আওয়াজ উঠতে হবে, আওয়াজ উঠছে
জাতির ক্রান্তিলগ্নে ঐতিহাসিক বীর আত্ব্যারা ও কবির স্বপ্ন
দেশপ্রেমিক কবির স্বপ্নে সত্যর বার্তা ..............
হে কবি, ওঠ
ওঠ; কি কবি, ঘুমিয়ে কেন?
কে? কে? কে কথা বলে।
- নজরুল!
অন্যায়ের হিংস্র নয়নে ঝপিয়ে পড়া সত্যবাদি ভিমরুল (আমি)।
জাতিয় কবি, আপনি!
-- হ্যাঁ, আমি?
কবি-আপনি ঘুমান নি, এত রাতে? কবরের গেট খুলে দিল কে?
-- জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে দেশপ্রেমিক ঘুমায় কি করে?
আমি যে প্রতিবাদি, অন্যায় আমায় কালে কালে জাগিয়ে রাখে প্রতিবাদে, আমায়।
কবি-তবে আমি, আমায় কেন জাগালেন? কিছু কাজ আছে কি?
--- তুমি জাগরনের গান গাও, মুক্তির কথা বল, তুমি সত্য ধরতে সাহস কর না কেন?
তোমার কবিতার প্রেমের ক্ষুধাই শুধু হাটা চলা করে । জাতির কান্না তুমি লেখ না।
কেন?
কেন ভালবাসার পুঁথি বুনে বুনে অসাড় করে ফেলছ জাতির সজিবতা।
প্রেমের বাঁশী বাজিয়ে আর কতবার ঘুমিয়ে রবে প্রেমিকার স্বপ্নে?
কত কবিতায় চাটুকারিতার তৈল মর্দনে মাখু মাখু করবে সাহিত্য।
এবার জাগরনের কবিতা লেখ। হে কবি, ধুমকেতু আন! আগুন ধরাও মরা কাষ্ঠ আত্ব্যায়।
না মহান কবি, এ সমাজে আমার বড় ভয়।
এ জাতির স্বার্থে আমার বড় সংশয়।
--- তাতে কি? কি ক্ষতি, মানের সাথে যদি জরিমানার সংগম ঘটে। হোক না, হোক না,এই জীবনের অবসান, তাই বলে অন্যায়। না আগামীর কবি, না। এ নতুন শতাব্দির আধারে তুমি ধ্রুব তারার আলো জালাও।
জাগাও
এ জাতির বিবেক ,সুপ্তিমগ্ন, আগ্লেগিরিতে আবার বিস্ফোরন হোক,
জ্বলে যাক ধুমকেতুর শিখায় আবার অন্তরের সুপ্ত জাগরন।
টেউ উঠুক, সিন্দু হিল্লোল রক্তে রক্তে ভাসিয়ে তুলুক আন্দোলনের ফেনা।
আজ কেন শেকলের গান বইয়ের পাতায় মুখ গুজে কান্নায় পড়ছে ভেঙ্গে ?
তাকে মুক্তি দাও । তার বাঁধন খুলে দাও, ছেড়ে দাও বিবেকের আহবানকে সত্যের পথে আর কতকাল রবে পড়ে নর্দমায়, হীন-স্বার্থ মোহনায়, এবার সামিল হও দেশপ্রেমের শপথে
পথে নামাও কাব্য, রথে নামাও গদ্য, সভা-সেমিনারে ভাষনের ফুলকি নামাও মিছিলে মিছিলে অগ্নিবীনা বাজাও, চারদিকে রব উঠুক বন্দিত্বের লৌহ কপাট ভাঙ্গা শ্লোগানে
তার পদচারনায় মুখোর হয়ে উঠুক এ জাতি।
ক্ষুধা-দারিদ্রতার বাঙ্কারে সত্যর পারমানবিক মার,
ভাঙ্গ শেকল হিংস্রতার।
ছেড় গরিব মারার সকল চাবুকের জবান। - জাগো হে নতুন দিনের কবি। জাগো
” কারার ঐ লৌহ কপাট, ভেঙ্গে ফেল করবে লোপাট” - সমবেত কণ্ঠে কারা যেন ডাকছে।
............. কালের কবি গভীর ঘুম থেকে লাফিয়ে ওঠে। পাঁচতলার জানালায় যেয়ে চোখ মেলে ধরে রাস্তায়, গাছে ।
দেখে ভুতের আড্ডার পেছনের দোকানের ঝাপের নিচে শুয়ে আছে জড়োসড়ো কিছু মানুষ, বাহিরে হালকা বৃর্ষ্টি হচ্ছে। বিছানায় ফিরে এসে কবি আবার চোখ বন্ধ করলেন, আবার ঘুম ......................
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।