিছার সারা জীবনের একমাত্র ব্রত ছিল (টাকা কামানো) দেশের জন্য কিছু একটা করা। তা তিনি করে দেখিয়েছেন। তিনি যেখানেই হাত দেন, সেখানেই সোনা (!) ফলে। এই তো তিন চার দিন আগে তিনি জয় করলেন বাংলা চ্যানেল (টেকনাফ শাহপরির বদরমোকাম থেকে সেন্টমার্টিন ১৪.১ কিলোমিটার)।

হিমালয় পিতা নামলেন সাগরে। চারিদিকে জয় জয়াকার। কংগ্রাটস। সাবাস। এইতো বীর।

বেশকটি টিভি নিউজ ক্যামেরা, পত্রিকা সাংবাদিক, ক্লাব মেম্বার, লোকাল মানুষ সহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা দেখলেন তিনি কেমন করে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিলেন। তিন তিন বার নৌকায় চড়িয়া মর্দে সাতারো কাটিলেন। কিন্তু কেউ কোন টু শব্দটি পর্যন্ত করলো না। দেশের ম্যাঙ্গো পিপলরা জানতেও পেল না তার ঝোকাবাজির কথা। টাইটেলে বলেছি তিনি একজন ম্যাজিশিয়ান।

এখানেই তার কারিসমা। সবার চোখে ধুলো দিয়ে তিনি ম্যাজিক দ্যাখান। জয় করেন। স্পন্সররা টেরও পায় না, যে তাদের টাকা নিয়ে মিছা কিভাবে ধোকা, সরি ম্যাজিক দেখাচ্ছে। ও হ্যা... এভারেষ্ট বিজয়ের (!) ফলস্বরুপ মিছার কাছে এখন স্পনস্সরের ভিড়।

তিনি তা থেকে মোটা অংকের দু-চারটা স্পন্সর বেছে নিয়ে অন্যের সাফল্যকে পুজি করে স্পন্সর ব্যবসা করছেন। যেমন: এক্সট্রিম বাংলা নামের একটি এ্যাডভান্চার ক্লাব্ই প্রথম এই বাংলা চ্যানেল আবিস্কার ও প্রচার করে। এই ক্লাবের বাংলা-চ্যানেল উদ্ভাবন ও প্রতিষ্ঠাকে মুসা এক ঝাটকায় ক্যাশ করে নিলো। ক্লাব মেম্বাররা জানতেও পেলনা (???) যে কোথায় ম্যাজিকটা হয়ে গেলো। তিনি বর্তমানে হিমালয় পিতার পাশাপাশি আমাদের সাগর পিতাও বটে (তবে উচ্ছাসটা, ক্রিকেটে বাংলাদেশের বৃটিশ বধ এবং জাপানের ভুমিকম্পের জন্য একটু ফিকে হয়ে গেছে)।

ইতমধ্যেই আমাদের এই জাতীয় বীর এভারেষ্টকে ক্যাশ করতে শুরু করেছেন। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বানিয়েছেন টিভি এ্যাড। সামনের দিনে তিনি আরো অনেককিছুই ক্যাশ করবেন বলে আশারাখি। দুইটা সহজ বাক্য: ১) মিথ্যা বলা মহাপাপ। ২) লোভে পাপ, পাপে ইন্তেকাল।

গুরুজনেররা বলেছেন... মিথ্যা যত উপরের উঠে, নিচে পড়ে তত ব্যাথা পায়। ভাবতেছি মিছার কি হবে। এত মিছা নিয়ে মিছা তার বউকে কিভাবে বোঝায়। তার বাবা-মা (আমরা না হয় বাদ গেলাম) কি কিছুই জানেন না? কিভাবে সে এতো সব ম্যানেজ করে? কি এমন জাদু সে শিখেছে যে পত্রিকা, টেলিভিশন, প্রশাসন, জনগন সব চুপ হয়ে থাকে? (আমার মনে হয়, তিনি আসলে সবই সত্য সত্যই করেন... আমরা ভুল দেখি) তবে মনে রাখতে হবে যে, বাঙালী টিউব লাইট হলেও, সসসসব বোঝে.... খুব হুস কইরা। অনেকেই বলবেন এসবের সত্যতা কোথায়...?? লিংক দেন... ফালতু কথা.... আপনার জ্বলে কেন.... ইত্যাদি ইত্যাদি।

তাদের জন্য আমার একটাই কথা... আজ বুঝবি না বুঝবি কাইল, হুগা থাবড়াবি পাড়বি গাইল। বি:দ্র: বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের যা তা অবস্থা দেখে মিছা খুবই বিরক্ত। এবছর তিনি ক্রিকেট ট্রেনিং নেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। আগামীতে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ক্যপ্টেন হয়ে ক্রিকেটটাকেও ক্যাশ করতে চান।


সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে ১০ বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।