আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

মা আমার হৃদপিন্ড,যেন এক বিশ্ব ব্রম্মান্ড(বাকী অংশ)

কবিতা মনের কথা বলে।

মাকে নিয়ে সারা জীবন লিখলেও শেষ হবে না লেখা। অনেকেই মা দিবসে দু চারটি কথা বলে শেষ করে দেয় মায়ের জন্য করনীয় সব। মুখে মুখে সবাই মাকে স্বর্গ বানিয়ে দেয়,আবার সেই সন্তান যখন ঘরে যায়, তখন মাকে এমন বকুনি দেয়, যেন মা হলো নরক। আমার জানামতে সমাজে এসব লোকের সংখ্যাই অনেক বেশী।

সমাজের নিম্ন স্তর থেকে আরম্ভ করে উচ্চ স্তর পর্যন্ত এ সমস্যা প্রকট আকার ধারন করে আছে। যারা আজ সমাজের কর্নধার তারাই মাকে রাখছে বৃদ্ধাশ্রমে,হায়রে মায়ের যোগ্য সন্তান! যে মা সন্তানের জন্য এত কিছু করল,এটা হল তার অবদান। ভাবতে অবাক লাগে যে,তারা কেমন ছেলে মেয়ে! নিজে না খেয়ে যে মা সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিয়েছিল,সে সন্তান যখন মাকে ভূলে যায়,তখন মনে হয় মায়ের সকল সাধনাই যেন বিফলে গেল। আমি ভাবতে পারি না কেন এটা হয়! আর কেনই বা বৃদ্ধ বয়সে মা বোঝা হয়ে যায়?এটাই কি মায়ের জন্য প্রাপ্য! আজ যারা নবীন, কাল তারা বৃদ্ধ হবে, ঠিক একই নিয়ম তার বেলায়ও প্রযোজ্য হবে,তখন তার অবস্থা কি হবে তা কি এক বার ভেবে দেখা উচিত নয় কি? যদি কেউ একবার ভেবে দেখে তাহলে কেউ মায়ের প্রতি এত অনাচার আর অবিচার করতো না। মা যে স্বর্গ তা সত্যিই প্রমানিত হত।

তাই বলি মাঠে ময়দানে বড় বড় বকতৃতা না দিয়ে মায়ের সন্মানের জন্য যা করনীয়, সব সন্তানের উচিত তা করা। মা দিবসে এটাই হওয়া উচিত প্রতিপাদ্য বিষয়। শুধু কথায় না বলে,কাজেও তার প্রমান করতে হবে যে,মায়ের চরন তলে সন্তানের জান্নাত। আজ পর্যন্ত কোন সন্তান মায়ের এক ফোঁটা দুধের ধার কেউ শোধ করতে পারে নাই। তাহলে কি করে আমরা মাকে অবমাননা করি? মা দিবসে সব সন্তানের উচিত এই দীক্ষা নেওয়া,যাতে করে মায়ের সন্মান অক্ষুন্ন থাকে।

চলনে বলনে আচরনে যেন এটাই হয় সকল সন্তানের দায়িত্ব। আসুন আমরা প্রতিঞ্জা করি। মা দিবসের করনীয় নিয়ে। মায়ের আসন যেন না হয় ছোট। মায়ের সাথে যেন না হয় কারো তুলনা।

কারন মা যে আর এক বিশ্ব ব্রম্মান্ড,সন্তানের কাছে।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।