অপ্রতিরোধ্য তুমি, তোমার যখন আছে স্বকীয়তা শয়তানের বাচ্চাটা ''জামাতে ইসলামী'' নামে একটা ফেসবুক গ্রুপ খুলে কভার ফটোতে লাগিয়েছে পাকিস্তান+সৌদি পতাকার বেজন্মা সংকরে তৈরি কুৎসিত এক পতাকা, আর বাংলাদেশের পতকায় দিয়েছে ক্রস চিহ্ন! এখানে আমাদের বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অকথ্য ভাষায় আজেবাজে লিখা লিখে যাচ্ছে। হারামীর বাচ্চা নাকি মাদ্রায় পড়ে তারপর বুয়েটে চান্স পেয়েছিল, এরপর নাকি হার্ভার্ড এ গ্রাজুয়েশন করেছে । জারজের বাচ্চাটা নাকি এখন ফাকিস্তানের লাহোরে বসবাস করে।
গ্রুপটার লিংক Click This Link
কিছু চরম আপত্তিকর অংশ নিচে কপি পেস্ট করে দিলামঃ
আমি দুঃখিত যে আমাকে বাংলায় লিখতে হচ্ছে। আসলে আমি চাই উর্দুতে লিখতে কিন্তু আমার মুসলমান ভাইদের অনেকেই উর্দু জানেনা।
তারা উর্দু, আরবি, ফারসির চর্চা ছেড়ে দিয়েছে। তারা আঁকড়ে আছে বাংলার মত একটা থার্ডক্লাস হিন্দুয়ানী ভাষা। বাংলা প্রকৃতপক্ষে হিন্দুদের ভাষা। এর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। বাংলা এই পূর্বপাকিস্তান তথা বাংলাদেশেরও কোন ভাষা নয়।
এটা কলকাতার হিন্দুদের ভাষা। হিন্দুরা লোম কাটেনা, প্রস্রাবের পর পানি দেয় না, হিন্দু মালাউনরা নাপাক। তেমনি তাদের এই বালের বাংলা ভাষাও নাপাক। বাংলার সাথে ইসলামী ঐতিহ্যের কোন সম্পর্ক নেই। বাংলায় তেমন কোন মুসলমান কবি-সাহিত্যিক নেই।
যা গুটিকয়েক আছে তারাও প্রকৃত মুসলমান নয়। তারা মালাউনদের খাস চামচা। হুমায়ুন আহমেদ নাস্তিক, হুমায়ুন আজাদ মুরতাদ, রবিঠাকুর মালাউন, কাজি নজরুল বিয়ে করেছে এক মালাউনকে, নজরুল লিখেছে শ্যামাসংগীত আবার লিখেছে আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠছে। সুতরাং বাংলা পরিহার করুন। অনেক দুঃখের বিষয় শ্রদ্ধেয় গোলাম আযম স্যারকে সদ্য লোম গজানো অনেক বাচ্চা ছেলেপুলে ভাষাসৈনিক ডাকে।
অথচ গোলাম আযম স্যারও এই হিন্দুয়ানী বালের বাংলাকে ঘৃণা করেন।
----------------------
আমি বলেছিলাম, শাহবাগে নাস্তিকদের আন্দোলনে কিভাবে নাঁচ-গানের মত হিন্দুয়ানির চর্চা হয় দেখে নেব, আমি বলেছিলাম দরকার হলে বোমা ফাটাব। আমি বলেছিলাম যেসব টিভি চ্যানেল এবং পত্রিকার সাংবাদিকরা শাহবাগের নাস্তিকদের দালালি করছে তাদের উচিত শিক্ষা দেব। আজকে তাই করেছি, সিলেটে আমার শিবির কর্মী জিহাদী ভাইয়েরা হিন্দুয়ানির আখড়া শহীদ মিনার ভেঙে দিয়েছে, দেশের সব গণজাগরণ (প্রকৃতপক্ষে নাস্তিক জাগরণ) মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে পুড়িয়ে দিয়েছে, আমার জিহাদী ভাইয়েরা সেই সব হলুদ সাংবাদিক নাস্তিকদের দালালদের উচিত শিক্ষাই দিয়েছে। আমি বলেছিলাম বাংলাদেশের পতাকা অনৈসলামিক কেননা এতে আল্লাহর কালেমা নেই, ইসলামের প্রতীক চাঁদ-তারা নেই।
তাই আমার জিহাদী, জাগ্রত মুসলিম তাওহীদি জনতা চাঁদপুরে পতাকা ছিড়ে তাদের ক্ষোভ এবং ইসলামের প্রতি তাদের ভালবাসার প্রকাশ ঘটিয়েছে। নারে তাকবীর, আল্লাহু আকবার, জামাত ইসলাম জিন্দাবাদ।
----------------------------
