আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

৭১ এর ঘাতক দালালরা এখন কে কোথায়, ধারাবাহিক পোস্ট ৩

যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা বের করতে গিয়ে লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। ভেবেছিলাম এই পর্বেই শেষ করব। কিন্তু তা আর সম্ভব হচ্ছেনা। কেঁচো খুড়তে সাপ অনবরত বের হচ্ছেই। এ দলটি কষ্মিনকালেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে না।

যে দলে এতো রাজাকার তারা কি করে নিজের পায়ে কুড়াল মারবে? শুধু রাজনৈতিকভাবে নামকাওয়াস্তে কিছু আওয়ামী দুশমনদের ধরে শায়েস্তা দিয়ে জনগণকে ধোঁকা দিবে। সত্যিকার বিচার তারা করতে পারবে না। সত্যি এক পাঠক লিখেছেন, আওয়ামী লীগ হল মুক্তিযোদ্ধা বানানোর মেশিন। রাজাকার, যুদ্ধাপরাধীরা এই দলে যোগ দিয়ে হয়ে গেছে বড় মুক্তিযোদ্ধা। আমাদের গ্রামে এক ভিখারী আছেন।

উনি আগে রাজাকার ছিলেন, বক্কার রাজাকার বলে এলাকায় খ্যাত। এখন আওয়ামী লীগ করে বীর মু্ক্তিযোদ্ধা হয়েছেন। যাহোক, এবারে শুরু হচ্ছে পর্ব তিন: মোসলেম উদ্দিন, এম, পি আওয়ামী লীগের এম পি মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নিয়ে রিপোর্ট ছেপেছে আওয়ামী এমপি সাবের হোসেনের পত্রিকা ভোরের কাগজ , ৮ এপ্রিল ২০১০। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ মহাজোট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলাটি হয়েছে ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। ফুলবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক ও জোড়বাড়িয়া গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলী মণ্ডলের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ১০৯/১১৪/১১৩/১৩(ক)৩০২/২০১/৪৩৬/৩৭৯/৩৪ ধারায় অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিনসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলাটি করেছেন।

মামলার এজাহারে অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিনসহ বিবাদীরা স্বাধীনতাবিরোধী, রাজাকার, আলবদর, আলশামস, দালাল, যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গি, দেশদ্রোহী ও আইন অমান্যকারী লোক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলাটি করার পর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফর রহমান শিশির মামলাটি গ্রহণ করে ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ১৯৭১ সালের ২৭ জুন দুপুর ২টায় সব বিবাদী পাকবাহিনীসহ মামলার বাদী জালাল উদ্দিনের বাড়ি লুণ্ঠন করে অগি্নসংযোগ করে বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রাজ্জাক, আবদুস সালাম, আবদুল মান্নানের বাড়িসহ আরও ৪-৫টি বাড়ি ভস্মীভূত করা হয়। নোয়াখালীর ওবায়দুলল্লাহ মজুমদার ও চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত 'এমপিএ' অধ্যাপক শামসুল হক নোয়াখালী থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের 'এমএনএ' (জাতীয় পরিষদ) মো. ওবায়দুলল্লাহ মজুমদার ও চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত 'এমপিএ' (প্রাদেশিক পরিষদ) অধ্যাপক শামসুল হক দু'জনই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর তৈরি এমএ মালেকের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।

তারা দুজনই পরলোকগত। এসব নিয়ে আমাদের সময়, ২৮ ও ২৯ এপ্রিল ২০১০ এ “আওয়ামী লীগেও ছিল যুদ্ধাপরাধী! সেই তালিকা তৈরি করছে জামায়াত” এবং “নির্বাচিত সংসদ সদস্য হয়েও আওয়ামী লীগের ২৫ নেতা পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে হাত মেলান” নামে চমৎকার দুইটা রিপোর্ট প্রকশিত হয়। সেগুলোর উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে নিম্নোক্ত প্রতিবেদন। তালিকাভুক্ত অপর আওয়ামী লীগ নেতারা হচ্ছেন- চট্টগ্রামের প্রাদেশিক আসন ২৪ থেকে নির্বাচিত 'এমপিএ' সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, পটুয়াখালী থেকে নির্বাচিত 'এমপিএ' মুজিবুর রহমান তালুকদার, যশোর থেকে নির্বাচিত 'এমপিএ' মো. মঈনুদ্দীন মিয়াজী, খুলনার 'এমপিএ' হাবিবুর রহমান খান, বগুড়া থেকে নির্বাচিত গণপরিষদ সদস্য মো. হাবিবুর রহমান, ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে নির্বাচিত 'এমএনএ' জহির উদ্দিন, লে. কর্নেল একেএম মাহবুবুল ইসলাম (পাবনা), সৈয়দ হোসেইন মনসুর (পাবনা), মো. আবদুল গাফফার (খুলনা), মো. সাঈদ (খুলনা), মোশাররফ হোসেন শাহজাহান, একে ফায়জুল হক (বরিশাল), এবিএম নুরুল ইসলাম (ফরিদপুর), আমজাদ হোসেন খান (ফরিদপুর), মো. নুরুল ইসলাম (ঢাকা), আখতারুজ্জামান (ময়মনসিংহ), সৈয়দ বদরুজ্জামান ওরফে এসবি জামান (ময়মনসিংহ), ডা. আবুল হাসেম (সিলেট)। উল্লেখিত ২০ নেতার প্রত্যেকে জাতীয় পরিষদ অথবা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন।

