ভালো হতে চাই
জন্ম : ২২ মে ১৮৫৯ এডিনবার্গ। অনেক গল্প, কল্প-কাহিনী এবং ইতিহাসকেন্দ্রিক রোমাঞ্চ কাহিনী লিখলেও তাঁকে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি এনে দেয় শার্লক হোমস। এ ছাড়া তিনি ছিলেন একজন ইতিহাসজ্ঞ, তিমি শিকারী, ক্রীড়াবিদ ও সাংবাদিক। উল্লেখযোগ্য দুটি বই_হাউন্ড অফ বাস্কারভিল দ্য সাইন অব ফোর। মৃত্যু : ৭ জুলাই, ১৯৩০ সাসেক্স।
সেই বালক
১২ বছর বয়সী এক ছেলের অভিনয় দেখে মুগ্ধ ডয়েল বললেন, 'লেগে থাক। তোমার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। '
ছেলেটি বলল, 'আমি খুব গরিব। যদি আপনার এক বছরের উপার্জন আমাকে দেন তাহলে আমার আগামী পাঁচ বছরের উপার্জন আপনাকে দিয়ে দিতে রাজি আছি।
শুনে ডয়েল বেশ বিরক্ত হলেন।
পরে ছেলেটা আমেরিকা চলে যায়। এক বছর পর দেখা গেল তার উপার্জন ডয়েলের উপার্জন ছাড়িয়ে গেছে। ছেলেটির নাম চার্লি চ্যাপলিন।
শার্লক হোমসকেও ছাড়িয়ে!
একবার আর্থার কোনাল ডয়েল প্যারিসে বেড়াতে গেছেন। ট্যাক্সিতে উঠে বসতেই ড্রাইভার তাঁকে বলল_'কোথায় যাবেন মঁশিয়ে কোনান ডয়েল?'
ডোয়েল তো অবাক, 'আমাকে চিনলে কী করে?'
গাড়ি স্টার্ট দিয়ে ড্রাইভার বলল, 'আপনি ছুটি কাটাতে প্যারিসে আসছেন তা কাগজে পড়েছি।
আর আপনার ডান হাতের আঙুলে কালির দাগ লেগে আছে। এটা দেখে বুঝলাম আপনি লেখক। আপনার পোশাকে ইংরেজ ছাঁট আছে। হাবভাব ট্যুরিস্টের মতো। তাই বুঝতে পারলাম আপনিই কোনান ডয়েল।
'
'তোমার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা তো দেখছি শার্লক হোমসকে ছাড়িয়ে গেছে! এই কয়েকটা মামুলি লক্ষণ দেখে আমাকে চিনে ফেলেছ। '
'আর একটা ব্যাপার আছে। '
'সেটা আবার কী?'
'আপনার হ্যান্ডব্যাগে বড় করে লেখা আছে আর্থার কোনান ডয়েল। '
বাক্যালাপ আগেই
বন্ধ ছিল
আর্থার কোনান ডয়েল বিশ্বাস করতেন মৃতরা জীবিতদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।
একবার তাঁর বন্ধুর মৃত্যুর পর তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো_'বন্ধুর সঙ্গে কথা হয়েছে?'
জবাবে তিনি বললেন, 'না।
'
আবার তাঁকে প্রশ্ন করা হলো_'আধ্যাত্দবাদ বলে আসলে কিছু নেই, এটা কি মনে হয় না?'
কোনাল ডয়েল বললেন_'না। ওর মৃত্যুর আগে থেকেই আমাদের মধ্যে কথা বন্ধ ছিল। '
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।