We have a best in our self and I have unlashed mine. YEAH, I FEEL COOL!!!
অনেক আগের কথা, সেই কবেকার হবে জানি না তয় মনে আছে হয়তো শ বছর খানেক আগের কথা হবে, আমাদের গ্রামের এক দাদা বলেছিলেন। উনি নাকি উনার এক দাদার কাছ থেকে সত্য ঘটনা শোনেছিলেন, যা উনি সাজিয়ে গুজিয়ে থোড়া রস লাগিয়ে আমাকে বলেছিলেন, ভয়ত্রস্ত করার জন্য। আমিও ভয়ে আড়ষ্ট হয়ে গিয়েছিলাম। যে যাই বলোক ভাই ভূত আমি ডরাই।
তো কি হলো, এক ভর দূপুরে, মানে যখন ভূতরা উঠানে মাঠে দৌড়া দৌড়ি করে।
তখন দাদা ধারিতে বসে বট গাছের দিকে তাকিয়ে বললেন, যা আমার জন্য ঠাণ্ডা চা নিয়ে আয়।
ঠাণ্ডা চা বলার কারণ, দুপুর বেলা চা’র কথা বললে কপালে ঝাড়ু পড়ে তা উনি জানেন তাই ঠান্ডা চা আনার জন্য বলেছিলেন।
আমি থরহরি করে বললাম, দাদীর দেবর দাদা, ঠাণ্ডা চা আনতে গেলে আমি ঠাণ্ডা হয়ে যাব। পাকঘরের চুল্লির পাড়ে আপনার ভাবী বসে আছেন।
দাদা বললেন, তাহলে বাদ দে, এখন আমি চা চাই ঝাড়ুর বাড়ি নয়।
শুন তোর নানার বাড়ি চল। তোকে দেখলে তোর নানী খুশি হয়ে আমাকে চা বানিয়ে দেবেন।
আমি বললাম, দাদার চাচাতো ভাই দাদা, নানীজানতো আমাদের বাড়ি। এখন গেলে নানীর সতিনে আপনার এবং আমার ঠ্যাং ভেঙ্গে ল্যাংড়া করে দেবেন।
দাদা বললেন, দূর ছাই আমি এখন গরম চা কোথাই পাই?'
আমি বললাম, এক কাজ করোন খালি বাড়ি চলে যান ওই বাড়ির ভূতণী চা বেচে, আপনার বউর নামে বাকি লেখিয়ে খেয়ে আসোন।
আমি আপনার সাথে আসব না। আমি ভূত ডরাই।
দাদা থোড়া চিন্তা করে বললেন, তুই এক কাজ কর, যােতা আমার জন্য এক কাপ চা বানিয়ে নিয়ে আয়।
আমি অনেকক্ষণ ধেয়ান চিন্তা করে বললাম, দাদার চাচাতভাই দাদা, আপনি এক কাজ করোন, পূবপাড়ে গিয়ে ছোট চাচার চাচী শাশুরীর ধারীতে বসে চার কথা বললে উনি আপনােক অট্ট গরম চা দিয়ে দেবেন।
এমন সময় কি হল, দাদার নানী আমাদের সামনে নাজিল হলে আমিতো মা গো নানী গো বলে পড়ি কি মরি করে দৌড়ে পাক ঘরে চলে গিয়েছিলাম কিন্তু দাদার চাচাত ভাই দাদা চোখের সামনে ভূতনী দেখছেন মনে করে চোখ বুজে এলিয়ে পড়েছিলেন।
দাদাকে ভূতে ধরেছে ভেবে হুজুরকে আনা হল এবং হুজুর যা করলেন তা হল, আম গাছের ডাল ভেঙ্গে পানিতে ভিজেয়ে উনাকে ঝাড়তে লাগলেন।
দাদীজান ঝাড়ু দিয়ে ঝাড়তে চেয়েছিলেন, কিন্তু দাদার চাচাত ভাইর বউয়ে কাঁদতে শুরু করলে দাদীজানের মন গলে চোখ দিয়ে পানি ঝরতে শুরু করেছিল।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।