আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

লাগছে....লাগছে.......এই বার লাগছে

oracle.samu@googlemail.com

লাগছে লাগছে........এই বার লাগছে, শেখ হাসিনার কূম্ভকর্ণ মার্কা সরকারের মাথায় লাগছে। দেরিতে হইলেও সাহারা খালার ঘুম ভংছে, হাসু বুবুর পোলা-পাইন কাইত হওনের গতিকে মন্ত্রী সাহারা একটিভ হইছেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপরাধীকে ধরার হুকুম জারি করছুইন আমাগ করিত্বকর্মা মুন্ত্রী। তাও বালা ঘুমত ভাংছে, আমরা এতেই বেজায় খুশি ......শাবাস সাহারা .....সাবাশ লীগ সরকার। আজ বকরের পরিবার-পরিজনদের মনে কিন্চিত শান্তির ছোয়া লেগেছে; নিজেদের একমাত্র আশার আলো হারিয়ে যখন পুরো পরিবার অন্ধকারে নিমজ্জিত, শোক শামলিয়ে হত্যার বিচার চাইবার সক্তিও যখন তারা সন্চয় করতে পারেননি ঠিক তখনই দেশের শৃংখলা ভক্ষক (রক্ষক নয় !) মন্ত্রী তাদের শুনিয়াছেন 'এটা কোন ব্যাপার না, এমন হতেই পারে। এইসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা বরং আমরা এর প্রতিরোধে কি করছি তা ই গুরুত্বপূর্ন।

' বকরের হত্যাকরীকে ধরতে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে, আর ফারুকের হত্যাকরীকে ধরতে সময় মাত্র ২৪ ঘন্টা কোন তদন্তের প্রয়োজন নেই। একই ক্রিয়ায় দুই রকম প্রতিকৃয়া ! সভাবতই প্রশ্ন জাগে কেন ? সংবাদপত্র গুলরও একই হাল, যেন ভিমরুলের চাকে ঢিল পড়েছে ! এটাই ওনাদের প্রতিরোধের নমুনা অতচ সরকারের ১ম দিন থেকেই ছাত্রলীগ নিজেদের মধ্যে মারামারিতে ব্যাস্ত। হাসিনার ছাত্রলীগের নেতৃত্ব থেকে পদত্যাগ আর হল কমিটি বাতিলের মধ্যেই সরকার/সরকারী দল তাদের কর্তব্য সীমিত রেখেছে। ঢাবিতে ছাত্রদলের মারামারি সরকারের পেটোয়া বাহীনি পুলিশ দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখেছে। আর 'চোর পালালে বুদ্ধি বারে' এই প্রবাদের সত্যতা প্রমানেই পুলিশের লেট রিয়েকশন - 'অস্ত্রধারী ধরতে কানা-মাছি ভো ভো খেলা'।

আজ রাবিতে আরেক তরুন প্রাণ অকালে চলে গেল শিবিরের পৈচাসিক হামলায়। কপাল ভাল, গায়ে ছাত্রলীগের সীল লেগে থাকায় বকরের ভাগ্য বরন করতে হয়নি ঢিলা টা এবার সরাসরি সরকারের গায়ে লাগায় তাদের টনক নড়েছে। অতিদ্রুত অপরাধী ধরতে আশপাশের এলাকায় পুলিশকে দিয়ে বিপুল বিক্রমে অভিযান চালাবার ঘোষনা দিয়েছে সরকার। দেরিতে হলেও কুম্ভকর্নের ঘুম ভেংগেছে, যদিও খুব বেশী আশাবাদি হতে পারছি না, মনে সংশয় নিজ দলীয় সমর্থকের হত্যাকান্ডেই কি সরকারের এই ত্বরিত পদক্ষেপ না কি আসলেই ইনারা ছাত্ররাজনীতির মুখশে আড়াল করা হিংস্র হায়েনার ভয়াবহ ধ্বংস ক্ষমতা অনুধাবন করতে পেরেছেন? একই অনস্থা বিএনপি -এর বকর হত্যায় তাদের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলেও ফারুক হত্যাকান্ডে ওনার নিশ্চুপ। এদিকে সাহারা খাতুন নিহতের দলীয় পরিচয় নিয়ে সন্দিহান তবে কি এই হত্যাকান্ড ও বকর হত্যাকান্ডের পরিনতি পতে যাচ্ছে ? না কি সরকার, দলীয় স্বার্থের উর্ধে উঠে জনকল্যাণ ও মানবতার স্বার্থে সাময়িক সময়ের জন্য হলেও ছাত্ররাজনীতি নামক ফ্রাংকেনস্টাইনকে নিশিদ্ধ করবে।

আর বিচারের মুখমুখি করবে ছাত্রদল/লীগ, শিবিরের লেবেল লাগান নরহত্যাকারীদের?

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।