পর্ব এক
যথারীতি সেদিনের কাজ শেষে ফিরা এলাম ঢাকায়। ঢাকায় ফিরে আবারও নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে যাই। ভুলে গিয়েছিলাম সেদিন ব্যাগ থেকে বের করে ড্রয়ারে রাখা পার্থের সেই ডায়রীর কথা।
প্রতিদিন সকালে অফিসে যাওয়া, গভীর রাতে বাসায় ফিরে পরদিনের করণীয়গুলো নোটবুকে টুকে রেখে ঘুমাতে যাওয়া। এভাবেই দিন কেটে যাচ্ছিল।
ইতিমধ্যে মেসের সদস্যসংখ্যা দিন দিন কমতে থাকায় অবশিষ্ট সদস্যরা মিলে সিদ্ধান্ত হলো বাসা বদলের। ঠিক হলো নতুন বাসা।
বাসা পরিবর্তনের আগের দিন নিজের সব মালপত্র গোছানোর সময় প্রায় এক বৎসর পরে আবার আবিষ্কার করলাম সেই ডায়রী। ডায়রীটা হাতে নিয়ে পড়া শুরু করবো এমন সময় মনে হলো কারো ব্যক্তিগত ডায়রী এভাবে পড়া কি উচিৎ হবে। কিন্তু নিষিদ্ধ কোন কিছুর প্রতি আগ্রহ কম বেশি সবারই থাকে।
আমিওতো রক্ত মাংসের মানুষ, ব্যতিক্রম হই কিভাবে? শুরু করলাম প্রথম পাতা থেকে....
অক্টোবর ২৩, ২০০৪ -
আমার বাসায় ডায়াল আপ ইন্টারনেট কানেকশন তাই মন মত ব্রাউজিং করতে পারিনা। মাঝে মাঝে চ্যাটিং করা আমার বেশ ভালই লাগে। কত অপিরিচিত মানুষের সাথে মন খুলে কত কথা বলা যায়। এভাবেইতো আজ হুট করে ঢুকলাম ইয়াহূ চ্যাটরুমে। একটা আইডি থেকে হঠাৎ কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করায় না করিনি।
তাছাড়া আইডিটি দেখে মনে হয়েছিলো মেয়েই হবে।
যাই হোক কথা বলে বেশ ভাল লাগলো। একদিনেই অনেক খানি কথা হলো। ঠিক হলো বন্ধুত্ব করবো, তবে আরেকটু সময় নিয়ে। যেটুকু জানলাম বয়সে আমার চেয়ে তিন বৎসরের ছোট।
কথা বলে কেন যেন মন ভরলো না।
ইশ তোমার ফোন নম্বরটা যদি পেতাম, তাহলে আজ সারা রাত কথা বলতাম। যেটুকু কথা হয়েছে, কেন যেন মনে হচ্ছে খুব জমবে আমাদের বন্ধুত্ব। খুব সাদাসিদে মনে হয়েছে তোমাকে। অপেক্ষাই রইলাম....।
[চলবে]
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।