দৈনিক পাকিস্তানও আজাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় এসব নেতার স্বাধীনতাবিরোধী বিবৃতি প্রকাশ হয়। তালিকাভুক্ত এসব আওয়ামী লীগ নেতারা মুক্তিযুদ্ধের সময় কেবল বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে ইয়াহিয়া সরকারের পক্ষই নেননি, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতা করেন বলেও তাতে উল্লেখখ আছে। যে কারণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়েই সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কিছু গণপরিষদ সদস্যের সদস্য পদ বাতিল করা হয়। অনেকের নাগরিকত্বও বাতিল করা হয়েছিল। উলেস্নখিতদের অনেকেই ইতোমধ্যে মারা গেছেন।

'৭১ সালের ৩ জুলাই সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, 'পাকিস্তানকে খণ্ডবিখণ্ড করার জন্য জনগণ আমাকে ভোট দেয় নাই। ' ৬ জুলাই মুজিবুর রহমান তালুকদার পৃথক বিবৃতিতে 'পাকিস্তানকে খণ্ড-বিখণ্ড করার জন্য আওয়ামী লীগের মতলব সম্পর্কে তাঁর কোনো ধারণা ছিল না' বলে মন্তব্য করেন। হাবিবুর রহমান খান বলেন, 'পাকিস্তানএক ও অবিচ্ছেদ্য। পাকিস্তানকে ধ্বংস করতে পারে এমন কোনো শক্তি পৃথিবীতে নেই। ' সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মাওলানা নুরুল ইসলাম একাত্তর সালে তিনি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি রাজাকার কমান্ডার ছিলেন।

তখন ঢাকার কেরাণীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন, টাঙ্গাইলের সাবেক আওয়ামী লীগ এমপিএ খোদাবক্স মুক্তার, ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মহকুমা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মো. ফিরোজুর রহমান, ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবদুস শুকুর মিয়া, ফরিদপুর আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল জলিল মিয়া মোক্তার, অ্যাডভোকেট কাজী খলিলুর রহমান, অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দিন মিয়া, চট্টগ্রাম সদর মহকুমা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আবুল বাশার, নেত্রকোণার আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল ইসলাম খান, নেত্রকোণা শহর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, মহকুমা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি চাঁদবক্স পাটওয়ারী মোক্তার, নেত্রকোণার বায়লাতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সেক্রেটারি ডা. গিয়াসউদ্দিন আহমদ, নেত্রকোণা শহর আওয়ামী লীগ সদস্য সোহরাব হোসেন, নেত্রকোণা মহকুমা আওয়ামী লীগ সদস্য এমদাদুল হক, চাঁদপুর আওয়ামী লীগ সভাপতি ডা. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, চাঁদপুর মহকুমা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী মোক্তার, চাঁদপুর রেডক্রস সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট ফজলুল হক, চাঁদপুর মহকুমা আওয়ামী লীগের কার্যকরি সদস্য খুরশিদ আলম চৌধুরী, মহকুমা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ বজলুর রহমান শেখ, চাঁদপুর আওয়ামী লীগ সদস্য ও তরপারচান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান মৃধা, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজ শেখ পাটওয়ারী, চাঁদপুর আওয়ামী লীগ সদস্য ও ঠিকাদার মোফাজ্জল হোসেন, ফরিদগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক ডা. নুরুল ইসলাম, রাজশাহীর সোহরাওয়ার্দী আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুর রহমান, যশোর আওয়ামী লীগ নেতা মীর তৈয়ব, মোহাম্মদ আবদুল হাকিম বিক্রমপুরী। নেত্রকোনা শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি আওয়ামী লীগের বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না। তিনি মুসলমানদের চিরশত্রু ভারতের সমর্থনপুষ্ট বিচ্ছিন্নতাবাদী দুষ্কৃতকারীদের উৎখাতকল্পে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জনপ্রতিনিধি হয়েও আওয়ামী লীগের পঁচিশ নেতা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে পাকিস্তানী বাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন। তারা কেউ ছিলেন এমএনএ (জাতীয় পরিষদ সদস্য) আবার কেউ ছিলেন এমপিএ (প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য)।

