জীবনও যখনও শুকায়ে যায় করুণা ধারায় এসো..
ওই ছেলেটার নাম উচ্চারণ না করেই বলছি-
বাংলাদেশের ইতিহাসে যারা প্রথম খেলা শুরু করেছিল তারাই আজ সাবেক ক্রিকেটার।
ওই ছোকড়াটার মনে রাখা উচিত সে আজ বর্তমান হতে পেরেছে ওই সাবেকরা ছিল বলেই।
ছোকড়াটার আরো মনে রাখা উচিত যে,
তারা, ওই সাবেক খেলোয়াড়রা দেশের জন্য খেলেছেন,
একদিন আইসিসি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বলেই বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে। বাংলাদেশে ক্রিকেটের অবকাঠামো তৈরি হয়েছে।
টেস্ট স্টাটাস পেয়েছে।
এতকিছু হয়েছে ওই সাবেকদের জন্যই।
যে জন্যই দলকে আরো গতিশীল ও উন্নত করতেই নতুনদের সুযোগ দেয়া হয়েছে।
তা নাহলে ওই ছোকড়াটা জাতীয় দলে খেলার সুযোগও পেতো না
অধিনায়কও হবার প্রশ্নতো আরো পরে।
দলে গতিশীলতা আনতে নতুনদের সুযোগ দেয়া হয়েছিল।
এর পেছনের কারণও ওই সাবেকরাই নিজ নিজ যোগ্যতা দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে যে, বাংলাদেশ বিশ্বে স্থান করতে যাচ্ছে।
এর জন্য নিতে হবে আরো প্রস্তুতি। যে প্রস্তুতির কথা তারা জানিয়েছে তারই পথ ধরে ওই ছোকড়াদের প্রবেশ।
সাবেকদের ওই অবদান না থাকলে বাংলাদেশ দলে নতুনদের সুযোগ দেবার কোন দরকার ছিলনা।
এখনো হয়তো এ দলে খেলতেন আকরাম, নান্নু, দূর্জয়, পাইলটরা।
ওই ছোকড়া পড়ে থাকতো মাগুরার কেশবের মোড়েই।
ধিক শতবার ধিক ওই ছোকড়াটাকে-
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।