আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

এক রাগবি দলেই পাঁচ যমজ!

প্রতিপক্ষ তো বটেই, ধন্দে পড়ে যান নিজ দলের খেলোয়াড়েরাই। কোনটা যে কে, বুঝে ওঠাই যে মুশকিল। একটা দলে পাঁচ জোড়া যমজ ভাই-বোন থাকলে এমনটাই তো হওয়ার কথা। কোচও কাকে কী নামে ডাকবেন, বুঝে উঠতে পারেন না। দেখা গেল, কোচ ডাকছেন একজনের নাম ধরে, সাড়া দিচ্ছে আরেকজন! পাঁচ জোড়া যমজের এ রকম অদ্ভুত ভিড় লেগেছে দক্ষিণ আফ্রিকার ছোটদের এক রাগবি দলে।


প্রিটোরিয়ার ওসটেলিকা ইগলের ছোটদের দলটা গড়ে উঠেছে পাঁচ জোড়া যমজ ভাই-বোন নিয়ে। চেহারায় হুবহু মিল আছে দুটি জোড়ার ক্ষেত্রে। দুটি জোড়ার চেহারায় কিছুটা পার্থক্য আছে বলে সতীর্থরা কেউ কেউ চিনে নিতে পারে কে কোনটা। তবে সবচেয়ে সুবিধা করে দিয়েছে আট বছর বয়সী ফ্রাঙ্কোইস ভিলজোন। তার যজমটি ভাই নয়, বোন।

এদেরই আলাদা করতে কষ্ট হয় না। তবে সেই বোনও সব সময়ই দলের সবার সঙ্গেই থাকে পানিবাহক হিসেবে। সবারই বয়স সাত থেকে নয় বছরের মধ্যে।
অদ্ভুত এই দলটার অনুশীলনে যেন সব সময়ই চলছে একটা সুশৃঙ্খল বিশৃঙ্খলা। একজনকে ডাকলে হয়তো সাড়া দেয় আরেকজন।

সতীর্থদেরও প্রায়ই গলদঘর্ম হতে হয় এই যমজদের কে কোনজন, সেটা ঠাওর করতে। এই সমস্যায় যে তিনিই সবচেয়ে ভোগেন, সেটাই মনে করিয়ে দিলেন কোচ নিলস গুসেন, ‘এই অভিন্ন যমজদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করাটা খুবই কঠিন কাজ। তাদের আলাদাভাবে চেনার কোনো উপায়ই নেই। ’
সমস্যা সমাধানের জন্য একটা উপায়ও অবশ্য বের করেছেন তিনি। কাউকেই আর আলাদাভাবে ডাকেন না।

যমজদের ডাকেন জোড়ায় জোড়ায়। সবগুলো জোড়ার নামও দিয়েছেন। যেমন একটা জোড়ার নাম ‘টুইনস’। আরেক জোড়াকে ডাকেন ‘মিন্নি’ নামে। আলাদাভাবে চিনতে না পারলে আর কিই বা করার থাকতে পারে।


কোচেরই যখন এই অবস্থা, তখন সতীর্থদের কথা না বললেও চলে। অনুশীলনের সময় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির খানিকটা বর্ণনা দিয়েছেন যমজ ভাইদেরই একজন, ‘সবাই বলে ওইটা হয়তো উইলিয়াম আর এটা রুয়ান। কিন্তু ঘটনা পুরোপুরিই আলাদা। কারণ আমি উইলিয়াম আর ও রুয়ান। ’।

সোর্স: http://www.prothom-alo.com     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।