হানাদার বাহিনীকে তারা সবধরনের সহযোগিতা দিয়েছেন। দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যাসহ নানা ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গেও তাদের কয়েকজন যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে সরকারি ও দলীয় সিদ্ধন্তে '৭১ ও '৭২ সালেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়। মুজিব নগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদ, বঙ্গবন্ধু সরকার আমলের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্তপ্রকাশিত কিছু গ্রন্থ থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এই পঁচিশ জনের মধ্যে কয়েকজন পরবর্তীকালে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে মন্ত্রীও হন।

এরকম পঁচিশ জনের মধ্যে সাতজন '৭১ সালের ২৬ মার্চ রাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরবর্তীকালে পাকিস্তানী বাহিনীর সঙ্গে সমঝোতা করে মুক্তি পান এবং পাকবাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেন। তারা হচ্ছেন_ একেএম মাহবুবুল ইসলাম (পাবনা), একে ফায়জুল হক (বরিশাল), অধ্যাপক শামসুল হক (চট্টগ্রাম), অংশু প্রু চৌধুরী (পার্বত্য চট্টগ্রাম), ডা. আজাহার উদ্দিন (ভোলা), একেএম মাহবুবুল ইসলাম (সিরাজগঞ্জ) ও আহমদ সাগির হোসেন। এছাড়া তৎকালীন আওয়ামী লীগ থেকে আরো যেসব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি স্বাধীনতার বিরোধিতা করেন তারা হচ্ছেন_ আবু সোলায়মান মণ্ডল (পীরগঞ্জ, রংপুর), আজিজুর রহমান (গাইবান্ধা), নুরুল হক (রংপুর), এনসান আলী মুক্তার (টাঙ্গাইল) একেএম মোশাররফ হোসেন (ময়মনসিংহ), আফজাল হোসেন (নারায়ণগঞ্জ), ওবায়দুলস্না মজুমদার (নোয়াখালী), সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম), মো. মঈনুদ্দীন মিয়াজী (যশোর), হাবিবুর রহমান খান (খুলনা), মো. হাবিবুর রহমান (বগুড়া), জহির উদ্দিন (মোহাম্মদপুর, ঢাকা), সৈয়দ হোসেইন মনসুর (পাবনা), মো. আবদুল গাফফার (সাতক্ষীরা), মো. সাঈদ (খুলনা), মোশাররফ হোসেন শাহজাহান (ভোলা) এবিএম নুরুল ইসলাম (ফরিদপুর), সৈয়দ বদরুজ্জান ওরফে এসবি জামান (ময়মনসিংহ)। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়ে তাদের অনেকের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছিল।

(চলবে) --লেখক সিনিয়র আইনজীবি, মিশিগান। ইমেইলঃ Click This Link ৭১ এর ঘাতক দালালরা এখন কে কোথায়, ধারাবাহিক পোস্ট ৭১ এর ঘাতক দালালরা এখন কে কোথায়, ধারাবাহিক পোস্ট ২। ৭১ এর ঘাতক দালালরা এখন কে কোথায়, ধারাবাহিক পোস্ট ৩ ৭১ এর ঘাতক দালালরা এখন কে কোথায়, ধারাবাহিক পোস্ট ৪ ৭১ এর ঘাতক দালালরা এখন কে কোথায়, ধারাবাহিক পোস্ট ৫ ৭১ এর ঘাতক দালালরা এখন কে কোথায়, ধারাবাহিক পোস্ট ৬ ৭১ এর ঘাতক দালালরা এখন কে কোথায়, ধারাবাহিক পোস্ট ৭ ৭১ এর ঘাতক দালালরা এখন কে কোথায়, ধারাবাহিক পোস্ট ৮  ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।