আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার কাজ পরিচালনায় এক্ষুণি স্বেচ্ছাসেবক সংগ্রহ করা দরকার

জীবন বুনে স্বপ্ন বানাই মানবজমিনে অনেক চাষ চাই

বেশ কয়েক বছর যাবৎ বাংলাদেশে মৃদু্ ভূমিকম্প হয়ে চলেছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয় নি। ১৯০৫ সালে আসাম ও বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প হয়েছিল। সেই সময়ে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী মরে যায় এবং বর্তমান যমুনা নদী উৎপত্তি ঘটে। এই এলাকায় সাধারণত ১০০ বছর পর পর একটি বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়।

তাই আশংকা করা হচ্ছে শীঘ্রই বাংলাদেশে একটা বড় ধরনের ভূমিকম্প হবে। ছোট ছোট এসব ভূমিকম্প তারই পূর্বাভাস মাত্র। বড় একটা ভূমিকম্পের বিপরীতে আমাদের প্রস্তুতি প্রায় শূন্য। ঢাকা শহরে একটা ভবন ধ্বসে পড়লে আহত নিহতদের চিকিৎসা দেয়ার সাধ্য আমাদের হাসপাতালগুলোর নেই। সেখানে একটা বড় ভূমিকম্পে অনেক দালাল কোঠা ধ্বসে পড়লে আহতরা বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে সেটা মুখস্ত বলে দেয়া যায়।

অন্য দিকে ভূমিকম্পের এই ঝুঁকি মাথায় নিয়ে রাজধানীতে একের পর এক অবৈধ, অনুমোদনহীন ও ভূমিকম্প প্রতিরোধে অক্ষম ভবনের সারি গড়ে উঠেছে। রাজউক ও ডেভেলপাররা মিলে রাজধানী শহরটাকে কংক্রিটের একটা জঞ্জালে পরিণত করেছে। বড় ধরনের একটা ভূমিকম্প হলে প্রচুর ভবন ধ্বসে পড়বে এবং ব্যাপক প্রাণহানি হবে। আমাদের এক্ষুণি ভূমিকম্প পরবর্তী দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। আমার মনে হয়, এক্ষুনি মহল্লায় মহল্লায় স্বেচ্ছাসেবক গড়ে তোলা দরকার।

এই সব স্বেচ্ছাসেবকদের দেয়া দরকার যথাযথ প্রশিক্ষণ। ভূমিকম্প থেকে নিজেকে রক্ষা করা ও ভূমিকম্প পরবর্তী সময়ে করণীয় সম্পর্কে সবাইকে যচেতন করা দরকার। ভূমিকম্পের সময় এবং পরবর্তী সময়ে কিভাবে দুর্যোগ সামলানো যাবে সেটা জানানো দরকার সবাইকে। আমাদের সমন্বিত একটা কার্যক্রম থাকা দরকার। এই কাজে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়সহ সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসার দরকার এক্ষুণি।

আমাদের হাতে সময় আর খুব বেশি নেই।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।