আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আমাদের এখন পিঠ সামনে দিয়ে উল্টো হয়ে হাটতে হবে।

পাওয়ার অব পিপল স্ট্রংগার দেন দি পিপল ইন পাওয়ার। http://mhcairo.blogspot.com/

শিক্ষক: এই মিঠু তুই এত দেরি করে আসলি কেন? ক্লাস শুরু ৯.৩০। এখন ১২টা বাজে। ছাত্র: ছার, আমি ঠিক সময়ই রওনা দিয়েছিলাম। কিন্তু বৃষ্টিতে রাস্তা এত পিচ্ছল হয়ে গিয়েছে যে আমি এক পা আগাই, কিন্তু পিচ্ছিলের কারণে দুই পা পিছিয়ে যাই।

তাই আসতে দেরি হয়েছে। আমি ছড়ি ছার। শিক্ষক: যদি তোর কথা সত্যই হয়, এক পা এগোলে দুই পা পিছিয়ে পরিস, তাহলে তুই স্কুলে পৌছলি কিভাবে? মিঠু: ছার, আমি এক ঘন্টা স্কুলের দিকে হাটার পর দেখি, আমি স্কুলে উল্টোদিকে অনেক দূর চলে গিয়েছি। তখন আমি চিন্তা করলাম কি ভাবে স্কুলে পৌছানো যায়। অনেক চিন্তা ভাবনা করে পরে আমি স্কুলের দিকে পিঠ দিয়ে স্কুলের উল্টোদিকে হাটতে শুরু করলাম।

আবশেষে এখন স্কুলে এসে পৌছলাম। ========== এটা নিতান্তই একটি কৌতুক, কিন্তু এই কৌতুক অনুযায়ীই আমাদের আমল করার সময় এসেছে। স্বাধিনতার পর থেকে গত চল্লিশ বছর যাদের হাতে, বা যেই ধরনের লোকদের হাতে দেশের ভাড় দিয়েছি, তারা তাদের কাজে পুরোপুরিই ব্যার্থ। তারা শুধু ব্যার্থই নয়, বরং তারা জাতীর জন্য আজ বোঝা হয়ে দাড়িয়েছে। এটা এমন বুঝা, যা চাল বা তুলার বস্তার মত শুধু ভারই নয়, বরং ইট ভেংগে খোয়া বানিয়ে তা ছালার বস্তায় ভড়ে মাথায় নেয়ার মত বুঝা।

এটা আমরা এখন আমাদের মাথা থেকে ফেলে দিতে চাই। এই বুঝা আমরা ফেলে দিতে চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অস্রহাতে কোপাকোপি করার দৃশ্য দেখতে দেখতে তা স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার পুর্বেই। আর এটা করতে আমরা যত বিল্ম্বিত হব, আমরা জাতি হিসেবে ঠিক ততটাইই পিছিয়ে পরব থিক ঐ স্কুল বয় মিঠুর মত। কারণ আমাদের নেতারা আমাদের দেশের উন্নতির পথ পিচ্ছিল করে ফেলেছেন, তারা এক পা এগোলে দুই পা পিছিয়ে পরছেন। এর থেকে বেরোনোর পথও সেই স্কুল বয় মিঠোর দেখানো পথই হওয়া উচিৎ।

দেশের দির্ঘদিন ধরে চলে আসা সিস্টেম কে ছিস্টেম করে তার থিক উল্টোপথে চলা শুরু করতে হবে, তাহলে হয়ত একদিন আমরা আমাদের অভিষ্ট লক্ষে পৌছতে সক্ষম হব।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।