আমি চাই যেন, এই দেশে শরীয়াহ আইন চালু হোক। রাষ্ট্র্বের সকল ক্ষমতা প্রকৃত মুসলমানদের (সাঈদী, নিজামী, ইত্যাদি) উপর ন্যাস্ত থাকুক। ব্লাসফেমি আইন চালু হোক।
যারা ইসলামকে গালি দেয় তাদের মৃত্যুদন্ড দেওয়া হোক। জাতীয় পতাকায় আল্লাহর কালেমা যোগ করা হোক। সাথে চাঁদ-তারা দিলে আরো ভাল কেননা সেটাও ইসলামের প্রতীক। যেহেতু কুরানে বলা হয়েছে, حَتَّى يُعْطُوا الْجِزْيَةَ عَنْ يَدٍ وَهُمْ صَاغِرُونَ} [التوبة: 29]
‘‘ যতক্ষন না তারা অপমানিত অবস্থায় জিজিয়া প্রদান করে। ’’ [সূরা তাওবা/29]
সুতরাং বিধর্মীদের অপমান করে তাদের থেকে জিজিয়া নেওয়া হোক, সকল মন্দির/গির্জা ভেঙে ফেলা হোক।
নাস্তিকদের জনসমক্ষে জবাই করা হোক। সকল ইসলাম বিরোধী বই জ্বালিয়ে ফেলা হোক। বির্বতনবাদ যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ানো হয় সেসব ধ্বংস করা হোক। যেসকল হিন্দুয়ানি প্রথা যেমনঃ নববর্ষ উদযাপন, শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা হোক। ঢাকা ভার্সিটি এবং বুয়েটেসহ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক শিক্ষা চালু করা হোক।
যেহেতু আরবি এবং উর্দু মুসলমানদের ভাষা তাই বাংলাকে বাতিল করে আরবি এবং উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করা হোক।
----------------------------------
আমার প্রাণের নেতা আল্লামা সাইদি, শ্রদ্ধেয় গোলাম আযম স্যার, সম্মানিত নেতা আলি আহসান মুজাহিদ, কামরুজ্জামান সহ বেশিরভাগ জামাতশিবির নেতা ১৯৭১-এ আমার পাকিস্তানি মুসলমান ভাইদের পক্ষে যুদ্ধ করে কোন ভুল কাজ করেনি। তারা দেশপ্রেমিক ছিলেন বলেই তখন দেশভাগের বিপক্ষে ছিলেন। দেশপ্রেমিক ছিলেন বলেই তারা একাত্তরে পাকিস্তান তথা মুসলমানদের অখন্ডতা রক্ষার জন্য ইন্ডিয়ান দালাল মালাউনদের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন। দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ, আর ঈমান রক্ষার্থেই তারা একাত্তরে আমার পাকিস্তানি মুসলমান ভাইদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মালাউন শেখ মুজিবের লেলিয়ে দেওয়া কুত্তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন।
মারহাবা, সুবাহানাল্লাহ। আল্লাহু আকবার, ইসলাম জিন্দাবাদ, মুসলমান জিন্দাবাদ, জামাত শিবির জিন্দাবাদ।
--------------------------
রাজাকার মানে হল বন্ধু। সেই হিসাবে আমরাও মুসলিম উম্মাহের বন্ধু। তাই আমি রাজাকার।
একাত্তরের সময় ইন্ডিয়ার মালাউন আর পাকিস্তানের মুসলিম জনতার সাথে যুদ্ধ হয়েছিল। তখন মুজিবসহ হাতেগোনা কিছু মালাউনপ্রেমীদের জন্য মুসলমানরা মালাউনদের বিরুদ্ধে জিততে পারেনি। কিন্তু তখন যদি এখনের মত মুসলমানদের (পাকিস্তানি মুসলিম ভাইদের) পারমাণবিক অস্ত্র থাকত তাহলে ইন্ডিয়ার মালাউনরা কখনোই আমাদের হারাতে পারতনা। আমরা যদি এখনো পাকিস্তানি মুসলিম ভাইদের সাথে থাকতে পারতাম তাহলে আমরা অনেক শক্তিশালী হতাম, কেউ আমাদের দিকে চোখ তুলে তাকাতেও ভয় পেত। দুঃখের বিষয় একাত্তর সালে মালাউনরা আমাদের মুসলমানদের আলাদা করে দিয়েছে তাই আমরা মুসলমানরা আজ নির্যাতিত।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।