ঘাস ফড়িং এর স্বপ্নমালা
আজ থেকে ঠিক ৩ মাস ২ সপ্তাহ ১২ ঘন্টা পূর্বে আমি ব্লগে কিছু লিখেছিলাম । যেভাবে দিন যাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছিল কয়েকদিন পর সবার সাথে গপ্প করতে হত জানিস অনেক অনেক দিন আগে আমি ব্লগে লিখতাম । যদিও তা অখাদ্য টাইপ কিছু কিন্তু সেই অখাদ্য জিনিসটাও যে লিখতে পারছিলাম না । আজকে একটা পোষ্ট দিব এটা ধর্নুভঙ্গ পণ করে বসেছিলাম... নইলে ফিরে আসা হবে না আমার এই প্রিয় ব্লগটিতে... ওক্কে অনেক প্যাচাল পেরে ফেলেছি আসল কথায় বলি নাই।
আমি উপরে যে মাস সপ্তাহ ঘন্টা বলেছি না সেই সময়কালব্যপি আছি ভিয়েতনামের দক্ষিণের সবচেয়ে সুন্দর এবং পর্যটনের কেন্দ্রবিন্দু হো চি মিনে (আগে নাম ছিল সাইগন) শহরে। ভিয়েতনাম নিয়ে আমার আগে থেকেই আগ্রহ ছিল সঠিকভাবে বলতে গেলে ছোটবেলায় যখন র্যাম্বো দেখেছিলাম তখন থেকেই। আমি অবাক হয়ে ভাবতাম যারা নিজেদেরকে এই পৃথিবীর অঘোষিত বা স্বঘোষিত (আমি কনফিউজড) বড় ভাই ভাবে সেই আ্মেরিকাকে এই ছোট ছোট তালপাতার সেপাই ভিয়েতনামিজরা কিভাবে কচুকাটা করল!!! অবশ্য এখন আমি এর উত্তর জানি ... পরে কোন এক পোষ্টে এটা নিয়ে প্যাচাল পারব... নো প্রবলেম । সেই ভিয়েতনামিজদের বীরত্বের এক স্বাক্ষর হচ্ছে ওয়ার রিমন্যান্ট মিউজিয়াম। আজকে ঢু মেরেছিলাম সেখানে.. তারই কিছু ছবি ... এই পর্বে পরাক্রান্ত ইউ, এস (!! আর্মির ব্যবহৃত যুদ্ধ সরঞ্জামের ছবি দিলাম। ছবিগুলোতে মডেল হিসাবে আমি নিজেই আবির্ভুত হয়েছি ..
এবার আরেকটা ছবি যেটা এ পর্বের সাথে খাপ খাই না তাও দেওয়ার লোভ সামলাতে পারলাম না... কারণ ছবিটি বাঙ্গালী হিসাবে হঠাৎ আমাকে এক অন্যরকম অনুভূতির স্বাধ দিয়েছে... মিউজিয়ামে বিভিন্ন পোষ্টারের মধ্যে চোখে পড়ল আমার প্রিয় বাংলা বর্ণমালা ...
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।